?> রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিউইয়র্কে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে এই সংকটের টেকসই ও স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে ৫ দফা প্রস্তাব পেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘দ্য রোহিঙ্গা ক্রাইসিস: এ রিনিউড কল ফর এ ডিউরেবল সল্যুশন ফ্রম প্রোট্র্যাক্টেড ডিসপ্লেসমেন্ট, উইথ জাস্টিস অ্যান্ড অ্যাকাউন্ট্যাবিলিটি’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দীর্ঘ ৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করে আসলেও অনির্দিষ্টকাল একা এই দায়িত্ব বহন করা সম্ভব নয়।

প্রধানমন্ত্রীর পেশ করা ৫ দফা প্রস্তাবগুলো হলো প্রত্যাবাসন রোডম্যাপ: রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীজনদের নিয়ে একটি সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করা। সহিংসতা বন্ধ ও অধিকার নিশ্চিত: মিয়ানমারে বেসামরিক জনগণের ওপর সহিংসতা বন্ধ করা এবং নিজভূমিতে রোহিঙ্গাদের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে দেওয়া, যাতে তারা প্রত্যাবাসনে আস্থা পান।

মানবিক সহায়তা ও স্থানীয় সমর্থন: রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি উদার আতিথেয়তা প্রদানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন বজায় রাখা। ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি: আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) বিচারিক ও তদন্ত কার্যক্রমকে অব্যাহত সহায়তা দিয়ে গুরুতর অপরাধের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা। আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমন: মাদক পাচার, মানবপাচার, ডিজিটাল প্রতারণা, অবৈধ অস্ত্রসহ আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গারা বৈষম্য ও নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছে এবং এই সংকটের উৎপত্তি ও সমাধান—উভয়ই মিয়ানমারেই নিহিত। তবে বর্তমান রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি নিরাপদ প্রত্যাবাসনের অনুকূল নয়।

একই সঙ্গে ২০২৬ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় মানবিক সহায়তার বাজেট কমানোর প্রবণতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, মানবিক সহায়তার উদারতা কখনো রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তার অজুহাত হতে পারে না। বাংলাদেশ চায় রোহিঙ্গারা নিজেদের অধিকার নিয়ে নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে নিজ ঘরে ফিরে যাক এবং এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও তাদের যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

জাতিসংঘে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান


প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আধা ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সচিবালয় ভবনের ৩৪তম তলায় দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আধা ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সচিবালয় ভবনের ৩৪তম তলায় দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের দিনই (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে অংশ নেবেন তিনি। নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে তার সম্ভাব্য ভাষণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হবে এবং বিকালের অধিবেশনে নির্ধারিত ১৮ জন বক্তার মধ্যে তারেক রহমান ১১তম বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।

ভাষণের আগে বৃহস্পতিবার সকালেই সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলাবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী এবং সেখানে পাঁচ মিনিটের উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন।

এরপর দুপুরে মাতৃ ও নবজাতকের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু বন্ধে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মিডওয়াইফারি অন্তর্ভুক্তিবিষয়ক আরও একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন তিনি। উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণীর সমাপনী বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে।

পরবর্তী সূচি অনুযায়ী, দুপুর ২টা ১৫ মিনিট থেকে ২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৩টা পর্যন্ত 'ইউএন বাইল্যাটেরাল বুথে' থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি।

এর আগে দুপুর ১টা ১০ মিনিটে সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বিনিময় ও ফটোসেশনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।

প্রেস উইং আরও জানায়, সাধারণ অধিবেশনে ভাষণদান শেষে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দপ্তর থেকে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন অথবা তার থাকার জন্য নির্ধারিত হোটেল 'হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কে' ফিরবেন। পরে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির কার্যালয়ে আয়োজিত এক নৈশভোজে যোগ দেবেন তিনি।

পরের দিন শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ম্যানহাটনে জেপি মরগানের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটি আয়োজিত ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক প্রাতঃরাশ বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১১টায় কুয়েতের স্থায়ী মিশনে দেশটির ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন তিনি।

এরপর দুপুরে ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট প্রিন্স জায়েদ আল হুসেইনের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন। যেখানে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বৈশ্বিক প্রবণতা ও নানা ঝুঁকি নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হবে। মধ্যাহ্নভোজ শেষে হোটেল গ্র্যান্ড হায়াতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

সফর শেষে ওই দিনই (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টায় এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। ফ্লাইটটি ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় (দুবাই সময়) দুবাই পৌঁছাবে।

এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর রাত ২টায় দুবাই থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


আইফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে পিটিয়ে হত্যা: পুলিশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আইফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে পিটিয়ে হত্যা: পুলিশ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে (১৩) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মূলত আইফোনটি ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত তুহিন, ফাহাদ, কামরুল এবং সিয়ামসহ মোট চারজনকে আটক করা হয়েছে। তারা সবাই হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে আমরা নিশ্চিত হই যে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর আনুমানিক দুপুর ২টা থেকে সোয়া ২টার মধ্যে তুহিন অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা নামক স্থানে চারপাশে পাহাড়ঘেরা নির্জন জঙ্গলের ভিতরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর আমরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখি এবং পর্যালোচনা করি। এতে অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা তুহিনকে এই মৃত্যুসংবাদ প্রাপ্তির পূর্বেই আমরা হেফাজতে নিই।

তিনি আরও বলেন, একটানা জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন আমাদের কাছে স্বীকার করে যে অপ্রতিমের মোবাইল আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পনা করে সে তাকে উক্ত নির্জন ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। তুহিন আরও জানায়, এই ঘটনায় ফাহাদ এবং ফাহাদের এক বন্ধু জড়িত ছিল। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক আমরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করি এবং ফাহাদকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করি। জিজ্ঞাসাবাদে ফাহাদ জানায়, এই হত্যাকাণ্ডের সাথে তার আরেক বন্ধু কামরুল জড়িত। ফাহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা তাকে হেফাজতে নিই।

আইফোন উদ্ধার প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, তুহিনের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে আমরা প্রথমে আইফোনটির জন্য তিন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করি। সে মিসগাইড করেছিল, কোথাও পাওয়া যায়নি। অবশেষে তার স্বীকারোক্তি এবং তার দেখানো মতে তার বাসার ভিতরে অভিযান পরিচালনা করে তার তোশকের নিচ থেকে আইফোনটি আমরা উদ্ধার করতে সক্ষম হই।

হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি যে ঘটনার দিন বিকেল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে সানন্দা নামক স্থানে চারপাশে পাহাড়ঘেরা নির্জন বনের ভেতরে অপ্রতিমের যে আইফোনটি ছিল সেটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে অপ্রতিম বাধা দেয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। তখন ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের শক্ত লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে। এক পর্যায়ে অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হলে আইফোনটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

তিনি বলেন, এছাড়াও আমরা সিয়াম নামে আরেকজনকে আটক করেছি। তার বিরুদ্ধে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করতেছি। আমরা ইতিমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত তুহিন, ফাহাদ ও কামরুলকে এই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করেছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য বিষয় এবং অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলমান রেখেছি।

বিচার প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুতই পুলিশ প্রতিবেদন বা চার্জশিট বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করা হবে। রামিসা হত্যার মামলায় যেমন দ্রুত রায় এসেছে, এই মামলাটির জন্যও দ্রুত আমরা বিজ্ঞ আদালতের কাছে আবেদন রাখবো। 

নিহত অপ্রতিম ও আসামি তুহিনের বয়স প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই, তার (অপ্রতিম) বয়স ১৩, আর আসামি সাইফুল ইসলাম তুহিন, তার বয়স ১৯। সে কুমিল্লা সিটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ফেল করে ২০২৫ সালে ড্রপআউট হয়।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, আমরা ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করেছি, মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি এবং যে আইফোনটির কারণে হত্যাকাণ্ড, সেই আইফোনটিও আমরা আসামির দেখানো মতে তার বাসা থেকে উদ্ধার করেছি। আমরা বাকি তদন্ত কাজ শেষ করে দ্রুত বিজ্ঞ আদালতে এই মামলার পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করবো। 




চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল, ২০২৬

চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের দর্শন হলো ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক।


বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন-উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ এই দর্শনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ দেশের ১০টি জেলা এবং ৩টি সিটি করপোরেশনের ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগামীতে দেশের প্রায় চার কোটি প্রান্তিক ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও সোনাইমুড়ী) নির্বাচনি এলাকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করছি সংসদ সদস্যের নির্বাচনি এলাকার দরিদ্র পরিবারের নারী সদস্যদের ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা সম্ভব হবে।