?> চুয়াডাঙ্গায় ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ১ | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

চুয়াডাঙ্গায় ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ১

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ১

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সিপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ভারতে পাচারের সময় ১ কোটি ৩৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের ছয়টি স্বর্ণের বারসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে মুন্সিপুর বিওপির একটি বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে। আটক ব্যক্তির নাম দবির উদ্দিন (৫৫)। তিনি দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সিপুর গ্রামের মো. দলিলের ছেলে এবং পেশায় একজন কৃষক।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)-এর অধীন মুন্সিপুর বিওপির টহল দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ৯৩ থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মুন্সিপুর কবরস্থান এলাকা দিয়ে ভারতে স্বর্ণের একটি চালান পাচারের চেষ্টা চলছে। এমন খবরের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা সেখানে ওত পেতে থাকেন। পরে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টাকালে দবির উদ্দিনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ছয়টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি আরও জানায়, উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বারগুলোর মোট ওজন ৭০০ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৩৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। জব্দ করা স্বর্ণের বারগুলো আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চুয়াডাঙ্গা সরকারি ট্রেজারিতে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনায় আটক আসামির বিরুদ্ধে দামুড়হুদা থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, সীমান্ত এলাকা দিয়ে সব ধরনের অবৈধ পণ্য ও স্বর্ণের চোরাচালান সম্পূর্ণ বন্ধ করতে বিজিবি সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষায় এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি ভবিষ্যতেও জোরদার থাকবে।


ফরিদপুর চিনিকল আখচাষী কল্যাণ সংস্থার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ফরিদপুর চিনিকল আখচাষী কল্যাণ সংস্থার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

ফরিদপুরের মধুখালীতে অবস্থিত ফরিদপুর চিনিকল আখচাষী কল্যাণ সংস্থার নির্বাচন-২০২৬-এর তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চিনিকলের প্রশিক্ষণ ভবনে নির্বাহী পরিষদের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ফরিদপুর চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ও নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত ২২ সেপ্টেম্বরের সংশোধিত তফসিল থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার রেজাউল করিম ছাড়াও সদস্য হিসেবে রয়েছেন মধুখালী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কল্লোল সাহা এবং চিনিকলের কৃষি বিভাগের উপসহকারী ইক্ষু উন্নয়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৩ সেপ্টেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা পর্যন্ত খসড়া ভোটার তালিকার বিষয়ে আপত্তি গ্রহণ করা হবে। ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হবে। ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার মধ্যে মনোনয়নপত্র গ্রহণ এবং একই দিন দুপুর ১টায় বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

বৈধ প্রার্থীদের তালিকার বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি থাকলে ৩০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিতভাবে জানাতে হবে। একই দিন শুনানি শেষে দুপুর ১২টার মধ্যে চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে চাইলে ১ অক্টোবর সকাল ১০টার মধ্যে নিজে নির্বাচন কমিশনের সামনে উপস্থিত হয়ে লিখিত আবেদন করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হবে না। ওই দিন বেলা ১২টায় প্রতীক বরাদ্দ এবং বিকেল ৩টায় প্রতীকসহ চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

তফসিল অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর রাত ১২টার পর থেকে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার বন্ধ থাকবে।

নির্বাচনে সভাপতি, সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহসাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ক্রীড়া সম্পাদক এবং ১১ জন নির্বাহী সদস্যসহ মোট ২০টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৬০ জন।

ফরিদপুর চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার রেজাউল করিম জানান, ফরিদপুর চিনিকল আখচাষী কল্যাণ সংস্থার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হবে। কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চিনিকলের প্রশিক্ষণ ভবনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ফরিদপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ তারেক ফরহাদ জানান, আখচাষী কল্যাণ সংস্থার সাধারণ পরিষদের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।


কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যা, জীবন বাঁচাতে ধানক্ষেতে দৌড়েছিল তাজমিন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যা, জীবন বাঁচাতে ধানক্ষেতে দৌড়েছিল তাজমিন

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জগতপুর এলাকার ফসলি মাঠ থেকে জান্নাতুল তাজমিন (১৪) নামের এক স্কুলছাত্রীর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল ও আশপাশের অন্তত চার থেকে পাঁচটি ধানক্ষেতে ধস্তাধস্তি ও ব্যাপক দৌড়াদৌড়ির আলামত মিলেছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে মৃত্যুর আগে জীবন বাঁচাতে হত্যাকারীদের হাত থেকে বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল ওই কিশোরী।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার জগতপুর গ্রামের নির্জন পাকা সড়কের পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত তাজমিন কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রেনেটার কুমিল্লা অঞ্চলের কর্মী আব্দুল আলিমের মেয়ে। তাদের গ্রামের বাড়ি যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামে হলেও পরিবারের সঙ্গে সে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকত।

সরেজমিনে ও স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, সকালে নির্জন সড়কের পাশের ধানক্ষেতে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা উল্টে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। অটোরিকশার ২০-৩০ গজ দূরে একটি ভ্যানিটি ব্যাগ এবং আশপাশের চার-পাঁচটি ধানক্ষেতের ধানগাছ দুমড়েমুচড়ে এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান তারা। সেই পদচিহ্ন ধরে কিছুটা এগোতেই কাদায় মুখ গোঁজা অবস্থায় কিশোরীর বিবস্ত্র মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। নিহতের গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ এসে মরদেহ ও অটোরিকশাটি উদ্ধার করে।

কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ্ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কিশোরীটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে দৃশ্যমান বড় কোনো জখমের চিহ্ন ছিল না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও অন্য কোনো নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাস্থল থেকে জব্দকৃত নিবন্ধিত অটোরিকশাটির সূত্র ধরে অপরাধীদের শনাক্তে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার রাতেই তাজমিনের মরদেহ নিয়ে যশোরের উদ্দেশে রওনা হন স্বজনরা। পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল আলিম বাদী হয়ে লালমাই থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।


এ বছর নয়, আগামী বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন : প্রতিমন্ত্রী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এ বছর নয়, আগামী বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন : প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছর হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন না স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার কথা বলেছে। নির্বাচন কমিশন আগামী বছর থেকেই নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে তার মনে হচ্ছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সরকার সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। দাম বাড়ার কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে কি না- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে জ্বালানি মন্ত্রী তার বক্তব্য দিয়েছেন। আপনার প্রশ্নের উত্তর আমি ছোট করে বলতে চাই, নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়নি। আর নির্বাচনের দিনক্ষণ যেহেতু নির্বাচন কমিশন ঠিক করেনি। তারা প্রথমে একটা তারিখ নির্ধারণ করে পরবর্তীতে বলেছে যে ৬ জুনের মধ্যে তারা নির্বাচনগুলো শেষ করতে চায়। নির্বাচন যেহেতু আরও দেরি আছে, আমরা নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী মনে করছি, নির্বাচন হতে এখনো দেরি আছে। তাই এ মুহূর্তে মানুষের প্রতিক্রিয়া কী—তা বলা কঠিন; নির্বাচনের সময় হলেই কেবল তা বোঝা যাবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে নাগাদ হতে পারে?—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারকে না জানিয়েই নির্বাচন কমিশন আগে তারিখ ঘোষণা করেছিল। তবে বিষয়টি তুলে ধরার পর কমিশন সচিব পর্যায়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করেছে। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে তারা আবার গণমাধ্যমকে জানিয়েছে যে, ৬ জুনের মধ্যে নির্বাচন শুরু ও শেষ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, রমজান মাস, এসএসসি পরীক্ষা ও ডিসেম্বরের বার্ষিক পরীক্ষার কথা বিবেচনা করেই হয়ত তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই সাধারণত ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে নির্বাচন কমিশন ঠিক কবে ভোট শুরু ও শেষ করবে এবং মোট খরচ কত হবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো সরকারকে জানায়নি।

আপনারা কী পরামর্শ দিয়েছেন? কবে নাগাদ হলে আপনাদের মিনিস্ট্রির জন্য সহযোগিতা করতে সুবিধা হবে- জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সচিবরা মিটিংয়ে গিয়ে যে পরামর্শ দিয়েছে, সেই পরামর্শের আলোকে নির্বাচন কমিশন তাদের বক্তব্য দিয়েছে। ৬ জুনে অর্থবছরের মধ্যেই হচ্ছে।

তিনি বলেন, এটা নির্বাচন কমিশনকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ নির্বাচন তারা পরিচালনা করবে। নির্বাচন কমিশন আমাদের যারা স্টেকহোল্ডার আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এবং জনপ্রশাসন, যারা নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে, এ সমস্ত সচিবরা মিটিংয়ে গিয়েছিল। প্রয়োজনে তারা আবার বসবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা নির্বাচন কমিশনকেই ঠিক করতে হবে যে, এই অর্থবছরের মধ্যে তারা কোন সিডিউলে তারা শেষ করবে। কারণ আমরা অর্থ বরাদ্দ রেখেছি এবং আমাদের সচিবরাও মিটিংয়ে গিয়ে বলে এসেছে তাদের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য।

বরাদ্দের বিষয়ে তিনি বলেন, এর আগেও বলেছি যে, তারা একটা টেন্টেটিভ হিসাব দিয়েছে, ৬ হাজার কোটি টাকা লাগবে এই পাঁচটি নির্বাচন শেষ করতে। আমরা মোটামুটি এই পরিমাণ অর্থ যাতে আমরা দিতে পারি, সেই ব্যবস্থা আমাদের রাখা আছে। এটা প্লাস-মাইনাস হতে পারে, তারা একটা সম্ভাব্য হিসাব আমাদের কাছে দিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেখানে প্রায় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শেষ করতে আমাদের খরচ হবে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা, উপজেলা নির্বাচনে লাগবে ২ হাহার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এই দুইটা নির্বাচনেই বড় খরচ। আর বাকি পৌরসভা ৩৩০টা পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন মাত্র ১৩টি। এগুলোতে খরচের পরিমাণ অনেক কম বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী চলতি বছরে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন না তিনি। যেহেতু আগামী ৬ জুন পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে কমিশন আগামী বছর থেকেই নির্বাচন প্রক্রিয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এই মাসের শেষে অথবা অক্টোবরের ফার্স্ট উইকে আরেকটা মিটিং করে ওনারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আমাদের প্রতিনিধিরা সেখানে থাকবে।

এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের চাওয়া-পাওয়া এই অর্থবছরের মধ্যে নির্বাচনগুলো যেন তারা শেষ করে। শুরুটা আমি বলব না। শুরুটা ওনারাই ঠিক করবে। কারণ, আমি যদি শুরুটা বলে দিই, এটা নির্বাচন কমিশনের জন্য বিব্রত হবে। কারণ নির্বাচনটা তারা কনডাক্ট করবে। শুরুটা সরকার আমরা কেন বলতে যাব? ওনারাই ঠিক করবে যে, নির্বাচন কবে থেকে কবে করবে।