?> সাবেক এমপিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

সাবেক এমপিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে ২০২৬

সাবেক এমপিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ

২০১৫ সালে বরিশালের ছাত্রদল ও জাসাসের ২ নেতাকে ক্রসফায়ারে হত্যা মামলায় শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশে দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (২০ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

এই মামলার ৪ আসামির মধ্যে দুজন বরিশালের উজিরপুর থানার সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন কারাগারে আছেন। আর পলাতক আছেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ।

মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ১৭ জুন থেকে শুরু হবে। মোট সাক্ষী ২৮ জন। এদিন আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে করা আবেদন খারিজ করা হয়।

এর আগে, চলতি বছরের ৩১ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়। পরে সেই অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়

বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি কিশোর-কিশোরী ক্লাব সচল করার সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৩

বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি কিশোর-কিশোরী ক্লাব সচল করার সুপারিশ

জাতীয় এবং জেলা পর্যায়ে বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি এবং কিশোর-কিশোরী ক্লাবকে সচল করার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। বাল্যবিবাহ রোধে সরকারি এবং বেসরকারি সংগঠনের কার্যক্রম ও তথ্যসমূহের মধ্যে সমন্বয় করে একটি শক্তিশালী এবং একক ডেটাবেইজ তৈরি করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে নারী-নির্যাতন রোধে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রাম ও ব্লাস্ট যৌথভাবে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। সেখানে এসব সুপারিশ করেন বক্তারা।

সভায় ‘নারী-নির্যাতন রোধে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রাম’ ও বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)-এর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির জন্য একটি সমঝোতা স্মারকও সই হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফরিদা পারভীন বলেন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধের ১৬ দিনব্যাপী পক্ষে আমরা আছি। এসময় এ বিষয়ে কথা বলা খুবই সময়পোযোগী। প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া ১০টি প্রকল্পের মধ্যে একটি হলো বাল্যবিবাহ রোধ করা। ২০৩০ সালের মধ্যে নারী-পুরুষের সবখানে সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হলে আমাদের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো বাল্যবিবাহ রোধ করা। সেই লক্ষ্যে আমাদের কিশোর-কিশোরী ক্লাবে সাংস্কৃতিক, খেলাধুলা এবং আত্মরক্ষামূলক দক্ষতা শেখানো হচ্ছে যা আমাদের জন্য একটি বড় অর্জন। তিনি মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রকল্প অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ১০৯-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সব জেলায় সেবাসমূহ নিশ্চিত করার জন্য কাজ করতে হবে।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) জাকিয়া আফরোজ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন অধিশাখা) এবং প্রকল্প পরিচালক ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (যুগ্ম সচিব) সালেহা বিনতে সিরাজ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপ-সচিব এসপিএস স্পেশালিস্ট, (এটুআই) খন্দকার মনোয়ার মোরশেদ।

সভাপতির বক্তব্যে ব্লাস্টের আইন উপদেষ্টা এস এম রেজাউল করিম বলেন, সরকারকে তার কাজে সহায়তা করার জন্য এবং দেশের সব পর্যায়ে সরকারের এ কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়ার জন্য ব্লাস্ট সরকারের সঙ্গে কাজ করে আসছে।

ব্লাস্টের অ্যাডভোকেসি উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন নারী নির্যাতন প্রতিরোধ প্রকল্পে মাল্টি সেক্টরাল প্রোগ্রাম অফিসার রাইসুল ইসলাম এবং সভার উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন ব্লাস্টের পরিচালক (অ্যাডভোকেসি ও কমিউনিকেশন) মাহবুবা আক্তার।


সাবেক এমপি নিক্সন-মির্জা আজম-ওদুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর, ২০২৪

সাবেক এমপি নিক্সন-মির্জা আজম-ওদুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন, মির্জা আজম ও মো. আবদুল ওদুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে নিক্সন চৌধুরীর স্ত্রী তারিন হোসেন ও ওদুদের স্ত্রী মর্জিনা ওদুদকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইব্রাহিম মিয়া দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

এছাড়া পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির এমডি ইউসুফ আলীসহ চারজন, প্রিমিয়ার প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির চেয়ারম্যান মঈন ইকবাল ও পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিন দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন সাবেক এমপি নিক্সন চৌধুরী ও মির্জা আজমের এবং দুদকের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম সাবেক এমপি ওদুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম ও মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন।

নিক্সনের আবেদনে বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নিক্সন চৌধুরী ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানপূর্বক তিন সদস্য বিশিষ্ট অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে এরই মধ্যে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। জানা গেছে, নিক্সন চৌধুরী ও তার স্ত্রী তারিন হোসেন সপরিবারে গোপনে দেশত্যাগ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তারা দেশত্যাগ করে বিদেশে পালিয়ে গেলে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র প্রাপ্তিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে। এছাড়াও সার্বিক অনুসন্ধানকাজে বিঘ্ন সৃষ্টিসহ সমূহ ক্ষতির কারণ রয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধান কার্যক্রমের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক।

মির্জা আজমের আবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট মির্জা আজমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যাবহারপূর্বক বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতপূর্বক নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে-বেনামে দেশে-বিদেশে শত শত কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে তিন সদস্য বিশিষ্ট অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে এরই মধ্যে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, মির্জা আজম ও তার পরিবারের সদস্যরা দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। তিনি দেশ থেকে পলায়ন করলে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র বিনষ্টসহ অনুসন্ধানকাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে মির্জা আজমের বিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক।

ওদুদের আবেদনে বলা হয়েছে, আব্দুল ওদুদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধান চলমান। অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন বলে অনুসন্ধানকালে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া একান্ত প্রয়োজন।


ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

প্রতারণা, জাল-জালিয়াতি ও প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা দুই মামলায় ফুডপান্ডা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দা আমবারীন রেজাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার একটি আদালত।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী কাজী মফিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পরোয়ানা জারি হওয়া অন্য চার আসামি হলেন ফুডপান্ডার কো-ফাউন্ডার ও ডিরেক্টর জুবায়ের সিদ্দিকী, হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক, ডিরেক্টর ডেলিভারি মো. তাবারেজ খান (ভারতীয় নাগরিক) ও সিনিয়র ম্যানেজার ও ডিরেক্টর মোহাম্মদ সাজেদুল হক।

আইনজীবী জানান, আদালতের নির্দেশে গুলশান থানা পুলিশ মামলা দুটি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। আদালত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ‘প্রোটিন অ্যান্ড পেরিশেবল’ (পিএনপি) প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির বাদী হয়ে গত বছরের ৩ জুলাই আদালতে মামলাগুলো দায়ের করেন। ২০২২ সালের ২৩ জুন ফুডপান্ডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান পান্ডামার্টের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী তিনি দেশীয় ও আমদানীকৃত ফলমূল এবং সবজি সরবরাহ শুরু করেছিলেন।

বাদী অভিযোগ করেন, শুরুর দিকে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করা হলেও পরবর্তীতে আসামিরা জালিয়াতির আশ্রয় নেন। বাদীর ১ লাখ টাকার কেনাকাটার অর্ডারের বিপরীতে ব্যাংকে মাত্র ১ থেকে ১০০ টাকার মতো নগণ্য পরিমাণ অর্থ জমা দেওয়া হতো। এছাড়া, ভুয়া ব্যক্তিদের স্বাক্ষর ব্যবহার করে এবং একই দিনে একাধিক স্থানে ভুয়া ‘রিটার্ন টু ভেন্ডর’ (আরটিভি) স্লিপ তৈরি করে পণ্য ফেরত দেখানোর অজুহাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে রেখে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে যে, তাদের কর্মীদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত ফৌজদারি মামলা দেওয়া হয়েছে, তা মূলত একটি ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক বিরোধের কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে। বশির নিজের দায় এড়াতে এবং প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের হয়রানি করতে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে প্রতিশোধমূলক কৌশল হিসেবে এসব পদক্ষেপ নিয়েছেন। 

তারা আরও দাবি করেন, চারটি মামলারই তদন্ত করেছে একই থানার পুলিশ। তদন্ত পরবর্তী দুটি প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কর্মীদের বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি অপরাধের সূত্র মেলেনি। একইসাথে, প্রতিবেদনের তথ্যে প্রতীয়মান হয়েছে, অভিযোগকারী পক্ষের কাছ থেকে ডিএইচ স্টোরসের অর্থ পাওনা রয়েছে।

একটি আইনমান্যকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডেলিভারি হিরো স্টোরস বাংলাদেশের প্রচলিত আইন, বিচার ব্যবস্থা এবং সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা করে। প্রতিষ্ঠানটি আশা প্রকাশ করেছে যে, তারা এই বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতিতে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সম্পূর্ণ সত্য ও সঠিক বিচার পাবে।