?> ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ওড়িশা-অন্ধ্রে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ওড়িশা-অন্ধ্রে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ওড়িশা-অন্ধ্রে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে ভারতের পূর্ব উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি) জানিয়েছে, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর নাম হবে ‘অর্ণব’।

‘অর্ণব’ বাংলা শব্দ, যার অর্থ সমুদ্র। বাংলাদেশ আবহাওয়া সংস্থার পক্ষ থেকে আগে থেকেই এই নামটি নির্ধারণ করা হয়েছিল।

বর্তমানে নিম্নচাপটি ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল থেকে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এটি আরও এগিয়ে বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মধ্যবর্তী রাতে ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

নিম্নচাপের প্রভাবে ওই দুই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কোথাও কোথাও ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। এর সঙ্গে ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

অতিরিক্ত বৃষ্টিতে নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমে সাময়িক জলাবদ্ধতা ও বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে নদনদীর পানিও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।

সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে ওড়িশা সরকার। খুরদা, গঞ্জাম, গজপতি ও জগৎসিংপুর জেলায় মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি জেলেদের সমুদ্রে না যাওয়ার জন্যও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

কিশোর গ্যাং
দুইদিনে গ্রেফতার ৭৫ জামিনে সুপারিশ করলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ মার্চ, ২০২৪

দুইদিনে গ্রেফতার ৭৫ জামিনে সুপারিশ করলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা

রাজধানীর তেজগাঁও, গুলশান, উত্তরা ও মতিঝিল এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে গত দুদিনে ৭৫ কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

ডিবি বলছে, কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে বর্তমানে ধনীর সন্তানরাও জড়িয়ে যাচ্ছে। তারা মারামারিসহ হত্যার মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে। কিশোর গ্যাংবিরোধী ধারাবাহিক অভিযান চলবে। তাদের জামিনের বিষয়ে কেউ সুপারিশ নিয়ে এলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (৬ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, দুদিনে ৭৫ কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্বের কারণে সমাজের শান্তিশৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। কিশোর গ্যাং সদস্যরা ছিনতাই, ইভটিজিং, হুমকি দেওয়া, স্কুল-কলেজের ছাত্রীদের ভয় দেখানো ও বিভিন্ন সময়ে উত্তেজনা পরিস্থিত সৃষ্টি করে। এ কাজগুলো তারা দলবদ্ধ হয়ে করে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নানা নামে প্রভাব বিস্তার করে আসছে তারা।

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়োং স্টার, বিগবস, ডিস্কো বয়েজ, বন্ধুমহল, শীল বিষু গ্যাং, পারভেজ গ্রুপ, রুস্তম গ্রুপ, ইয়োং স্টার গ্রুপ, নাইনএমএম গ্রুপ, নাইন স্টার গ্রুপ, রামপুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে উজ্জ্বল গ্রুপের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

কিশোর গ্যাং গ্রুপগুলো মাদক, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ করে আসছে। তাদের কিছু বড় ভাইয়ের ছত্রচ্ছায়ায় এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। এমনকি তারা চুরি-ছিনতাই করে আসছে। এসব কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় গত দুই বছরে ৩৪ জন কিশোর নিহত হয়েছে।


হারুন অর রশীদ আরও বলেন, একসময় মনে করতাম ভাসমান ও নিম্ন আয়ের পরিবারের সন্তানরা কিশোর গ্যাং চক্রে জড়িত হচ্ছে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে উচ্চ মাধ্যবিত্ত, ধনীদের আলালের ঘরে দুলালরাও কিশোর গ্যাং চক্রে জড়িয়ে যাচ্ছে। তাদের পোশাক, চুলের কাটিং চলাফেরা সবই ভীতিকর। এসব ধনীর সন্তানরা প্রথমে মাদকসেবন, পরে মাদক বিক্রিতেও জড়িয়ে যাচ্ছে। এছাড়া তারা এলাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক বড় ভাই আবার কখনো কাউন্সিলরদের নিয়ন্ত্রণে থেকে তারা হত্যার মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে। বর্তমান ও সাবেক কাউন্সিলরদের ছত্রচ্ছায়ার অভিযোগ রয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে দুদিন ৭৫ কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। সবাই কিশোর গ্যাং চক্রে জড়িত থাকার কথা আমাদের কাছে স্বীকার করেছে।

কিশোর গ্যাং সামাজিক অবক্ষয়ের কারণ উল্লেখ করে ডিবিপ্রধান বলেন, এখন যে সামাজিক অবক্ষয় ঘটছে। এসব কিশোর স্কুলে পড়ালেখা বাদ দিয়ে মাদকসেবনের মতো উশৃঙ্খল জীবন-যাপন করছে। গোয়েন্দা পুলিশ কাজ করছে। তবে আমি মনে করি অভিভাকদের উচিত তার সন্তান কোথায় যায়, কার সঙ্গে মিশে তার খোঁজ রাখা। পাশাপাশি মা-বাবার উচিত সন্তানদের সময় দেওয়া। গ্রেফতার করে কিশোর গ্যাং দমন করা যাবে না। সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সন্তানদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে।

কিশোর গ্যাংয়ের আশ্রয় দেওয়া বড় ভাইদের পরিচয় প্রকাশ করা হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, বর্তমানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের গ্রেফতার করেছি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে অনেক বড় ভাইয়ের নাম পেয়েছি। এসব নাম তদন্ত করে দেখবো কারা কারা কিশোর গ্যাং সদস্যদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে। তবে আমি মনে করি এসব কিশোর গ্যাংয়ের নানা অপরাধ করার তথ্যতো কাউন্সিলররা জানেন।

হারুন অর রশীদ বলেন, কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা কিন্তু বড় বা রাজনৈতিক নেতাদের পরিচয় দিয়ে এলাকায় চাঁদাবাজি করে। মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধ করে। কিশোর গ্যাংয়ের এমন দৌরাত্ম্যের কারণে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও পরিবারের সদস্যদের কিশোর গ্যাং দমনে এগিয়ে আসতে হবে। কিশোর গ্যাংবিরোধী ধারাবাহিক অভিযান চলবে। এ বিষয়ে কেউ সুপারিশ নিয়ে এলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিএনপি সমর্থকদের ঘরবাড়িতে হামলা, লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ মে, ২০২৬

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিএনপি সমর্থকদের ঘরবাড়িতে হামলা, লুট

পাবনায় নির্বাচনী পূর্বশত্রুতা ও আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একটি মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে স্থানীয় বিএনপি সমর্থকদের বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। 

শুক্রবার (২২ মে) রাতে জেলার সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমড়া ইউনিয়নের পাথাইল হাট এলাকায় এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। জামায়াত সমর্থকদের চালানো এই হামলায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই পাথাইল হাট এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। গত মার্চ মাসে বিএনপি সমর্থকদের দোকান ভাঙচুরের একটি মামলায় জামিনে মুক্ত হয়ে জামায়াত সমর্থকরা আবারও হুমকি দিলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

সর্বশেষ গত শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে প্যান্ডেল সাজানো নিয়ে দুই পক্ষ দ্বন্দ্বের জড়িয়ে পড়ে। এর জেরে সন্ধ্যায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংগঠিত হয়ে জামায়াত সমর্থকরা বিএনপি কর্মীদের মারধর করে এবং বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা চালিয়ে মালামাল লুট করে নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। 

ভুক্তভোগীদের দাবি, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা হযরত আলীর নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় গ্রামের নারীদের শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেন তারা।

এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই বিএনপি সমর্থিত ভুক্তভোগীরা ২০ জনের নাম উল্লেখ করে সাঁথিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি হযরত মাস্টারসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। 

এদিকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের গ্রেপ্তার ও প্রশাসনিক সহযোগিতার দাবিতে পাথাইল এলাকার আঞ্চলিক মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা।

তবে হামলার ঘটনায় নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন পাথাইল গ্রামের বিএনপির সমর্থকেরা। হামলা ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


বাংলাদেশকে এখন আর কেউ ভিক্ষুকের দেশ মনে করে না : শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

বাংলাদেশকে এখন আর কেউ ভিক্ষুকের দেশ মনে করে না : শেখ হাসিনা

বার্তাবেলা ডেস্ক: বাংলাদেশকে এখন আর কেউ দুর্ভিক্ষের দেশ, ভিক্ষুকের দেশ মনে করে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এখন মনে করে বাংলাদেশ একটা উন্নয়নের রোল মডেল।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক যৌথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, '৭৫ সালের পর থেকে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিকভাবে যে অবস্থায় ছিল, বাংলাদেশ বললে মানুষ মনে করতো একটা দুর্ভিক্ষের দেশ, দুর্যোগের দেশ। এদেশের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। জাতির পিতাকে হত্যার পর অনেক দেশ বলেছে যে, তোমরা তোমাদের নেতাকে হত্যা করেছ? তখন খুনি দেশ হিসেবে আমরা পরিচিত। সে সময় আন্তর্জাতিকভাবে কোথাও গেলে বলত বাংলাদেশ তো হাত-পাততে আসে। এখন অন্তত এটুকু দাবি করতে পারি, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিটা পরিবর্তন হয়েছে। 

আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, বিএনপির আমলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরকে এই অফিসে ঢুকতে দিত না, চারদিকে পুলিশ ব্যারিকেড দেওয়া ছিল। অনেক সময় নেতাকর্মীরা আটকা পড়ত, তখন আমি বাধ্য হয়ে জোর করে ঢুকতাম এবং নেতাকর্মীদের উদ্ধার করতাম। ২০০১ এ নির্বাচনের পর আমাদের অফিসটা হয়ে গিয়েছিল হাসপাতাল। কারণ, বিভিন্ন জেলা থেকে আহত নেতাকর্মীরা এখানে আশ্রয় নিয়েছিল। নেতাকর্মীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা, খাওয়ার ব্যবস্থা আমরা এখানে করেছিলাম।

তিনি বলেন, '৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর আমাদের ইতিহাসকে বিকৃতি করা হয়েছে। স্বাধীনতাকে বিকৃত করা হয়েছে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করা হয়েছে।