?> সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

প্রধানমন্ত্রী
সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারপ্রধান বলেছেন, জিয়াউর রহমান কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এমন স্থানে নিয়ে গিয়েছেন, তাতে মানুষ জিয়া ও বাংলাদেশকে এক রকম মনে করতো। কঠোর পরিশ্রম, সততার মাধ্যমে দেশে অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন তিনি। জিয়াউর রহমানের সেই পথ অনুসরণ করতে হবে।

তবে দেশে সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। বিষয়গুলো কীভাবে শিশুদের মাঝে তৈরি করা যায় তা নিয়ে তথ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইসরায়েলে নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ করবে মুসলিম ভোটাররা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৬

ইসরায়েলে নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ করবে মুসলিম ভোটাররা
ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে কট্টর ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে প্রয়োজন আরব মুসলিম নাগরিকদের ভোট। নেতানিয়াহু সরকারকে উৎখাত করতে আগামী সপ্তাহের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম নাগরিকদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির আরব নেতারা।

ইসরায়েলের জনসংখ্যার ২১ শতাংশ হলো আরব সংখ্যালঘু, যারা ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনি মুসলিম কিন্তু নাগরিকত্বে ইসরায়েলি। এই জনগোষ্ঠীর ভোটারদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেলে জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন নেতানিয়াহু-বিরোধী জোটের অনুকূলে যেতে পারে। 

ইউনাইটেড আরব লিস্ট পার্টির প্রধান মনসুর আব্বাস এবং জয়েন্ট লিস্টের নেতা আহমেদ তিবি নতুন পরিবর্তনশীল সরকার গঠনে আরব ভোটারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।
নির্বাচনী জরিপ অনুযায়ী, ১২০ আসনবিশিষ্ট নেসেটে গাদি আইজেনকোটের জোট ৫২টি আসন পেতে পারে, অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ধর্মীয়-জাতীয়তাবাদী জোট ৫০টি আসন পেতে পারে। মনসুর আব্বাসের দল পাঁচটি এবং যৌথ আরব জোট জয়েন্ট লিস্ট আটটি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আইজেনকোট আরব দলগুলোর সঙ্গে সরাসরি সরকার গঠনে অনীহা দেখালেও আব্বাস বিশ্বাস করেন, ভোটের পর রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে জোট গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ এবং পুলিশ মন্ত্রী ইতামার বেন-গভীরের চরমপন্থার কারণে আরব ভোটারদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির আভাস মিলছে। স্ট্যাট-নেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মতে, এবার আরবদের ভোটদানের হার বেড়ে ৬৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা ২০২২ সালে ছিল ৫৬ শতাংশ। আসন্ন ২৭ অক্টোবরের এই নির্বাচন ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলার পর প্রথম নির্বাচন এবং এটিকে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের ওপর একটি গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স

দল চায়নি, বিশেষ কারণে পদত্যাগ করতে হচ্ছে: ইশরাক হোসেন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

দল চায়নি, বিশেষ কারণে পদত্যাগ করতে হচ্ছে: ইশরাক হোসেন

মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়েই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং বিশেষ কারণে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন। তিনি দাবি করেন, তার

পদত্যাগের সিদ্ধান্ত দল চায়নি; বরং দলের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে এ সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। পদত্যাগের পর মাদকের বিরুদ্ধে আরও আগ্রাসীভাবে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে যাওয়ার পথে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ইশরাক হোসেন।

তিনি বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানটা করতে গিয়েই আজকের এই পরিস্থিতি। যেখানে আমাকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে হচ্ছে। দল চায়নি, দলের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সেটা আমি বক্তব্যে বলবো।’

মাদকের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান তুলে ধরে ইশরাক আরও বলেন, ‘এখন তো আমি আরও অ্যাগ্রেসিভলি মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবো। যুদ্ধ করবো আমি।’

ইশরাকের বক্তব্যে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানকে কেন্দ্র করে তার পদত্যাগের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। 

একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এ সিদ্ধান্ত তার দলের ইচ্ছার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তবে পদত্যাগের পেছনে বিশেষ কারণ কী এবং এ বিষয়ে দলের সঙ্গে তার কী ধরনের মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে, তা তিনি পরবর্তী বক্তব্যে বিস্তারিত জানাবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

এদিকে ইশরাকের পদত্যাগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ভূমিকা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যকারিতা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। মাদকের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও নতুন করে সামনে এসেছে।

ইশরাকের বক্তব্য অনুযায়ী, মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেও মাদকের বিরুদ্ধে তার অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসছে না; বরং এ বিষয়ে আরও কঠোর ও আগ্রাসী ভূমিকা নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।


ধানমন্ডি লেকে বিপণন পরামর্শকের মরদেহ, তদন্তে পুলিশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ধানমন্ডি লেকে বিপণন পরামর্শকের মরদেহ, তদন্তে পুলিশ

রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে এক পেশাদার বিপণন পরামর্শকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃতের নাম জাবেদ আহামেদ (৫১)। তার স্থায়ী ঠিকানা বনানীর ১৩ নম্বর রোডের ১২২ নম্বর বাড়িতে। তিনি বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের এক নম্বর রোডের ৫৫৬/৬৭ নম্বর বাসায় বসবাস করছিলেন। তার বাবার নাম সালাউদ্দিন আহামেদ।

ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এস এম আব্দুল গফুর বলেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ সংবাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে ধানমন্ডির ১০ নম্বর সড়কের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজের নিচ থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের সময় নিহতের পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে নাম-পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা মুঠোফোনের মাধ্যমে পরিবারকে খবর দেয় পুলিশ। সংবাদ পেয়ে নিহতের স্ত্রী শাহানা জাবিন খান ধানমন্ডিতে গিয়ে জাবেদের মরদেহ শনাক্ত করেন।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে এসআই আব্দুল গফুর জানান, পেশায় বিপণন পরামর্শক হলেও জাবেদ আহামেদ দীর্ঘদিন ধরে বেকার ছিলেন। আর্থিক অনটন ও সামাজিক নানা সঙ্কটের কারণে তিনি বেশ কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন।

পুলিশের করা সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতের শরীরে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে তার অণ্ডকোষ অস্বাভাবিকভাবে ফোলা ছিলো। এ বিষয়ে নিহতের স্ত্রী পুলিশকে জানিয়েছেন, গত ৪-৫ মাস ধরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে ওই স্থানটি ফোলা অবস্থায় ছিলো।

ধানমন্ডি থানা-পুলিশ জানায়, আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা, নাকি আত্মহত্যা নাকি কোনোভাবে পানিতে পড়ে মৃত্যু—তা পুরো ঘটনা তদন্তের পর ও ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।