?> ঈদের আগে মসলার বাজারে স্বস্তি, বিক্রি কমে হতাশ ব্যবসায়ীরা | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

ঈদের আগে মসলার বাজারে স্বস্তি, বিক্রি কমে হতাশ ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

ঈদের আগে মসলার বাজারে স্বস্তি, বিক্রি কমে হতাশ ব্যবসায়ীরা

কোরবানির ঈদের আগে এবার রাজধানীর মসলার বাজার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। বেশ কিছু মসলার দাম কমেছে। খুচরা পর্যায়ে বিক্রি কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারেও চাহিদা কমেছে। এতে ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পেলেও অবৈধ পথে আসা মসলার কারণে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করছেন বিক্রেতারা।

টিসিবির সয়াবিন তেল কিনতে ব্যয় বাড়ছে সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৪

টিসিবির সয়াবিন তেল কিনতে ব্যয় বাড়ছে সরকারের

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৮৭ কোটি টাকা। এই তেল কিনতে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর টিসিবির জন্য এই প্রথম সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হলো। প্রতি লিটার সয়বিন তেল কেনা হবে ১৫৭ টাকা ৯০ পয়সা করে। আওয়ামী লীগ সরকার সর্বশেষ যে দামে সয়াবিন তেল কিনেছিল এবার তার থেকে লিটারে প্রায় সাড়ে ৭ টাকা বেশি পড়ছে।

রোববার (২০ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি বৈঠকে এই সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে এই তেল কিনতে মোট খরচ হবে ৮৬ কোটি ৮৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের মূল্য ধরা হয়েছে ১৫৭ টাকা ৯০ পয়সা।

এর আগে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে সর্বশেষ সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয় গত ২৯ জুন। ওইদিন অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেয়।

প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ধরা হয় ১৫০ টাকা ৪৮ পয়সা। এতে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে মোট ৩৩১ কোটি ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়। এই সয়াবিন তেলও সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে কেনার সিদ্ধান্ত হয়। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সরকার সর্বশেষ যে দামে সয়াবিন তেল কিনেছে তার তুলনায় এবার প্রতি লিটারে ৭ টাকা ৪২ পয়সা বেশি পড়ছে।

সয়াবিন তেল কিনতে ব্যয় বেশি হলেও সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সরকারের তুলনায় বেশ কম দামে মসুর ডাল কিনছে সরকার। গত ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি বৈঠকে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। এই মসুর ডাল কিনতে মোট খরচ ধরা হয় ৯৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আর প্রতি কেজি মসুর ডালের দাম ধরা হয় ৯৬ টাকা ৩৯ পয়সা।

এর আগে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে সর্বশেষ মসুর ডাল কেনা হয় ১০২ টাকা ২০ পয়সা কেজি দরে। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সরকার সর্বশেষ যে দামে মসুর ডাল কিনে তার তুলনায় অন্তর্বর্তী সরকারের মসুর ডাল কিনতে কেজিতে ৫ টাকা ৮১ পয়সা কম পড়েছে।


চিলাহাটিতে কুকুরের আতঙ্ক, স্কুলগামী শিশুরাও নিরাপদ নয়

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চিলাহাটিতে কুকুরের আতঙ্ক, স্কুলগামী শিশুরাও নিরাপদ নয়

নীলফামারীর চিলাহাটি বাজার ও আশপাশের এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে। বিশেষ করে রাতে দলবদ্ধ কুকুরের চলাচলে আতঙ্কে রয়েছেন পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে স্কুলগামী শিশুদের চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


স্থানীয়রা জানান, চিলাহাটির বিভিন্ন সড়ক ও বাজার এলাকায় দলবদ্ধভাবে কুকুর ঘোরাফেরা করে। রাতে পথচারীদের পিছু নেওয়া ও তাড়া করার ঘটনায় অনেকেই আতঙ্কের মধ্যে চলাচল করেন। শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কয়েকটি গৃহপালিত প্রাণী কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়েছে বলেও জানান তারা।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কুকুরের উপদ্রব থাকলেও এটি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। তাদের দাবি, জননিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিক। বিশেষ করে স্কুলগামী শিশু ও রাতে চলাচলকারী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


রাজধানীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

রাজধানীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

ঈদের ছুটি শুরু হতেই জমে উঠেছে রাজধানীর কোরবানির পশুর হাট। গাবতলী থেকে শাহজাহানপুর প্রতিটি হাটেই এখন উপচে পড়া ভিড়। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাকভর্তি গরু, ছাগল ও মহিষ আসছে হাটগুলোতে। রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে ২৫-২৬টি হাটে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ।

সোমবার (২৫ মে) ভোর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে বিক্রেতাদের হাঁকডাক। কেউ পরিবার নিয়ে এসেছেন কোরবানির পশু কিনতে, আবার কেউ এসেছেন শুধু বাজার ঘুরে দেখতে। বড় বড় হাটগুলোতে দেশি মাঝারি আকারের গরুর চাহিদাই বেশি।

এদিকে, বিক্রেতারা বলছেন খামারিদের আনা গরুর সংখ্যা বেশি হওয়ায় ক্রেতাদেরও মিলছে নানা দামের পশু। আর ক্রেতারা বলছেন, কয়েক দফা দরদামের পরই মিলছে পছন্দের গরু। ঈদের আগে তিনদিন সর্বোচ্চ বিক্রির আশা বিক্রেতাদের। তবে শঙ্কা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু আসলে গুনতে হবে লোকসান।