?> বিএমসিএমএ এর সহ সভাপতি মো. সোহেল খানের নেতৃত্বে নিম্নমানের মশার কয়েল কারখানায় অভিযান | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

বিএমসিএমএ এর সহ সভাপতি মো. সোহেল খানের নেতৃত্বে নিম্নমানের মশার কয়েল কারখানায় অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

বিএমসিএমএ এর সহ সভাপতি মো. সোহেল খানের নেতৃত্বে  নিম্নমানের মশার কয়েল কারখানায় অভিযান

বিস্তারিত নিউজ প্রতিবেদন


রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিম্নমানের ও ক্ষতিকর মশার কয়েল উৎপাদনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বিএমসিএমএ। বিএমসিএমএ ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদের সহ সভাপতি মো. সোহেল খানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিম্নমানের মশার কয়েল এবং উৎপাদন সামগ্রী জব্দ করা হয়।


অভিযান চলাকালে দেখা যায়, একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের কাঁচামাল ব্যবহার করে মশার কয়েল তৈরি করে বাজারজাত করছিল। এসব কয়েল ব্যবহারে সাধারণ মানুষের শ্বাসকষ্ট, অ্যালার্জি ও বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।


অভিযান পরিচালনাকারী দল জানায়, জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে ছিল বিপুল পরিমাণ প্রস্তুতকৃত কয়েল, মোড়ক, রাসায়নিক উপাদান এবং উৎপাদন যন্ত্রপাতি। পরে সেগুলো জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।


এ বিষয়ে মো. সোহেল খান বলেন,

“জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে নিম্নমানের ও ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। যারা মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


তিনি আরও জানান, বাজারে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করতে বিএমসিএমএ ভবিষ্যতেও নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান পরিচালনা করবে।


স্থানীয় বাসিন্দারাও এ ধরনের অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিম্নমানের পণ্য বাজারে ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করে আসছিল। প্রশাসনের এমন উদ্যোগ জনস্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তারা।

মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটি'র নেতৃবৃন্দদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটি'র নেতৃবৃন্দদের

বার্তাবেলা (নিজস্ব প্রতিবেদক): মহান বিজয়দিবসের ৫৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির পক্ষ থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। 

আজ (সোমবার) ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪, বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির আহ্বায়ক মোঃ এফ রহমান রুপক এবং সদস্য সচিব মোঃ শাহাজালাল ভুইয়া উজ্জ্বলের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।


এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ শাহাজাহান মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ এনামুল হক আবির, এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, যাদের মধ্যে ছিলেন মোঃ মহিন উদ্দিন স্বপন, মোঃ শাহ আলম সাগর,মাহবুব মন্ডল, মোসাঃ মাহাফুজা আক্তার, মোসাঃ ডালিয়া আক্তার, মোঃ রায়হান, মোঃ মনির হোসেন, এবং মোঃ নাজমুল হুদা বাবুল প্রমুখ।


এসময় নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং স্বাধীনতার মূল্যবোধ বজায় রাখতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

এদিনের শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে তারা মুক্তিযুদ্ধের মহান আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন


প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নান্দনিক সাজে চট্টগ্রাম

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নান্দনিক সাজে চট্টগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর উপলক্ষ্যে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে নন্দনকানন বৌদ্ধ মন্দিরের সামনের সড়কে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জিত গোলচত্বর। পদ্মফুলের নকশা, বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক স্থাপত্যে সাজানো এই গোলচত্বর নগরীর সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক হিসেবে নজর কেড়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নির্মিত গোলচত্বরটিতে পদ্মফুলের নান্দনিক নকশা বিশেষভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

আলোকসজ্জায় রাতে গোল চত্বরটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৌদ্ধ দর্শনের মৈত্রী, করুণা, অহিংসা ও শান্তির আদর্শের সঙ্গে পদ্মফুলের প্রতীকী সৌন্দর্য মিলিয়ে গোলচত্বরটির নকশা করা হয়েছে। ফলে স্থাপনাটি নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি, চট্টগ্রামের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের ঐতিহ্যকেও তুলে ধরছে।

চসিকের এই উদ্যোগের মাধ্যমে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে নান্দনিকভাবে সাজানোর পাশাপাশি, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগর গড়ে তোলার প্রচেষ্টা প্রতিফলিত হয়েছে। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে এ ধরনের উদ্যোগ চট্টগ্রামকে আরও আকর্ষণীয় ও বাসযোগ্য করে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ চট্টগ্রামকে আরও সুন্দর ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন নগরবাসী।

সাংঘিক বিহারের রূপকার অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ছিল বৌদ্ধ বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপন। একই দাবি ছিল সাধারণ বৌদ্ধ নর-নারীরও। অবশেষে, চসিকের উদ্যোগে সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হওয়ায় চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের পক্ষ থেকে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।


এছাড়াও চট্টগ্রামের বিভিন্ন গোল চত্বর গুলো নতুন রূপে সাজানো হয়েছে।


কক্সবাজারে সড়কে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে ডাকাতি, ৫০-৬০ যানবাহনে লুটপাট

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

কক্সবাজারে সড়কে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে ডাকাতি, ৫০-৬০ যানবাহনে লুটপাট

কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালায় দিন-দুপুরে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দফা দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে চলন্ত অটোরিকশার যাত্রীদের সর্বস্ব লুটের পর দুপুরে একই স্থানে একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তাসহ একাধিক পথচারীর ওপর হানা দেয় ডাকাত দল।

ডাকাতদের কবলে পড়ে অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহন। প্রকাশ্যে এমন ডাকাতির ঘটনায় সড়কটিতে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে রামু উপজেলার ঈদগড় এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেক সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাওয়ার পথে হিমছড়ি ঢালা এলাকায় প্রথম ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে। সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা ডাকাত দল গাড়িটির গতি রোধ করে তারেককে জিম্মি করে তার মুঠোফোন ও নগদ টাকাসহ সঙ্গে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়। একপর্যায়ে নিজের জীবন বাঁচাতে চলন্ত অটোরিকশা থেকেই লাফ দিয়ে কোনোমতে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন তিনি।

প্রথম ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই একই দিন দুপুর আড়াইটার দিকে ঠিক একই স্থানে দ্বিতীয় দফায় হানা দেয় সশস্ত্র ডাকাতরা। এ সময় ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা ‘মুক্তি’-র ঈদগড় শাখার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুল হাকিমসহ কয়েকজন পথচারীর পথ আটকে অস্ত্রের মুখে তাদের কাছ থেকে মুঠোফোন, নগদ অর্থসহ সর্বস্ব লুটে নিয়ে দ্রুত পাহাড়ি জঙ্গলে পালিয়ে যায় চক্রটি।

ঘটনার খবর পেয়ে ঈদগাঁও থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম সিফাতুল মাজদার জানান, স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারী ও বনদস্যু চক্র এই অপকর্ম ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ ইতিমধ্যে পাহাড়ি এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিবছর শুষ্ক ও শীত মৌসুমে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কে ডাকাতদের উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এ সময়ে পাহাড়ি কলাসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য কেনাবেচা এবং চকরিয়া ও কক্সবাজার থেকে পাইকারি পণ্য আনার সুবাদে সড়কে ব্যবসায়ীদের নগদ অর্থ নিয়ে যাতায়াত বাড়ে, আর সেই সুযোগটিই নেয় অপরাধীরা। তবে এবার শীত পুরোদমে শুরু হওয়ার আগেই প্রকাশ্য দিবালোকে এভাবে লুটপাট শুরু হওয়ায় পাহাড়বেষ্টিত এ অঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। সড়কে যাত্রীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অবিলম্বে নিয়মিত পুলিশি টহল জোরদার করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।