?> বাজেটে ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখবো: প্রধানমন্ত্রী | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

বাজেটে ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখবো: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

বাজেটে ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখবো: প্রধানমন্ত্রী

বাজেটে ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখবো: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সামনের বাজেটে আমরা ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখবো। চলমান বাজেটে অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া বাজেট সেজন্য এখানে কোনো টাকা বরাদ্দ ছিল না।
শনিবার (১৬ মে) চাঁদপুরে খোর্দ্দ খাল পুনঃখননের উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য একটাই, আমরা স্বপ্ন দেখতে চাই না, পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই; যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের উপকার হবে। এমনকি দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারা বাংলাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবো। এর ফলে খালের দুই পাশে যারা থাকে, তারাও পানির সুবিধা পাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকরা স্বাবলম্বী হলে এই দেশের অর্থনীতি ধীরে ধীরে মজবুত হবে। আর দেশের অর্থনীতি মজবুত হলে এই দেশের মানুষের অর্থনীতি মজবুত হবে।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিউমার্কেটে জমে উঠেছে কেনাকাটা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিউমার্কেটে জমে উঠেছে কেনাকাটা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ছুটির দিনে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় জমে উঠেছে কেনাকাটা। সকাল থেকেই নিউমার্কেট ও আশপাশের বিপণিবিতানগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।

পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করতে নতুন পোশাক কেনার পাশাপাশি পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের জন্য কেনাকাটা করছেন অনেকে। ছুটির দিনে ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রেতারাও।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে নিউমার্কেট এলাকা ঘুরে কেনাকাটার এমন চিত্র দেখা গেছে।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পূজার সময় নিউমার্কেট এলাকায় বাড়তি ভিড় ও যানজটের কারণে কেনাকাটায় ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ কারণে শেষ মুহূর্তের চাপ এড়াতে অনেকেই আগেভাগে কেনাকাটা সেরে নিচ্ছেন। বিশেষ করে ছুটির দিনকে কাজে লাগিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে পছন্দের পোশাক কিনতে এসেছেন অনেকে। তবে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি থাকায় দোকান ও ফুটপাতের বিভিন্ন পণ্যের দোকানে কেনাকাটার ব্যস্ততা দেখা গেছে।

নিউমার্কেট এলাকায় তুলনামূলকভাবে ফুটপাতের দোকানগুলোতে বেশি বিক্রি হতে দেখা গেছে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের পোশাক ও কাপড়ের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। শার্ট, প্যান্ট, টি-শার্ট, থ্রি-পিস, শিশুদের পোশাকসহ নানা ধরনের কাপড় পাওয়া যাচ্ছে এসব দোকানে।

বিভিন্ন দামের পোশাক থাকায় ক্রেতারা নিজেদের পছন্দ ও সামর্থ্য অনুযায়ী কেনাকাটা করছেন।

ফুটপাতের দোকানগুলোতে পোশাকের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে। কেউ নিজের জন্য পোশাক কিনছেন, আবার কেউ পরিবারের সদস্যদের জন্য একসঙ্গে কয়েকটি পোশাক বেছে নিচ্ছেন। দোকানগুলোতে ক্রেতাদের আনাগোনা বাড়ায় বিক্রেতাদেরও ব্যস্ততা বেড়েছে। দরদাম করে পছন্দের পোশাক কিনতে দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের।

ছুটির দিনে ক্রেতাদের এমন উপস্থিতিতে খুশি বিক্রেতারা। পূজাকে কেন্দ্র করে বিক্রি বাড়ার প্রত্যাশা করছেন তারা। সারা দিনের বিক্রির ওপর নির্ভর করছে তাদের আয়। তাই ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের পোশাক সাজিয়ে রেখে বিক্রির অপেক্ষায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

নিউমার্কেট কেনাকাটা করতে আসা দীপ্তি বিশ্বাস বলেন, কিছুদিন পরে পূজা। শেষ মুহুর্তে ভিড় জমবে তাই আগেই কেনাকাটা করতে আসলাম। এখন স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারছি।

আরেক ক্রেতা অলোক মন্ডল বলেন, বৌ-বাচ্চা নিয়ে কেনাকাটা করতে আসছি। মার্কেট থেকে কিছু কেনাকাটা করলাম। ফুটপাত থেকেও কিনলাম। কাপড় প্রায় একই। ফুটপাতে একটু কম দামে কিনতে পারা যায়।

নিউমার্কেটের গ্লোব শপিং মার্কেটের বিক্রেতা আমানুর বলেন, বিক্রি হচ্ছে ভালোই। এমনিতেই ছুটির দিনে একটু ভিড় থাকে, তারপর সামনে পূজাকে কেন্দ্র করে ক্রেতা সমাগম বেশী। আমরা ভালো বিক্রি নিয়ে আশাবাদী।

ফুটপাতের বিক্রেতা রবিন বলেন,আমরা অল্প লাভে মাল বিক্রি করি। আমাদের সেল বেশি, লাভ কম। বেশি বিক্রি হওয়ায় পুষিয়ে যায়। ভালো বেঁচাবিক্রি হচ্ছে। সকাল থেকেই ভিড়। রাত পর্যন্ত ভিড় থাকবে।

সব মিলিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে নিউমার্কেট এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজার আনন্দকে সামনে রেখে কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতা ও বিক্রেতারা। তবে ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে ক্রেতাদের বাড়তি সময় হাতে নিয়ে বের হতে হচ্ছে।

নিউমার্কেট এলাকায় ক্রেতা সমাগম বাড়ায় প্রধান সড়কে যানযট তৈরি হয়েছে। ছুটির দিকে সড়ক অনেকটা ফাঁকা থাকলেও আজ ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিউমার্কেট এলাকায় পুলিশের টহন গাড়িও দেখা গেছে।


আমদানি কমেছে ২৫%, ২ হাজার টাকা ছাড়াল ১২ কেজির সিলিন্ডার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আমদানি কমেছে ২৫%, ২ হাজার টাকা ছাড়াল ১২ কেজির সিলিন্ডার

এক ধাক্কায় আমদানি প্রায় ২৫ শতাংশ কমে যাওয়ায় দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। সরবরাহ ঘাটতির সুযোগে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দরের চেয়ে সিলিন্ডারপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারে রান্নায় বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম দুই হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

বিইআরসি ও এলপিজি আমদানিকারক সূত্র জানায়, গত আগস্ট মাসে দেশে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছিল। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে তা নেমে এসেছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টনে। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে আমদানি কমেছে প্রায় ৪০ হাজার টন।

অথচ চলতি মাসের ২ সেপ্টেম্বর বিইআরসি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল। বাস্তবে বাজারে সিলিন্ডার পেতে ভোক্তাদের গুনতে হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার কারণে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির মতো প্রধান নৌপথে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এতে বিশ্বজুড়ে তীব্র জাহাজসংকট দেখা দিয়েছে এবং পরিবহন ভাড়াও বহুগুণ বেড়েছে। বাংলাদেশের এলপিজি আমদানির প্রধান উৎস মধ্যপ্রাচ্য। মূল নৌপথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় বিকল্প পথে পণ্য আনতে সময় ও ব্যয় দুটোই অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে।

মেঘনা ফ্রেশ এলপিজি লিমিটেডের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) আবু সাঈদ রেজা বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা কার্গো না পাওয়া। আগে একটি পথ বন্ধ থাকলে অন্যটি খোলা থাকত।
 
তিনি আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও অনেক বৈশ্বিক সরবরাহকারী ২০ শতাংশ সরবরাহ কাটছাঁট করেছে। আর বাড়তি প্রিমিয়াম দিয়েও খোলাবাজার থেকে কার্গো পাওয়া যাচ্ছে না।

আমদানিকারকদের দাবি, বিশ্ববাজারে বাড়তি প্রিমিয়াম ও পরিবহন খরচের চাপ বিইআরসির মাসিক মূল্যসূত্রে পুরোপুরি সমন্বয় করা হচ্ছে না। এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সদস্যরা জানান, বিশ্ববাজারে কার্গো প্রিমিয়াম টনপ্রতি বিইআরসির নির্ধারিত ১৬০ ডলার থেকে বেড়ে ২৬০ থেকে ৪০০ ডলারে ঠেকেছে। নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে বাড়তি খরচ তোলা অসম্ভব হওয়ায় অনেকে লোকসান এড়াতে আমদানি সীমিত রেখেছেন।

ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তানজীম চৌধুরী বলেন, সেপ্টেম্বরে আমরা প্রায় ৩০ হাজার টন এলপিজি আমদানি করেছি। বৈশ্বিক সংকটে উৎপাদকদের দিক থেকে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

দেশে বছরে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টন এলপিজির চাহিদা রয়েছে, যার ৮০ শতাংশই গৃহস্থালির রান্নায় ব্যবহৃত হয়। এ চাহিদার প্রায় ৯৯ শতাংশই জোগান দেয় বেসরকারি খাত।

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কিছু প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত জাহাজ যথাসময়ে না পৌঁছায় সেপ্টেম্বর মাসে বাজারে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সংকট কাটাতে দ্রুত আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিক নৌপথের জটিলতা না কাটলে এবং প্রয়োজনীয় কার্গো নিশ্চিত করা না গেলে অক্টোবর মাসেও এই সংকট বজায় থাকার ঝুঁকি রয়েছে।


পুঁজিবাজার
অস্থিরতার পেছনে প্লেয়ার ও রেগুলেটরদের দুষলেন: অর্থ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

অস্থিরতার পেছনে প্লেয়ার ও রেগুলেটরদের দুষলেন: অর্থ উপদেষ্টা

পুঁজিবাজারে অস্থিরতার পেছনে প্লেয়ার ও রেগুলেটরদের অনেক দোষ আছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ব্যাংকিং অ্যালমানাকের ষষ্ঠ সংস্করণের প্রকাশনা উৎসবে তিনি বলেন, আপনারা জেড ক্যাটাগরির শেয়ার কিনছেন, যার কোনো অস্তিত্ব নেই। আবার শেয়ার প্রাইস কমে গেলেই আন্দোলন করেন, আমি এর পক্ষে নই।

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিবিএসকে বলা হয়েছে তথ্য যা আছে তাই প্রকাশ যেন হয়। এখানে কারচুপির কোনো ব্যাপার নেই। আমাদের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের মতো পুঁজিবাজারের অবস্থাও একই রকমের। আপনারা জেড ক্যাটাগরির শেয়ার কিনছেন, যার কোনো অস্তিত্ব নেই। অথচ এ শেয়ার মহা আনন্দে কিনছেন। নূন্যতম কোনো মূল্য নেই, এগুলো কয়েক দিন পরই ওয়েস্ট পেপার হিসেবে ব্যবহার হবে। এজন্য একটু কষ্ট করতে হবে। আমি বিনিয়োগকারীদের দায়ী করছি না। পুঁজিবাজারের প্লেয়ার ও রেগুলেটরদের অনেক দোষ আছে। আমি মনে করি এটা প্রচার করা দরকার।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমরা কোনো পাওয়ার দেখাতে আসিনি, একটা দায়িত্ব নিয়ে এসেছি। বিগত ১৫ বছরের তথ্য নিয়ে নানা বিভ্রাট রয়েছে। তথ্য লুকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা এগুলো পরিবর্তন ও সংস্কারের চেষ্টা করছি। কারণ দাতা সংস্থাগুলো আমাদের কাছে নানা প্রশ্ন করেন, তারা বোঝাতে চান আগেই কম ছিল ইত্যাদি। এ নিয়ে আমরা তাদের বোঝাচ্ছি আগের তথ্য লুকানো ছিল, আমরা সঠিকটা উপস্থাপন করছি।’

তিনি আরও বলেন, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো করার চেষ্টা করছি। যাতে করে ব্যবসায়ীরা এক স্থান থেকে সব তথ্য পায়। তথ্যের জন্য ব্যবসায়ীদের ১০ জায়গায় দৌড়াতে হবে না। আরও সুসংহতভাবে তথ্য যদি ম্যানেজমেন্ট করতে না পারি তাহলে সামনে আরও সমস্যা তৈরি হবে। আমাদের এই মিথ্যা তথ্যের প্রয়োজন নেই, কারণ প্রিয় মিথ্যা যন্ত্রণাদায়ক।

ব্যাংকিং অ্যালমানাকের চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সিকদার, এবিবির সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আমিন গ্রন্থটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সৈয়দ জিয়া উদ্দিন আহমেদ, আব্দার রহমান প্রমুখ।

অর্থ সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, আমরা সেক্টরগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। আর্থিকখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে উন্নয়ন সহযোগিদের সহযোগিতা চাই। যাতে বিশৃঙ্খলা না হয়। আমরা এরইমধ্যে বিভিন্ন বোর্ডে পরিবর্তন এনেছি।