?> দেশের বাইরে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছি: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

দেশের বাইরে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছি: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ১০ আগস্ট ২০২৫

দেশের বাইরে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছি: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব

দেশে নিষিদ্ধ থাকলেও বিদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

রোববার (১০ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন মালয়েশিয়া সফর নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ১১ থেকে ১৩ আগস্ট মালয়েশিয়া সফর করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে কলকাতায় আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসের কার্যক্রম নিয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে শফিকুল আলম বলেন, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ। তারা দেশের বাইরে কী করছে, আমরা তা মনিটর করছি।

তিনি বলেন, বাইরে থেকে যদি তারা (আওয়ামী লীগ) এমন কোনো কার্যকলাপ করে যা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে, সেক্ষেত্রেও আমরা নজর রাখছি। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে জানানো হবে।

এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শাহ আসিফ রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

গণমাধ্যমের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শুরুতে বাসাবাড়িতে সীমিত আকারে দলীয় কার্যক্রম চালাতেন। তবে সম্প্রতি কলকাতা লাগোয়া একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে তারা নতুন ‘পার্টি অফিস’ খুলেছেন, যেখানে যাতায়াত করছেন দলের সাবেক শীর্ষ ও মধ্যম স্তরের কয়েকজন নেতা।

কারওয়ান বাজার
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে হামলা, সেনা মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে হামলা, সেনা মোতায়েন

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে হামলা চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। পরে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কারওয়ান বাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে কারওয়ান বাজার কিচেন মার্কেটের সামনে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (অপারেশন্স) আব্দুল হান্নান।

এ ঘটনার পর থেকে কারওয়ান বাজার এলাকাজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সেখানে রয়েছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা আব্দুর রহমান কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে ৫ আগস্টের পর থেকে চাঁদা আদায় করছেন। এর প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা মানববন্ধনের আয়োজন করলে তাতে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় আব্দুর রহমানের লোকজন। পরে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা সবাই নেমে এসে হামলাকারীদের ধাওয়া দেয়।

ব্যবসায়ীদের দাবি, পুলিশের সামনে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এই আব্দুর রহমানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা না হলে ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে রাস্তায় নেমে আসবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিলও করেন।

আব্দুল হান্নান বলেন, আব্দুর রহমান নামের একজনের বিরুদ্ধে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করছিলেন। আগেও তারা এমন মানববন্ধন করেছেন। আজকের মানববন্ধনের সময় আশপাশে পুলিশও ছিল। হঠাৎ অতর্কিতভাবে কয়েকজন এসে তাদের ব্যানার কেড়ে নিতে চেষ্টা করেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ঘটে। পরবর্তীতে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


‘ভাত খাচ্ছিলাম, গুলির শব্দ শুনে বের হয়ে দেখি আমার স্বামীর লাশ পড়ে আছে’

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

‘ভাত খাচ্ছিলাম, গুলির শব্দ শুনে বের হয়ে দেখি আমার স্বামীর লাশ পড়ে আছে’

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় দোকানে বসে থাকা লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির নামে এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সোয়া আটটার দিকে দুর্গাপুর পৌরসভার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের তেলনজিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির বেসরকারি আইপিটিভি (ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন) চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামের একটি ফেসবুক পেজ চালাতেন। সেখানে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধের বিষয়ে লেখালেখি করতেন। তার গ্রামের বাড়ি কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের সুনই গ্রামে।

এর আগে, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর দুপুরে উপজেলার সোমেশ্বরী নদীর তেরিবাজার ঘাট এলাকায় দুর্বৃত্তরা লুৎফুজ্জামানকে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা তার এক সহকর্মী বাধা দিতে গেলে তাকেও অস্ত্র দেখিয়ে ধাওয়া করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে লুৎফুজ্জামান তেলনজিয়া বাজারে একটি দোকানে চা খেয়ে বের হচ্ছিলেন। এ সময় দুই যুবক এসে তার ওপর পরপর কয়েকটি গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে ওই যুবকেরা দৌড়ে কিছুটা দূরে রাখা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান। পরে লুৎফুজ্জামানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তেলনজিয়া বাজারের প্রত্যক্ষদর্শী চা–দোকানি রবিন রাংছা বলেন, লুৎফুজ্জামান চা খেয়ে দোকান থেকে বের হয়ে বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি তখন দোকানে চায়ের কাপ পরিষ্কার করছিলেন। এ সময় দুই যুবক এসে প্রথমে সিগারেট চায়। এরপর হঠাৎ লুৎফুজ্জামানকে কয়েকটি গুলি করে। আশপাশের মানুষ ছুটে এলে ওই দুজন মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়।

জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে তেলনজিয়া গ্রামের মেয়ে অনিন্দিতা সংমাকে বিয়ে করেন লুৎফুজ্জামান। এই দম্পতির চার বছর বয়সি এক মেয়ে ও দেড় বছরের এক ছেলে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহত সাংবাদিকের স্ত্রী অনিন্দিতা সংমা বলেন, আমরা বাসায় ভাত খাচ্ছিলাম। আওয়াজ শুনে ভাবি বাচ্চারা পটকা ফুটাচ্ছে। তারপর এক ভাই এসে বললো তোমার স্বামীর পায়ে গুলি লেগেছে। বাইরে গিয়ে দেখি সে মাটিতে পড়ে আছে। আমার স্বামীর ওপর আগেও হামলা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের বিচার চাই।

দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমদ খান জানান, ওই সাংবাদিকের মাথা, গলা, বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, প্রাথমিকভাবে এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।



উখিয়ার উপকূলে এক দিনে তিন অজ্ঞাত মরদেহ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

উখিয়ার উপকূলে এক দিনে তিন অজ্ঞাত মরদেহ
কক্সবাজারের উখিয়ায় একই দিনে সাগরপাড়ের পৃথক দুই এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে তিনটি অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। তবে মরদেহগুলোর পরিচয় কিংবা কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৩টার মধ্যে উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের মাদারবুনিয়া ও মনখালী এলাকার সাগরপাড় থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মাদারবুনিয়া নৌকার ঘাট থেকে প্রায় ৪০০ গজ দক্ষিণে সাগরপাড়ে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

এর কয়েক ঘণ্টা পর বিকেল পৌনে ৩টার দিকে একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মনখালী এলাকার সাগরপাড়ে আরও দুটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। পরে সেখান থেকেও মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। তিনটি মরদেহেরই সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে পুলিশ।

এদিকে এক দিনে একই উপকূলের পৃথক স্থান থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সামনে এসেছে সাম্প্রতিক ট্রলারডুবির বিষয়টিও। গত সোমবার টেকনাফের সাগরে রোহিঙ্গাদের বহনকারী একটি ট্রলার ডুবে যায়। এ ঘটনায় কোস্টগার্ড ১৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করলেও কয়েকজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো ওই ট্রলারডুবির নিখোঁজ ব্যক্তিদের কারও কি না, সেটিও যাচাই করছে পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত তিনজনের কারও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান বলেন, সাগরপাড় থেকে উদ্ধার হওয়া তিনটি মরদেহের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। টেকনাফে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের কেউ এসব মরদেহের মধ্যে আছেন কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।