?> সদরপুরে ভ্যানের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ১৩ বছরের কিশোরীর মৃত্যু | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

সদরপুরে ভ্যানের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ১৩ বছরের কিশোরীর মৃত্যু

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সদরপুরে ভ্যানের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ১৩ বছরের কিশোরীর মৃত্যু

ফরিদপুরের সদরপুরে চলন্ত ভ্যানের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে জামিলা (১৩) নামে এক কিশোরীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢেউখালী ইউনিয়নের মোল্লা ডাঙ্গী গ্রামের একটি সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত জামিলা ঢেউখালী ইউনিয়নের চর কুমারিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. মহিউদ্দিন সিকদারের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামিলা নিজ বাড়ি থেকে ভ্যানযোগে ঢেউখালী ইউনিয়নের মোল্লা গ্রামে তার ভগ্নিপতি মো. রিয়াজুল শেখের বাড়িতে যাচ্ছিল। পথে মোল্লা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মাতুব্বরের বাড়ির সংলগ্ন শাখা সড়কে অসাবধানতাবশত তার পরনের ওড়না চলন্ত ভ্যানের চাকায় পেঁচিয়ে যায়। এতে সে গুরুতর আহত হয়।

ঘটনার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে দ্রুত জামিলাকে উদ্ধার করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সদরপুর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানালে থানার জরুরি ডিউটি অফিসার এসআই (নিঃ) আশরাফুল হক সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

হাদি হত্যার আসামি ফয়সালের অবৈধ অর্থের সন্ধান পেয়েছে সিআইডি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হাদি হত্যার আসামি ফয়সালের অবৈধ অর্থের সন্ধান পেয়েছে সিআইডি
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় ঢাকার আদাবর থানায় ফয়সাল ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার স্ত্রী শাহেদা পারভিন সামিয়া এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থপাচারের মামলা করেছে সিআইডি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সিআইডির আর্থিক অপরাধ ইউনিটের উপপরিদর্শক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মামলাটি করেন বলে নিশ্চিত করেছেন সিআইডির আর্থিক অপরাধ বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।

শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের অর্থের উৎস ও সম্পদ নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে তার সম্ভাব্য অবৈধ বিনিয়োগের তথ্য পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বাংলাদেশে ফয়সাল, তার স্ত্রী ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৫৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করার পর এখন বিদেশে তার কোনো সম্পদ রয়েছে কি না, তা যাচাই করছে সংস্থাটি। সিআইডির আর্থিক অপরাধ ইউনিট ফয়সাল সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাধ্যমে অবৈধ বিনিয়োগ ও অর্থপাচার করেছেন কি না, সেটিও তদন্ত করছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ফয়সালের কয়েকটি ব্যাংক হিসাব এবং সেগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত লেনদেনের তদন্ত করতে গিয়ে তার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।

ফয়সালের সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাধিকবার প্রবেশ ও বের হওয়ার সুযোগসংবলিত পর্যটন ভিসা রয়েছে। ২০২৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে ফেরেন।

৫৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দ

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে সিআইডির একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, তদন্তে ফয়সাল তার নিজের ও স্ত্রীর নামে থাকা ব্যাংক হিসাব এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে থাকা অর্থের উৎস গোপন করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

তদন্তে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর ফয়সাল তার স্ত্রীর নামে ৬৫ লাখ টাকার একটি স্থায়ী আমানত রাখার (এফডিআর) করেন।

ফয়সাল, তার স্ত্রী ও তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা মোট ৫৩টি ব্যাংক হিসাব ইতোমধ্যে জব্দ করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, এসব হিসাবের লেনদেন পর্যালোচনা করে অর্থের উৎস, স্থানান্তর ও ব্যবহারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। বিদেশে অর্থ স্থানান্তর এবং সেখানে বিনিয়োগের সম্ভাবনাও তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুই মাসে এক হিসাবেই ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার লেনদেন

সিআইডি ফয়সালের একটি ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বিশেষভাবে পর্যালোচনা করেছে। নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর একটি বেসরকারি ব্যাংকের রূপনগর শাখায় হিসাবটি খোলেন ফয়সাল। ব্যবসার ধরন হিসেবে তিনি তথ্যপ্রযুক্তি, পরামর্শসেবা ও প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করেন। হিসাব খোলার সময় বছরে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা লেনদেন হবে বলে ঘোষণা দিলেও পরবর্তী দুই মাসে ওই হিসাবে মোট ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।

তদন্তকারীদের মতে, হিসাবটিতে নগদ টাকা উত্তোলন তুলনামূলকভাবে কম হলেও অর্থ পরিশোধ ও স্থানান্তরের কার্যক্রম ছিল উল্লেখযোগ্য।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, হিসাব খোলার সময় ঘোষিত ব্যবসার ধরন, লেনদেনের ধরন এবং ব্যবসার অনুমতিপত্রে দেওয়া তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।

জাল দরপত্রের মাধ্যমে ৫৭ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

সিআইডির তদন্তে ফয়সালের মালিকানাধীন অ্যাপল সফট আইটি ও পিনাকল সলিউশন ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে একটি চুক্তির তথ্যও পাওয়া গেছে।

তদন্ত নথি অনুযায়ী, ফয়সালের প্রতিষ্ঠানটি পিনাকল সলিউশন ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে যৌথভাবে তিনটি সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছিল।

পরবর্তী তদন্তে ওই তিনটি সরকারি প্রকল্পের দরপত্রের প্রস্তাব জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল বলে তথ্য পাওয়া যায়।

তবে যৌথভাবে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের কথা বলে ফয়সালের ব্যাংক হিসাবে ৫৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা জমা দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

সিআইডির নথিতে আরও বলা হয়েছে, ফয়সাল তার ঠিকাদারি ব্যবসার আড়ালে জাল দরপত্রের মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দেওয়ার সুযোগ দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে বাকিতে পণ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পাওনা অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগও রয়েছে।

হাদি হত্যা মামলার পর থেকেই পলাতক

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিতি পান শরীফ ওসমান বিন হাদি। জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণ, আন্দোলনে নিহত ও আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং জুলাই ঘোষণাপত্রের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন তিনি।

২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় হাদিকে গুলি করা হয়। ছয় দিন পর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে ফয়সালের নাম আসে। এরপর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন। বর্তমানে ফয়সাল ভারতে পুলিশের হেফাজতে আছেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ’লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ’লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষ হয়েছে। যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (৭ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

আসামিপক্ষে আজ যুক্তি উপস্থাপন করেন সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী আমির হোসেন। পরে প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তিখণ্ডন করা হয়। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হলে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন আদালত।

মামলায় হানিফ ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। চারজনই বর্তমানে পলাতক।

গত ৫ অক্টোবর আওয়ামী লীগের এই চার নেতার সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে প্রসিকিউশন। আসামিরা পলাতক থাকায় স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীর যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আজকের দিন ধার্য রাখেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

প্রসিকিউশন জানায়, হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলাটি আগেই শেষ হয়েছিল। কিন্তু নতুন করে কিছু অতিরিক্ত তথ্যপ্রমাণ দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ যুক্তিতর্ক সম্পন্ন করে।

প্রসিকিউটর তামিম বলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন হানিফ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলন দমনে সরকারের অংশ হিসেবে সিদ্ধান্তটি মেনে নিয়েছিলেন তিনি। একইসঙ্গে অধীনস্তদের মাধ্যমে আন্দোলন দমনে সবকিছু বাস্তবায়ন করেছিলেন। তিনি সিভিলিয়ান লিডার ছিলেন। এ কারণে অধীনদের নির্দেশ বা টেলিফোনে কথোপকথন করে এসব বাস্তবায়ন করেছেন। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন নাছিমদের একই অপরাধে সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। অতএব একই অবস্থানে থেকে মাহবুবউল আলম হানিফকেও ট্রাইব্যুনাল একই শাস্তি দেবেন বলে আমরা আশা করছি। কেননা একটি দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সব ধরনের সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করেছেন হানিফ। জুলাই গঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে উসকানি ও সহায়তার পাশাপাশি ওবায়দুল কাদেরের প্রত্যেক বৈঠকে উপস্থিত থেকে সমর্থন করেছেন তিনি। এছাড়া টেলিফোনে কথোপকথন করে কুষ্টিয়ার এসপি, জেলা-উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। টেলিফোনের সেসব কথোপকথন আমরা ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ১০ জুন এ মামলায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তার জেরার মধ্য দিয়ে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। তবে প্রসিকিউশন থেকে অতিরিক্ত প্রমাণাদি দাখিল করায় পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।

গত বছরের ২ নভেম্বর চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। ৫ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরদিন ৬ অক্টোবর তা আমলে নেওয়া হয়। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য, ষড়যন্ত্র এবং কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।


হাইকোর্টে ৫২ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর, ২০২৩

হাইকোর্টে ৫২ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

আগামী রোববার (২৯ অক্টোবর) থেকে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিচার কাজ পরিচালনার জন্য ৫২টি বেঞ্চ গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা দেওয়ার নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় বলা হয়, ‘আমি এতদ্বারা নির্দেশ করিতেছি যে, আগামী ২৯ অক্টোবর রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনার জন্য নিম্নে উল্লেখিত বেঞ্চগুলো গঠন করা হলো। ’

নোটিশে ৫২ একক ও দ্বৈত বেঞ্চের নাম বিচারিক এখতিয়ারসহ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টি দ্বৈত বেঞ্চ এবং ১৯টি একক বেঞ্চ রয়েছে।