?> ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে নেন ৯৮ হাজার, আরও টাকা নিতে এসে ধরা | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে নেন ৯৮ হাজার, আরও টাকা নিতে এসে ধরা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে নেন ৯৮ হাজার, আরও টাকা নিতে এসে ধরা

সরকারি ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ছয়জন প্রান্তিক মানুষের কাছ থেকে প্রায় লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক নারীকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন ভুক্তভোগীরা। প্রায় দেড় মাস ধরে ‘আজ দেব, কাল দেব’ বলে ঘোরানোর পর নতুন করে আরও টাকা দাবি করাই কাল হলো ওই প্রতারকের জন্য। ফাঁদ পেতে বাকি টাকা দেওয়ার অজুহাতে ডেকে এনে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে তাকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার বেলা একটার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ী ইউনিয়নের রায়েরবাজার এলাকায় কৃষি ব্যাংকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আটক নারীর নাম নার্গিস আক্তার (৩৬)। তিনি স্থানীয় মৃগালী গ্রামের খোকন আলীর স্ত্রী। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রায়েরবাজার তদন্তকেন্দ্রে এবং বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সন্ধ্যায় তাকে সরাসরি ঈশ্বরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

ভুক্তভোগীরা সবাই পাশের নান্দাইল উপজেলার কামারগাঁও ইউনিয়নের দোরুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন—হোসনে আরা বেগম (৩২), রাবেয়া খাতুন (৫০), জোসনা খাতুন (৩০), আছিয়া খাতুন (৫৬), তন্নী আক্তার লিমা (৩৫) ও কনক মিয়া (৩৬)।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পূর্বপরিচয়ের সূত্রে নার্গিস আক্তার তাদের আশ্বাস দেন যে স্থানীয় প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তিনি দ্রুত সরকারি ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা করে দেবেন। এই আশ্বাসে বিশ্বাস করে রাবেয়া খাতুন দেন ১৮ হাজার টাকা এবং বাকি পাঁচজন দেন ১৬ হাজার টাকা করে—যার মোট পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৮ হাজার টাকা। টাকা হস্তান্তরের পর থেকেই ভুক্তভোগীদের প্রায় দেড় মাস ধরে নানা টালবাহানায় ঘোরাতে থাকেন নার্গিস।

ভুক্তভোগী রাবেয়া খাতুন জানান, আঠারবাড়ী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মিজানুর রহমান আলমগীর ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাবিবুর রহমানের প্রভাব খাটিয়ে কার্ড করিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন নার্গিস। কিন্তু কার্ড তো মেলেইনি, উল্টো সম্প্রতি নার্গিস আরও ৪ হাজার টাকা দাবি করেন। এতে তাদের সন্দেহ তীব্র হয়। এরপর বুদ্ধি খাটিয়ে বাকি ৪ হাজার টাকা পরিশোধের কথা বলে মঙ্গলবার নার্গিসকে রায়েরবাজারে ডেকে আনা হয় এবং পৌঁছামাত্র স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশে তুলে দেওয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান আলমগীরের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান জানান, গত সোমবার বিষয়টি তার নজরে আসে। তাদের নাম ভাঙিয়ে নার্গিস সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছিলেন বুঝতে পেরে ভুক্তভোগীদের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার ফাঁদ পেতে তাকে আঠারবাড়ীতে ডেকে আনা হয় এবং পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন জানান, ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নার্গিস আক্তার নামের ওই নারীকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে নিয়মিত প্রতারণা মামলা দায়েরসহ যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

"কাচ্চি ভাই" ও ধানসিঁড়ি রেস্টুরেন্টকে লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ মার্চ, ২০২৪

"কাচ্চি ভাই" ও ধানসিঁড়ি রেস্টুরেন্টকে লাখ টাকা জরিমানা

অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বুধবার (৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নায়েন এ আদালত পরিচালনা করেন। তার সঙ্গে আছেন সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান।

এদিকে, এসময় একই অভিযোগে ধানসিঁড়ি নামে আরেকটি রেস্তোরাঁকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া সিঁড়ির সামনে মালামাল রাখায় সেভা হাউজ নামে একটি ভবনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই ভবনটি সাততলা।

দুপুর পৌনে একটা পর্যন্ত গুলশান-২ নম্বর এলাকায় অভিযান চলে।

এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর রেস্টুরেন্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ঘাটতি খুঁজতে অভিযানে নেমে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) বেইলি রোডে বন্ধ থাকা সুলতানস ডাইন ও নবাবী ভোজ নামের রেস্টুরেন্ট দুটি সিলগালা করে রাজউক। এছাড়া স্কাই ভিউ নাইটেঙ্গল টাওয়ার নামের ৮ তলা রেস্টুরেন্ট ভবন পরিদর্শন করেন তারা। সেখানে তারা দেখতে পান ৩ মিটার সিঁড়ির বদলে সেখানে রয়েছে ৩ ফিট সিঁড়ি। সঙ্গে রয়েছে ছোট্ট একটি লিফট। এছাড়া ভবনটিতে কোনো ফায়ার এক্সটিংগুইসার দেখা যায়নি। পরে সেখানে ফায়ার সার্ভিস ‘ভবনটি অগ্নি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ লিখে একটি নোটিশ টানিয়ে দেয়।

এছাড়া সোমবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডি, ওয়ারীসহ বিভিন্ন এলাকায় অর্ধশত রেস্টুরেন্টে একযোগে অভিযান পরিচালনা করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও পুলিশ। এসব অভিযানে বেশকিছু রেস্টুরেন্ট সিলগালা করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন রেস্তোরাঁর ১৬ জনকে আটক এবং ৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে করা কয়েকটি রেস্তোরাঁ ভেঙে ফেলাও হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে লাগা আগুনে এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে, সেই ভবনের প্রথম তলায় ‘চায়ের চুমুক’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট ছিল। সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত, যা পরে পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার রেস্টুরেন্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা তদারকি করতে অভিযান পরিচালনা করছে বিভিন্ন সংস্থা।


মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত, চাপ কমাতে পুনর্গঠন পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত, চাপ কমাতে পুনর্গঠন পরিকল্পনা

প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপ কমাতে এবং কাজের গতিশীলতা আনতে বর্তমান সরকার খুব শিগগিরই মন্ত্রিসভায় ৫ থেকে ৮ জন নতুন মুখ যুক্ত করতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীদের কাজের চাপ কমাতে দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্তও আসতে পারে। এদিকে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন দীপেন দেওয়ান।

সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রগুলো বলছে, তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের একজন তরুণ এমপির নাম বেশ আলোচনায় আছে। প্রধানমন্ত্রীর খুব কাছের হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে।

পাশাপাশি নরসিংদী থেকে আরও একজনকে মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে। এছাড়া নেত্রকোনা থেকে একজন এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের একজন নারী এমপির নাম মন্ত্রী হিসেবে বেশ আলোচনা রয়েছে। বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার একজন সিনিয়র বিএনপি নেতাকেও তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় শিগগিরই দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, খুলনা, ঢাকা ও বৃহত্তর পাবনা জেলা থেকেও মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে যাচ্ছেন কয়েকজন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদের কাউকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে। সেইসঙ্গে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন মন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন হতে পারে বলে জোর আলোচনা চলছে।

এদিকে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মাথায় একজন মন্ত্রীর পদত্যাগে মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা বেশ বিব্রত ও অস্বস্তিতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

দীপেন দেওয়ান সত্যিই অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে, তা নিয়ে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে সরকার ও প্রশাসনে। দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। উৎস: দেশ ‍রুপান্তর।


কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি জনগণের কাছে যে ওয়াদা দেয়, সরকার পরিচালনার দায়িত্বে থাকলে সেই ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পূরণ করে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের মানুষের বিপুল সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করেছে উল্লেখ করে তিনি দেশ পুনর্গঠনে জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান।

আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে একটি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুর সফরে যাওয়ার পথে এ পথসভায় অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, প্রত্যেক পরিবারের হাতে ধীরে ধীরে আমরা ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছাব, কৃষক কার্ড দেব এবং মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ধর্মীয় গুরুদের জন্য সম্মানীর ব্যবস্থা করব। আমরা ইতিমধ্যে সেই কাজগুলো শুরু করেছি। বাংলাদেশের প্রায় ৬০ হাজার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্মানীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশের মা-বোনদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। কৃষক ভাইদের হাতে কৃষক কার্ড দেওয়ার কাজ অল্প করে হলেও শুরু করা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, বিএনপি দেশের মানুষকে যে কথা দেয়, সরকারে থাকলে তা সব সময় রক্ষা করার চেষ্টা করে।