?> রোজা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

রোজা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

রোজা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংস্থাগুলোর হিসেব অনুযায়ী ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। তবে রমজান ও ঈদুল ফিতরের চূড়ান্ত তারিখ সম্পূর্ণভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করবে।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাদ্যম গালফ নিউজ এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে জানানো হয়, হিজরি বর্ষপঞ্জি চন্দ্রভিত্তিক হওয়ায় প্রতিবছর রমজান ১০ থেকে ১২ দিন এগিয়ে আসে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৭ সালের রমজান আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১০-১১ দিন আগে শুরু হতে পারে।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) রমজান শুরু হতে পারে।


৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নতুন চাঁদ দেখা গেলে সেই রাতেই প্রথম তারাবি এবং পরদিন থেকে রোজা শুরু হবে। তবে চূড়ান্ত তারিখ চাঁদ দেখার ওপরই নির্ভর করবে।রমজান ২৯ বা ৩০ দিনের হয়ে থাকে এবং শাওয়ালের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১০ মার্চ (বুধবার) ঈদুল ফিতর হতে পারে।

ইসলামী বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এ মাসেই মহানবী (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআন নাজিল শুরু হয়। রমজানে মুসলমানরা সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও ধূমপান থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করেন এবং নামাজ, তিলাওয়াত, দান-সদকা ও আত্মসংযমের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

২০২৭ সালের রমজানকে সামনে রেখে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই মুসলিম দেশগুলো মসজিদ ও জনসেবামূলক কাজের প্রস্তুতি নেবে। পাশাপাশি, ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ঘোষণা করবে।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনা অনুযায়ী ৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ হলেও, এর চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের ওপরই নির্ভর করে—যেটি মূলত চাঁদ দেখার বিষয়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

ইসলামি শরিয়তে তৃতীয় লিঙ্গের পরিচয় ও বিধান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪

ইসলামি শরিয়তে তৃতীয় লিঙ্গের পরিচয় ও বিধান

বার্তাবেলা ডেস্ক: যেসব মানুষের পুলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়টিই রয়েছে অথবা কোনোটিই নেই, ইসলামে তাদের খুনসা বা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ বলা হয়। অর্থাৎ একই শরীরে নারী ও পুরুষ উভয় বৈশিষ্ট্য থাকলে বা কোনো লিঙ্গবৈশিষ্ট্য না থাকলে তারা ইসলামে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ বিবেচিত হয়।

ইসলামি শরিয়তে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়:

এক. পুরুষ তৃতীয় লিঙ্গ

তৃতীয় লিঙ্গের যেসব মানুষের মধ্যে পুরুষ বৈশিষ্ট্য প্রবল থাকে ইসলামে পুরুষ গণ্য করা হয়। যেমন দাড়ি-গোঁফ গজানো, নারী সহবাসে সক্ষমতা, স্বপ্নদোষ হওয়া ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেলে তাকে পুরুষ গণ্য করা হয় এবং পুরুষের যাবতীয় বিধিবিধান তার ব্যাপারে প্রযোজ্য হয়। যেমন নারীর সাথে তার বিয়ে বৈধ হয়, পুরুষের সাথে অবৈধ হয়, নারীর সাথে পর্দা জরুরি হয় এবং মিরাসের সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে তাকে পুরুষ বিবেচনা করে সম্পদ বণ্টন করা হয়।

দুই. নারী তৃতীয় লিঙ্গ

তৃতীয় লিঙ্গের যেসব মানুষের মধ্যে নারী বৈশিষ্ট্য প্রবল তাকে নারী গণ্য করা হয়। যেমন যেসব হিজড়ার স্তন, ঋতুস্রাব, সহবাসের উপযোগিতা, গর্ভ সঞ্চার হওয়া ইত্যাদি নারী বৈশিষ্ট্য থাকে, ইসলামে তাদের নারী গণ্য করা হয় এবং নারীদের যাবতীয় বিধিবিধান তার ব্যাপারে প্রযোজ্য হয়। যেমন পুরুষের সাথে তার বিয়ে বৈধ হয়, নারীর সাথে অবৈধ হয়, পুরুষের সাথে পর্দা জরুরি হয় এবং মিরাসের সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে তাকে নারী বিবেচনা করে সম্পদ বণ্টন করা হয়।

তিন. জটিল তৃতীয় লিঙ্গ

তৃতীয় লিঙ্গের যেসব মানুষের মধ্যে নারী-পুরুষের কোনো বৈশিষ্ট্যই পরিলক্ষিত হয় না অথবা উভয় ধরনের বৈশিষ্ট্য সমানভাবে পরিলক্ষিত হয়, তাদের শরিয়তের পরিভাষায় খুনসায়ে মুশকিলা বা জটিল তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ গণ্য করা হয়। তাদের ব্যাপারে শরিয়তের নির্দেশনা হলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্ন চিহ্ন বা আলামতের ভিত্তিতে তাকে পুরুষ বা নারী শ্রেণিভুক্ত করার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। সাধারণত যে কোনো দিকে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের শারীরিক বৈশিষ্ট্য প্রবল হয়।

যদি তৃতীয় লিঙ্গের বিরল কোনো মানুষকে কোনোভাবেই কোনো একটি শ্রেণিভুক্ত করা না যায়, তাহলে চিকিৎসার মাধ্যমে নারী বা পুরুষের বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হওয়ার চেষ্টা করা তার জন্য জায়েজ। চিকিৎসা নেওয়ার পর শরীরে প্রকাশিত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী তাকে পুরুষ বা নারী বিবেচনা করা হবে। এর আগ পর্যন্ত পর্দা ও বিয়ের ক্ষেত্রে তার ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। অর্থাৎ পুরুষরা তাকে নারী ও নারীরা পুরুষ বিবেচনা করবে। উত্তরাধিকারের সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে যদি নারী ও পুরুষ হিসেবে সে সমান সম্পত্তির অধিকারী হয়, তাহলে ওই পরিমাণ সম্পত্তি তাকে দিতে হবে। যদি নারী বা পুরুষ হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণ সম্পত্তির অধিকারী হয়, তাহলে তাকে যে লিঙ্গের বিবেচনা করলে সে তুলনামূলক কম সম্পত্তি পাবে, তাকে ওই লিঙ্গের বিবেচনা করে সম্পত্তি বণ্টন করতে হবে।


দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী আজ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী আজ

মণ্ডপে মণ্ডপে বাজছে ঢাক-কাঁসরের বাদ্য, চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে ফুল, ধূপ ও আগরবাতির সুবাস। শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনিতে আনন্দের জোয়ারে ভেসেছে সারাদেশের পূজামণ্ডপগুলো। ষষ্ঠীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে শনিবার ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ দিন মহাসপ্তমী। বিশুদ্ধ মন্ত্রোচ্চারণ ও দেবী দর্শনে সকাল থেকেই মণ্ডপগুলোতে ঢল নেমেছে ভক্তদের।

দেবীর কাছে ভক্তদের আকুল প্রার্থনা- শান্তি, সংহতি, শক্তি ও বিশ্ব কল্যাণের। তবে মহাসপ্তমীর গভীর তাৎপর্য কেবল ধর্মীয় আচারের সীমানায় আবদ্ধ নয়, এর অন্তর্নিহিত শিক্ষা হলো অশুভের বিরুদ্ধে মানবীয় শুভবোধের জাগরণ, প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং সাম্য ও সম্প্রীতির সমাজ গঠন।

মহাসপ্তমীর অন্যতম প্রধান ও আকর্ষণীয় অঙ্গ ‘নবপত্রিকা’ বা সাধারণ ভাষায় ‘কলাবউ’ স্থাপন। কলাগাছের সঙ্গে কচু, হলুদ, জয়ন্তী, বেল, ডালিম, অশোক, মানকচু ও ধানগাছ একত্রে বেঁধে স্নান করানোর পর নতুন শাড়িতে ভূষিত করে মণ্ডপে স্থাপন করা হয়।

নবপত্রিকার এই নয়টি উদ্ভিদ মূলতঃ ব্রহ্মাণী, কালিকা, উমা থেকে শুরু করে দেবীর নয়টি মহাশক্তির প্রতীক। দুর্গাপূজার মূল কেন্দ্রে দেবী প্রতিমা থাকলেও মহাসপ্তমীতে সরাসরি উদ্ভিদকে পূজার অংশ বানিয়ে মূলত প্রকৃতির প্রতি মানুষের পরম কৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করা হয়।

কারণ, এসব উদ্ভিদ মানুষের খাদ্য, চিকিৎসা, কৃষি ও বেঁচে থাকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। তবে সচেতন মহলের মতে, কেবল আচার পালনে প্রকৃতি পূজা সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনে গাছপালা সংরক্ষণ, জলাশয় দূষণমুক্ত রাখা এবং পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগী হওয়াই নবপত্রিকার আসল বার্তা।

সপ্তমীর অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ আচার হলো দেবীর ‘মহাস্নান’। দর্পণে দেবীমূর্তির প্রতিফলন ঘটিয়ে গঙ্গা জল, দুধ, মধু ও সুগন্ধি উপাচারে দেবীকে স্নান করানো হয়, যা বাহ্যিক ও আত্মিক শুদ্ধতার প্রতীক। এ স্নান মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, অন্যের অধিকার হরণ, অহংকার, বৈষম্য বা হিংসা পুষে রেখে শুধু আনুষ্ঠানিকতায় নীতি-নৈতিকতার পূর্ণতা আসে না। সমাজে দুর্বল ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করার মাধ্যমেই ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রকৃত সামাজিক বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

পৌরাণিক কথনে মহিষাসুর বধের ঘটনাটি শুভ ও অশুভ শক্তির চিরন্তন সংঘাত নির্দেশ করে। দেবী দুর্গার দশ হাত ও দশ অস্ত্র মূলত অন্যায়কে প্রতিরোধ করে ন্যায় প্রতিষ্ঠার শক্তিকে নির্দেশ করে। দেবীর পাশে থাকা লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশ- যথাক্রমে সমৃদ্ধি, জ্ঞান, বীরত্ব ও বুদ্ধির প্রতিনিধিত্ব করেন।

রূপক অর্থে জ্ঞান ছাড়া সমৃদ্ধি অন্ধ, সাহস ছাড়া ন্যায় অসম্ভব এবং বুদ্ধি ছাড়া শক্তির সঠিক ব্যবহার অসম্ভব।

বাঙালির ঘরোয়া সংস্কৃতিতে দেবীর এই আগমন শুধু ঈশ্বর আরাধনা নয়, বরং পিতৃগৃহে কন্যাসন্তানের ফিরে আসার গভীর পারিবারিক অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ। পাশাপাশি, প্রতিমাশিল্পী, মৃৎশিল্পী, ঢাকি, আলোকসজ্জাকর্মী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের শ্রমে এই উৎসব রূপ নেয় এক বিশাল সামাজিক ও অর্থনৈতিক মিলনমেলায়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মহাসপ্তমীর সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মর্যাদা ও নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করা। উৎসবের প্রকৃত সৌন্দর্য তখনই পূর্ণতা পায়, যখন প্রতিটি নাগরিক কোনো ধরনের ভয় ছাড়া নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারেন।

ঢাকিদের ঢাকের বাদ্য একসময় থেমে যাবে, কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস, প্রকৃতির প্রতি যত্ন এবং মানুষের প্রতি সহমর্মিতা যেন নাগরিক আচরণে সদা জাগ্রত থাকে, এটাই মহাসপ্তমীর মূল অঙ্গীকার।


হজযাত্রী নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়ছে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৩

হজযাত্রী নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়ছে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

বার্তাবেলা: হজের নিবন্ধনের সময় আরও ২১ দিন বাড়ানো হচ্ছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হজযাত্রী নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধনের সময় বাড়িয়ে রোববার (১০ ডিসেম্বর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে জানা গেছে।

জানা গেছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৬ জুন (১৪৪৫ হিজরি সনের ৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। চলতি বছরের মতো আগামী বছরও (২০২৪ সাল) বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি মাধ্যমে কোটা ১০ হাজার ১৯৮ জন ও বেসরকারি এজেন্সির কোটা এক লাখ ১৭ হাজার জন হজ পালন করতে পারবেন বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়।

আগামী বছর (২০২৪ সাল) হজে যেতে সরকারি-বেসরকারি হজযাত্রীদের নিবন্ধন শুরু হয় গত ১৫ নভেম্বর। নিবন্ধনের সময় শেষ হওয়ার কথা রোববার। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধিত সব হজযাত্রী নিবন্ধন করতে পারবেন। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বশেষ নিবন্ধনের ক্রমিক ৯১০০৯৬।

কিন্তু শনিবার পর্যন্ত পাঁচ শতাংশ হজযাত্রীও নিবন্ধিত হয়নি।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মতিউল ইসলাম শনিবার জাগো নিউজকে বলেন, ‘হজের নিবন্ধনের সময় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হবে। রোববার এ বিষয়ে নোটিশ জারি করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘এরপর হয়তো আমাদের আর নিবন্ধনের সময় বাড়ানো সম্ভব হবে না। ওই সময় পর্যন্ত যারা নিবন্ধন করবেন, তারাই এবার হজ পালন করতে পারবেন।’

হজ এজেন্সি মালিকরা জানান, আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচন, অনেকেই নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত। আর চলছে টানা অবরোধ ও হরতাল। বেশির ভাগ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থাও খুব একটা ভালো না। অন্যদিকে গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে হজযাত্রী নিবন্ধন শুরু হয়েছিল, নিবন্ধন চলে এপ্রিল পর্যন্ত। কিন্তু এবার সৌদি সরকার হজ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনায় হজ চুক্তির আগেই হজের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হচ্ছে। আগেভাগে নিবন্ধনের তথ্য অনেকে জানেনও না। তাই এবার নিবন্ধনে খুবই ধীরগতি।