শেয়ার বাজার

দেশজুড়ে রেন্ট এ কার সেবায় নতুন আস্থা, বুকিং করতে কল করুন (01857534848)

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

দেশজুড়ে রেন্ট এ কার সেবায় নতুন আস্থা, বুকিং করতে কল করুন (01857534848)

র্তমান সময়ে ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা অফিসিয়াল প্রয়োজনে ভাড়া গাড়ির চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সেই চাহিদা পূরণে দেশব্যাপী সেবা নিয়ে এগিয়ে এসেছে একটি রেন্ট এ কার প্রতিষ্ঠান, যারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় বিভিন্ন ধরনের গাড়ি ভাড়া প্রদান করছে।


প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী হাইয়েস, এক্স-নোহা, প্রাইভেট কার, এম্বুলেন্স, মিনি বাসসহ সকল ধরনের যানবাহন ভাড়ায় দেওয়া হচ্ছে। বিয়ে, অফিস ট্যুর, পারিবারিক ভ্রমণ, এয়ারপোর্ট পিকআপ, চিকিৎসা সেবা কিংবা দূরপাল্লার যাত্রার জন্য রয়েছে বিশেষ সুবিধা।

সেবা গ্রহণের জন্য যোগাযোগ নম্বর দেওয়া হয়েছে—

☎️ 01857534848
☎️ 01748979092
☎️ 01954433550

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বুকিং নম্বর হিসেবে 01857534848 নম্বরে কল করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকার রামপুরা একরামুন্নেছা গলি, কুমিল্লার কান্দিরপাড়, নোয়াখালীর চৌমুহনী, চট্টগ্রামের হালিশহর বড়পুল, সিলেটের আম্বরখানা, বগুড়ার আজিজুল হক কলেজ সংলগ্ন এলাকা এবং ফেনীর মহিপালসহ বিভিন্ন স্থানে রয়েছে তাদের সেবা কেন্দ্র।


এছাড়াও ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, মাগুরা, যশোর, ঝিনাইদহ, বরিশাল, খুলনা, মাদারীপুর, শরিয়তপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামসহ দেশের প্রায় সব জেলাতেই তাদের সেবা চালু রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, নিরাপদ যাত্রা, দক্ষ ড্রাইভার এবং দ্রুত সার্ভিসের মাধ্যমে তারা গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে ঈদ, ছুটি কিংবা পর্যটন মৌসুমে তাদের গাড়ির চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পায়।

আপনি কি ভাড়া গাড়ি খুঁজছেন?


বুকিং করতে কল করুন (01857534848)


বাংলাদেশের (64) জেলায় সকল ধরনের গাড়ি ভাড়া দেওয়া হয় হাইয়েস এক্স-নোহা প্রাইভেট কার এম্বুলেন্স 


মিনি বাস সহ সকল ধরনের গাড়ি


ঢাকাঃ রামপুরা একরামুন্নেছা গলি


কুমিল্লাঃ কান্দিরপাড়


নোয়াখালীঃ চৌমুহনী 




চট্টগ্রামঃ হালিশহর বড়পুল 


সিলেটঃ আম্বরখানা


বগুড়াঃ আজিজুল হক কলেজের অপজিটে


ফেনিঃ মহিপাল


ময়মনসিংহ,নেত্রকোনা,জামালপুর,সিরাজগঞ্জ,রাজশাহী, 


নাটোর,পাবনা,কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, মাগুরা, যশোর,


ঝিনাইদহ, ভাঙ্গা,বরিশাল,খুলনা,মাদারীপুর,শরিয়তপুর


সিলেট ব্রাহ্মণবাড়িয়া নরসিংদী কক্সবাজার রাঙ্গামাটি বান্দরবান খাগড়াছড়ি রংপুর দিনাজপুর লালমনিরহাট কুড়িগ্রাম

সর্বজনীন পেনশন: কত টাকা জমা দিলে কত টাকা পাবেন?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট, ২০২৩

সর্বজনীন পেনশন: কত টাকা জমা দিলে কত টাকা পাবেন?

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চালু হল সর্বজনীন পেনশন স্কিম। সে স্কিমের আওতায় সরকারি চাকুরীজীবী ব্যতীত দেশের সকল নাগরিক পেনশন সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনের পর এটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। অর্থাৎ কারো বয়স ১৮ বছরের বেশি হলেই এখন অনলাইনে এটিতে নিবন্ধন করতে পারবেন।

উদ্বোধনের সময় শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের যারা সরকারি চাকুরিজীবী তারা তো পেনশন পান, কিন্তু যারা চাকরি করেন না তারা তো পান না, কাজেই এটা সরকারি চাকরিজীবিদের জন্য না। তার বাইরে যে জনগোষ্ঠী তাদের জন্য এই ব্যবস্থা। ”

তবে সরকারের নতুন চালু করা এই সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে আছে নানা প্রশ্ন, আলোচনা। কারা, কীভাবে এতে যুক্ত হতে পারবেন, সুবিধা কী, কত টাকা দিতে হবে ইত্যাদি।

অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব গোলাম মোস্তফা বিবিসি বাংলাকে বলেন, পেনশন স্কিম উদ্বোধনের পর থেকে অনেক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

"প্রচুর লোক ওয়েবসাইটে ঢুকছে। উদ্বোধনের পরপরই একসাথে ১১০০/১২০০ লোক আমাদের প্ল্যাটফর্মে আসেন," বলেন মি. মোস্তফা।

কাদের জন্য এই স্কিম?

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ বলছে , দেশের সর্বস্তরের জনগণকে সুবিধা দিতে এই পেনশন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বিশেষ করে, গড় আয়ু বৃদ্ধির কারণে বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ছে। ফলে তাদের সামাজিক নিরাপত্তা দেবে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা।

জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী সকল শ্রেণী পেশার বাংলাদেশি নাগরিক এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে। অর্থাৎ সর্বজনীন পেনশন স্কিমের অংশ হতে হলে জাতীয় পরিচয়পত্র আবশ্যক।

তবে ব্যতিক্রম আছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তারা চাইলে পাসপোর্ট দিয়েও নিবন্ধন করতে পারবেন, কিন্তু সেক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে তার কপি জমা দিতে হবে।

আবার বয়সের ক্ষেত্রেও বিশেষ বিবেচনা রাখা হয়েছে। যাদের বয়স ৫০ পেরিয়ে গেছে তারাও সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশ নিতে পারবেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে তিনি পেনশন পাবেন টানা ১০ বছর চাঁদা দিয়ে যাওয়ার পর।

অর্থাৎ স্কিম অনুযায়ী ব্যক্তির বয়স ৬০ বছর হলেই তিনি সরকার থেকে পেনশন পেতে শুরু করবেন, তাকে আর চাঁদা দিতে হবে না। কিন্তু কেউ যদি ৫৫ বছর বয়সে এসে স্কিমে অংশ নেন তাহলে ৬৫ বয়স বয়স থেকে তিনি পেনশন পেতে শুরু করবেন।

সরকার মোট ৬টি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছে। তবে আপাতত চালু হয়েছে চারটি স্কিম। এগুলোর নাম দেয়া হয়েছে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা।

প্রবাস

এটি শুধু বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য। এর মাসিক চাঁদার হার ধরা হয়েছে ৫ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে। ব্যক্তি চাইলে এই চাঁদার সমপরিমাণ অর্থ তিনি যে দেশে আছেন সে দেশের মুদ্রায় দিতে পারবেন। আবার দেশে এসে দেশীয় মুদ্রাতেও দিতে পারবেন। এছাড়া প্রয়োজনে প্রবাস স্কিম পরিবর্তনেরও সুযোগ থাকছে।

প্রগতি

এই স্কিম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য। এক্ষেত্রেও তিন ভাগে চাঁদার হার ভাগ করা হয়েছে। কেউ চাইলে মাসে ২ হাজার, ৩ হাজার বা ৫ হাজার টাকা করে দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে। আবার প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠানের মালিকও প্রগতি স্কিমে অংশ গ্রহণ করতে পারবে। সেক্ষেত্রে মোট চাঁদার অর্ধেক কর্মচারী এবং বাকি অর্ধেক প্রতিষ্ঠান বহন করবে।

সুরক্ষা

এই স্কিমটা স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য। অর্থাৎ কেউ কোথাও চাকরি করছেন না কিন্তু নিজে উপার্জন করতে পারেন, তারা সুরক্ষা স্কিমে অংশ নিতে পারবেন। এর আওতায় পড়েন ফ্রিল্যান্সার, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি পেশার লোকজন। এই স্কিমে চাঁদার হার চার রকম- মাসে এক হাজার, দুই হাজার, তিন হাজার ও পাঁচ হাজার টাকা করে।

সমতা

এই স্কিমে চাঁদার হার একটিই – এক হাজার টাকা। তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ব্যক্তি দেবে পাঁচশ টাকা আর বাকি পাঁচশো দেবে সরকার। মূলত দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই স্কিম। এক্ষেত্রে দারিদ্রসীমা নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। যেমন বর্তমানে বছরে যাদের আয় এখন বছরে ৬০ হাজার টাকার মধ্যে তারাই কেবল এই স্কিমের অন্তর্ভুক্ত হবেন।


স্কিম কীভাবে খুলবেন?

অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব গোলাম মোস্তফা বলেন, "আমরা একটা ফর্মূলা দিয়ে এই মুনাফার ব্যাপারটা ঠিক করেছি। ওখানে উল্লেখ করেছি এটা বাড়তে বা কমতে পারে। তবে আমাদের ফর্মূলা অনুযায়ী এর চেয়ে কমার সম্ভাবনা নেই।"

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে নিবন্ধনের জন্য এই ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে ব্যক্তি তার জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল দিয়ে কয়েকটি ধাপে এতে নিবন্ধন করবেন। এসময় ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য দরকার হবে। কেউ চাইলে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে নমিনি করতে পারবে।

মাসিক চাঁদা ছাড়াও কেউ চাইলে তিন মাস পরপর বা বছরে একবার পুরো চাঁদা দিয়ে দিতে পারবে। নির্ধারিত তারিখের মধ্যে চাঁদা দিতে ব্যর্থ হলে তার পরের এক মাস পর্যন্ত জরিমানা ছাড়া চাঁদা পরিশোধ করা যাবে। এরপর থেকে প্রতি দিনের জন্য ১% বিলম্ব ফি যুক্ত হবে। কেউ টানা ৩ কিস্তি পরিশোধ না করলে তার অ্যাকাউন্টটি স্থগিত হয়ে যাবে। তবে কেউ যদি নিজেকে অসচ্ছল ঘোষণা করে তাহলে ১২ মাস পর্যন্ত চাঁদা না দিলেও অ্যাকাউন্টটি স্থগিত হবে না।

অনলাইন ও যে কোন মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে চাঁদা পরিশোধ করা যাবে। আপাতত শুধুমাত্র সোনালী ব্যাংকে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের হিসাব খোলা হয়েছে। কেউ চাইলে সরাসরি সোনালী ব্যাংকে গিয়েও নিবন্ধন করতে পারবেন ও চাঁদা দিতে পারবেন।

পেনশনের সুবিধা

অনেকের মনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। সেটি হচ্ছে - পেনশন স্কিমে টাকা দিয়ে শেষ পর্যন্ত সেটি পাওয়া যাবে তো?

এ প্রসঙ্গে মি. মোস্তফা বিবিসি বাংলাকে বলেন, "এটা নিয়ে শঙ্কা থাকার কোন কারণ নেই। কারণ সরকার নিজে এটার গ্যারান্টি দিচ্ছে। আর আমরা যে ইউনিক নাম্বার দেব প্রত্যেক পেনশনারকে, তারা কিন্তু ঐ নাম্বার দিয়ে সবসময় চেক করতে পারবেন তার অ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে।"

পেনশনারগণ আজীবন অর্থাৎ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। তবে কেউ যদি ৭৫ বছর বয়স পূরণ হবার আগেই মারা যান তাহলে তার নমিনি পেনশনারের বয়স ৭৫ হওয়া পর্যন্ত পেনশন সুবিধা পাবেন।

আর যদি পেনশনার ১০ বছর চাঁদা দেবার আগেই মারা যান তাহলে তার জমাকৃত অর্থ মুনাফাসহ তার নমিনিকে ফেরত দেয়া হবে।

কারো যদি পেনশনে জমাকৃত অর্থ কোন এক পর্যায়ে উত্তোলনের দরকার হয় তাহলে সেই সুযোগও থাকছে। তার মোট জমার সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ অর্থ তিনি আবেদনের প্রেক্ষিতে ঋণ হিসেবে নিতে পারবেন।

পেনশনের জন্য প্রতিমাসে জমা দেয়া চাঁদা বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হবে এবং সেই অর্থ কর রেয়াতের জন্য বিবেচিত হবে। আর মাসিক পেনশন বাবদ প্রাপ্ত অর্থ হবে আয়কর মুক্ত।


তরুণ–তরুণীদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী চাকরি মেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

তরুণ–তরুণীদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী চাকরি মেলা

রাজশাহীতে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ তরুণ–তরুণীদের কর্মসংস্থানের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী একটি চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে নগরের একটি কনভেনশন সেন্টারে দিনব্যাপী এই মেলায় অংশ নিয়েছে ২৭টি প্রতিষ্ঠান।

পল্লী কর্ম–সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (আইডিএফ) এ মেলার আয়োজন করে।


পেঁয়াজের দামে ঊর্ধ্বগতি
আবারও শতক হাঁকালো খুচরা বাজারে!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪

আবারও শতক হাঁকালো খুচরা বাজারে!

ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর গত নভেম্বর-ডিসেম্বরে দেশের বাজারে হু হু করে বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। নতুন বছরে জানুয়ারির শুরুতে মুড়ি কাটা পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দামও কেজিপ্রতি নেমে আসে ৮০ টাকায়। তবে আবারও নতুন করে বাজারে পেঁয়াজের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। খুচরা বাজারে দাম বাড়তে বাড়তে আবারও শতক হাঁকিয়েছে পেঁয়াজের কেজি।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দামবৃদ্ধির এ চিত্র দেখা গেছে। এসব বাজারের বেশিরভাগ দোকানেই নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। পুরনো পেঁয়াজের কেজি ৯০ টাকা।

দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে রামপুরা বাজারে বিক্রেতা এনামূল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, মুড়ি কাটা শেষ, নতুন হালি পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়তে কিছুদিন সময় লাগবে।

তিনি বলেন, মোকামে দাম বেড়েছে। পাবনায় প্রতি মণ পেঁয়াজ ৩২০০ থেকে ৩৪০০ টাকা কেনা পড়ছে। যা আগের থেকে ৪০০ টাকা বেশি। মূলত গতকাল থেকেই এমন দাম বেড়েছে।

এদিকে, পাবনায় স্থানীয় বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেখানকার মোকামগুলোতে পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। কয়েকদিন আগে সেখানে বিভিন্ন হাটে পাইকারিতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হতো ৬০-৭০ টাকায়। সাঁথিয়া উপজেলার করমজা চতুর হাটসহ বিভিন্ন হাটে একই পেঁয়াজ এখন ৭৫-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আগাম পেঁয়াজের উৎপাদন শেষ হয়ে আসার কারণে গত তিনদিনে পাবনার বিভিন্ন উৎপাদন সংশ্লিষ্ট এলাকায় পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

কৃষক ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে এখন আগাম বা মুড়ি কাটা জাতের পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। মাস দেড়েক আগে এই পেঁয়াজ হাটে উঠেছে। সুজানগর ও সাঁথিয়া উপজেলার কৃষকেরা যে মুড়ি কাটা জাতের পেঁয়াজের আবাদ করেছিলেন, তার বেশিরভাগই এরই মধ্যে তোলা হয়ে গেছে। ফলে বাজারে এই জাতের পেঁয়াজের সরবরাহ কমতে শুরু করেছে। এ কারণে মুড়ি কাটা পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।

কৃষকেরা জানিয়েছেন, মাসখানেকের মধ্যেই প্রধান জাত হালি কাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করবে। তখন দাম আবার কমে আসবে।