?> বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ধরতে চসিক কার্যালয় ঘেরাও করে অভিযান | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ধরতে চসিক কার্যালয় ঘেরাও করে অভিযান

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ধরতে চসিক কার্যালয় ঘেরাও করে অভিযান

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা ও পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ওয়াকিল হোসেন ওরফে বিহারী বগাকে গ্রেপ্তার করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে অভিযান চালিয়েছে নগর পুলিশ। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে নগর ভবনের প্রধান ফটকের সামনে পুলিশ অবস্থান নিলেও শেষ পর্যন্ত বগাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এ সময় নগর ভবনের সামনে হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে নগরের টাইগারপাস এলাকায় চসিক কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্র জানায়, ওয়াকিল হোসেন ওরফে বগা নগর ভবনে অবস্থান করছেন— এমন গোপন তথ্য পেয়ে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য রাতে চসিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় খুলশী থানা-পুলিশ। তবে পুলিশ কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করেনি। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উত্তর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. হাসান মোস্তফা স্বপন, অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) সোহেল পারভেজ, খুলশী জোনের সহকারী কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশের অবস্থানের খবর ছড়িয়ে পড়লে নগর ভবনের সামনে বগার অনুসারী ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। এ সময় পুলিশ ও উপস্থিত লোকজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও শেষ পর্যন্ত বগাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। রাত ১০টার দিকে পুলিশ সদস্যরা নগর ভবনের সামনে থেকে চলে যান।

অভিযানের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইমস অ্যান্ড অপারেশন) মুহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ ও উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. হাসান মোস্তফা স্বপনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হয়। তাদের ক্ষুদে বার্তাও পাঠানো হয়। তবে তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

কে এই বগা?

ওয়াকিল হোসেন ওরফে বগা চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড ও আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগে গত ৮ জুন তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। খুলশী, পাহাড়তলী ও আকবর শাহ এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক, দখলবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৭টি মামলা রয়েছে।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শুরুতে খুলশীর ওয়্যারলেস এলাকায় বগাকে গ্রেপ্তার করতে গেলে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় বগা বাসার একটি গোপন সুড়ঙ্গপথ দিয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন এবং পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

সম্প্রতি, খুলশীতে কিশোর হৃদয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত ‘সেভেন স্টার’ নামের একটি কিশোর গ্যাং পরিচালনায় বগা ও তার ভাইয়ের সম্পৃক্ততার তথ্যও পেয়েছে পুলিশ। এর আগে গত ৪ অক্টোবর বগার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

যেমন থাকবে আগামী তিন দিনের আবহাওয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

যেমন থাকবে আগামী তিন দিনের আবহাওয়া

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে আগামী দুই দিন হালকা থেকে মাঝারি এবং তৃতীয় দিনে মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার (২০ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের এক বিশেষ বার্তায় এই পূর্বাভাসের তথ্য জানানো হয়েছে।

পাউবোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে ময়মনসিংহ বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া সিলেট বিভাগে ভারী এবং রংপুর বিভাগে মাঝারি ভারী বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হলেও এই সময়ে ভারতের উজান অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য কোনো বৃষ্টিপাত দেখা যায়নি।

নদ-নদীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বার্তায় জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদ-নদীর পানির সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানির সমতল ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। অপরদিকে, পদ্মা নদীর পানির সমতল বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। তবে আগামী পাঁচ দিনে গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানির সমতলও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পাউবো জানিয়েছে, আবহাওয়া সংস্থাগুলোর গাণিতিক মডেলের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী তিন দিন দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে পারে।


মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ফজলুর রহিম কাজল (৫১) নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে মোহনগঞ্জ পুলিশ। শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ১নং বড়কাশিয়া ইউনিয়নের বিরামপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানের একটি গাছ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, নিহত অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ফজলুর রহিম কাজলের বাড়ি পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের মরহুম জবান আলীর ছেলে। পরিবার সূত্র জানায়, গত ৭ অক্টোবর থেকে ফজলুর রহিম কাজল নিখোঁজ ছিলেন। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা তার সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেন।

নিখোঁজ হওয়ার পর অপরিচিত একটি ফোন নম্বর থেকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় গত ৭ অক্টোবর ধর্মপাশা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকালে বিরামপুর গ্রামের মোঃ দুলাল মিয়ার বাবা মরহুম মোহাম্মদ আলীর কবরস্থানে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পান। তারপর স্থানীয় লোকজনের কাছে ঝুলন্ত লাশের কথা বলেন। পরে থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং লাশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। খবর পেয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে লাশ শনাক্ত করেন। মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, ফজলুর রহিম কাজলের পরিবারের সদস্যদের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। নিখোঁজ হওয়ার পর মুক্তিপণ দাবির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তবে এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজনেরা।


সরকারি চাকরিতে ঢুকলেই বাধ্যতামূলক সর্বজনীন পেনশন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মার্চ, ২০২৪

সরকারি চাকরিতে ঢুকলেই বাধ্যতামূলক সর্বজনীন পেনশন

যারা আগামী ১ জুলাই বা তার পরবর্তী সময়ে সরকারি চাকরিতে যোগদান করবেন তাদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ঢোকা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। তারা সবাই ‘প্রত্যয়’ স্কিমের অন্তর্ভুক্ত হবেন।

বুধবার (২০ মার্চ) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানসমূহের চাকরিতে যাদের ন্যূনতম ১০ বছর চাকরি অবশিষ্ট আছে তারা আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে অবসর জীবনে মাসিক পেনশন প্রাপ্য হবেন বিধায় ১ জুলাই, ২০২৪ এবং এর পরবর্তী সময়ে নতুন যোগদানকৃত কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিদ্যমান ব্যবস্থায় খুব কম সংখ্যক স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ’ অঙ্গ-প্রতিষ্ঠানসমূহে পেনশন স্কিম চালু রয়েছে। এ ধরনের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীরা আনুতোষিক স্কিমের আওতাভুক্ত এবং তাদের জন্য সিপিএফ (কন্ট্রিবিউটরি প্রোভিডেন্ট ফান্ড) ব্যবস্থা প্রযোজ্য। এই ব্যবস্থায় কর্মচারীরা চাকরি শেষে অবসর সুবিধা হিসেবে এককালীন আনুতোষিক প্রাপ্য হন। কিন্তু, মাসিক কোনো পেনশন প্রাপ্য হন না। ফলশ্রুতিতে অবসরোত্তর জীবনে প্রায় ক্ষেত্রেই আর্থিক অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হন। কর্মচারীদের অবসরোত্তর জীবনের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা প্রদানে বিদ্যমান ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে সরকার ‘প্রত্যয় স্কিম’ প্রবর্তন করেছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, প্রত্যয় স্কিমে একজন ব্যক্তি একটি প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা নিজ বেতন থেকে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে একই পরিমাণ টাকা ৩০ বছর চাঁদা প্রদান করলে তিনি অবসর গমনের পর অর্থাৎ ৬০ বছর বয়স থেকে মাসিক ৬২ হাজার ৩৩০ টাকা হারে পেনশন প্রাপ্য হবেন। এ ক্ষেত্রে ৩০ বছর ধরে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ বেতন থেকে প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ ৯ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ ৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারী মিলিয়ে সর্বমোট চাঁদার পরিমাণ হবে ১৮ লাখ টাকা। তিনি যদি ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তবে ১৫ বছরে পেনশন প্রাপ্য হবেন ১ কোটি ১২ লাখ ১৯ হাজার ৪০০ টাকা। যা সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ জমার ১২.৪৭ গুণ। আজীবন পেনশন প্রাপ্য হবেন বিধায় এ পরিমাণ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিনিয়োগ হতে প্রাপ্য মুনাফার হার বৃদ্ধি পেলে মাসিক পেনশনের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের যাবতীয় খরচ সরকারের নির্বাহ করা হবে বিধায় চাঁদাদাতার কর্পাস হিসাবে জমাকৃত অর্থ এবং বিনিয়োগলব্ধ আয় সম্পূর্ণ চাঁদাদাতার অ্যানুইটি হিসাবায়নের মাধ্যমে মাসিক পেনশন নির্ধারিত হবে। জমাকৃত চাঁদার ওপর বিনিয়োগ রেয়াত পাওয়া যাবে এবং প্রাপ্য পেনশন আয়করমুক্ত হবে। স্কিমটি রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিযুক্ত হওয়ায় এটি শতভাগ ঝুঁকিমুক্ত ও নিরাপদ। এ স্কিমে নিবন্ধিত কর্মচারী পেনশনযোগ্য বয়সে উপনীত হওয়ার পরবর্তী মাস থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মাসিক পেনশনের অর্থ পেতে থাকবেন, যা তাকে মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে অবহিত করা হবে। এক্ষেত্রে তাকে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোনো দপ্তরে যাওয়ার বা কোনোপ্রকার প্রমাণক দাখিলের প্রয়োজন হবে না। প্রত্যয় স্কিমটি নতুন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আকর্ষণীয় এবং আর্থিক নিরাপত্তা বিধানে কার্যকর।