?> দেশে এখন ডেঙ্গু রোগী ৪ জন, শূন্যে নামানোর প্রস্তুতি সরকারের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে এখন ডেঙ্গু রোগী ৪ জন, শূন্যে নামানোর প্রস্তুতি সরকারের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

দেশে এখন ডেঙ্গু রোগী ৪ জন, শূন্যে নামানোর প্রস্তুতি সরকারের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশে এখন ডেঙ্গু রোগী রয়েছে ৪ জন। এই সংখ্যা  শূন্যে নিয়ে আসার জন্য সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে। শনিবার (২ জুন) সকাল ১০টায় রাজধানীতে ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।  

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ বিভাগীয় শহরে র‍্যালিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। আগামী তিন মাস এ সচেতনতা কর্মসূচি চলবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী সপ্তাহ থেকে ডাক্তারদের ডেঙ্গু বিষয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হবে। মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করতে সিটি করপোরেশন মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাবে।  

তিনি জানান, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বেসরকারি হাসপাতাল ১০ শতাংশ বেড ফ্রি রাখবে। পরীক্ষা খরচ ৮০ শতাংশ ফ্রি থাকবে। 

মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু ভ্যাকসিন সারা বিশ্বে সর্বজনীন হয়নি। এই মুহূর্তে ডেঙ্গু ভ্যাকসিন দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, ডেঙ্গু পরিস্থিতি এ বছর কোন পর্যায়ে যাবে সেটা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।

সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে একজন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল ও দুজন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।

এ নিয়ে সিলেট বিভাগে হাম ও হাম উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ জনে। সবশেষ মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে দুজনের বয়স ১ বছরের কম ও আরেকজনের বয়স ১ বছর ২ মাস। 

বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ২৭০ জন রোগী। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৮৩ জন ও এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩৪ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জন রোগী ল্যাব টেস্টে শনাক্ত হওয়ার পাশাপাশি একই সময়ে এ রোগের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৮ জন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ল্যাব পরীক্ষায় ১৬৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় জানিয়েছে, চলতি বছরে মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে চারজনের শরীরে ল্যাব পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকি শিশুরা হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। তাদের অধিকাংশই হৃদরোগ, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও জন্ডিসসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিল। যার কারণ হিসেবে শিশুদের পুষ্টিহীনতার অভাবকে দায়ী করছেন চিকিৎসকরা।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ওসমানী মেডিকেলে ২০টি এবং শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে ১৪টি আইসিইউ বেড স্থাপন করা হয়েছে। রোগীর চাপ বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী বেড সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।


৯ কেন্দ্রে করোনার টিকা কার্যক্রম
ফের শুরু হয়েছে ঢাকার ৯ কেন্দ্রে করোনার টিকা কার্যক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪

ফের শুরু হয়েছে ঢাকার ৯ কেন্দ্রে করোনার টিকা কার্যক্রম

335.684x188.809 (Original: 1280x720)


335.684x188.809 (Original: 1280x720)

বার্তাবেলা ডেস্ক: দেশে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। তাই দ্রুত টিকা দিতে নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় গত ২১ জানুয়ারি থেকে ঢাকার ৯টি কেন্দ্রে শুরু হয়েছে টিকা কার্যক্রম। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) টিকা দেওয়ার নির্দেশনা দেয় অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স বিভাগের সদস্য সচিব ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, আমরা প্রয়োজনীয় টিকা কেন্দ্রে পাঠিয়ে দিয়েছি। টিকা কার্যক্রম চলছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মী, ৬০ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠী, দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ১৮ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠী, স্বল্প রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছর এবং তদূর্ধ্ব) জনগোষ্ঠী ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের প্রাধান্য দিয়ে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সবাইকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কেন্দ্রগুলো হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিডফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ফুলবাড়িয়া সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউট সহ ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার কিছু জায়গায় টিকা দেওয়া হচ্ছে।


তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকা শহরের ৯টি কেন্দ্রে বুস্টার ডোজ অর্থাৎ ৩য় এবং চতুর্থ ডোজ ফাইজার ভিসিভি ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে।

এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়, দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে ফাইজার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রমের ১ম, ২য় এবং বুস্টার ডোজ (৩য়, ৪র্থ ডোজ) বিতরণ এবং প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। শিগগির কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে হবে।


আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ভয়ংকর সীসা দূষণ, হৃদরোগে মারা যাচ্ছে লাখো মানুষ


পরে ধাপে ধাপে ঢাকার বিভিন্ন বিশেষায়িত ইন্সটিটিউট ও সরকারি হাসপাতাল, ঢাকার বাইরের সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জেলা পর্যায়ের হাসপাতালসমূহে ভ্যাকসিন বিতরণের মাধ্যমে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ১ম এবং ২য় ডোজের ক্ষেত্রে ফাইজার আরটিইউ ভ্যাকসিন ব্যবহার করতে হবে। প্রাথমিকভাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল, মহাখালী এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নয়াবাজার ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতালে এই টিকা প্রদান করা হবে।






নির্দেশনায় বলা হয়, ১ম এবং ২য় ডোজ টিকা প্রাপ্তির প্রমাণস্বরূপ ভ্যাকসিনের নাম এবং তারিখ উল্লেখপূর্বক কোভিড-১৯ টিকাদান কার্ড সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে প্রদান করা হবে। ৩য় এবং ৪র্থ ডোজ টিকার ক্ষেত্রে সুরক্ষা ওয়েবসাইট অথবা অ্যাপ থেকে টিকাকার্ড ডাউনলোড করে সঙ্গে আনতে হবে; এমআইএস, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পূর্ব নির্ধারিত উপায়ে কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিনেশনের রিপোর্ট প্রদান করতে হবে।


দেশে হামের ভয়াবহ রূপ, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

দেশে হামের ভয়াবহ রূপ, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ মৃত্যু

দেশে হাম ও এর আনুষঙ্গিক উপসর্গের প্রকোপ আশঙ্কাজনক রূপ ধারণ করেছে। মহামারি আকার ধারণ করা এই রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে আরও ১ হাজার ২২৪ জনের দেহে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৫৪৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৮৭ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৫৮ শিশু।

একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৮ হাজার ৭১৯ শিশু। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৬৪ হাজার ৯৪০ শিশু। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগের হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৩১ শিশুর ও আক্রান্ত ৩৬ হাজার ৭০৬ শিশু।

এই হিসাব গত ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ২৫ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।

চিকিৎসকদের মতে, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। সঠিক সময়ে টিকা না নেওয়া এবং সচেতনতার অভাবে এই রোগের সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে। হঠাৎ তীব্র জ্বর, শরীরে লালচে র‍্যাশ বা দানা দানা ওঠা, কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ইতোমধ্যে টিকাদান জোরদার এবং আক্রান্ত এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সাথে শিশুদের সুরক্ষায় অভিভাবকদের আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।