নিজস্ব প্রতিবেদক: ওয়াসেকপুর উচ্চবিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এম এইচ মিঠু। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও উন্নয়নে তার ভূমিকা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে। শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তার।
সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা গুরুত্বপূর্ণ। ওয়াসেকপুর উচ্চবিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মিঠু এসব ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছেন জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।
শিক্ষার পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার কথাও তুলে ধরেছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, সামাজিক উন্নয়নে একজন ব্যক্তির অবদান মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তার বাস্তব কর্মকাণ্ড ও জনসম্পৃক্ততাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় পর্যায়ে মিঠুর রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ, এলাকার সমস্যা নিয়ে তার অবস্থান এবং সম্ভাব্য নির্বাচনী কর্মসূচি গুরুত্ব পাবে।
এ বিষয়ে মিঠু বলেন, আমি যদি উন্নয়নের সুযোগ পাই, এলাকাবাসীর সকল সমস্যা সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিব। আমি মুখের কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী।
অন্যদিকে, মিঠুকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এসব তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই ছাড়াই নেতিবাচক তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, যা তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
এ বিষয়ে মিঠুর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে যেসকল অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে, এগুলো সম্পূর্ন ভিত্তিহীন, আমি খুব শিগ্রই এসকল অপশক্তির বিরুদ্ধে আইনি মাধ্যমে একশানে যাব।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন, প্রাসঙ্গিক নথিপত্র এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার স্বার্থে কোনো অভিযোগ বা পাল্টা অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন গণমাধ্যম কর্মীরা।