?> প্রিজন ভ্যান থেকে ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন, ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

প্রিজন ভ্যান থেকে ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন, ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রিজন ভ্যান থেকে ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন, ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
আদালতে হাজিরা দিয়ে গাজীপুরের কারাগারে আনার পথে শৌচাগারের কথা বলে ২৫ মামলার আসামি পিচ্চি রাজা পালানোর ঘটনায় ৫ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত গঠন করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় পৌঁছলে প্রিজন ভ্যান থেকে আসামি শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলেন। পরে তাকে নিয়ে শৌচাগারে যাওয়া হয়। সেখান থেকে কৌশলে পিচ্চি রাজা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রিজনভ্যান চালকসহ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের ৫ কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এছাড়াও গাড়ির ড্রাইভারসহ পাঁচজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। 

এদিকে এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। ডিসি হেডকোয়ার্টারের নেতৃত্বে ওই তদন্ত কমিটি কাজ করবে বলে জানিয়েছে পুলিশ কমিশনার।

প্রসঙ্গত, ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরার জন্য রোববার সকালে পিচ্চি রাজাকে প্রিজনভ্যানে করে ঢাকায় নেওয়া হয়। আদালতে হাজিরা শেষে তাকে ফের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এ ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। প্রিজনভ্যানটি গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় পৌঁছালে পিচ্চি রাজা প্রাকৃতিক কাজ সারার জন্য শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে। পরে আনা-নেওয়ার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য তাকে একটি শৌচাগারে নিয়ে যান। সেখানে সুযোগ পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যায় পিচ্চি রাজা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মোহাম্মদপুর থানার একটি সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১৯ মে মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিচ্চি রাজা, তার স্ত্রী ও শ্যালক নেপাল থেকে দেশে ফেরার খবরে পুলিশ বিমানবন্দরে অবস্থান নেয়। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।

সূত্রটি আরও জানায়, পিচ্চি রাজার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্রসহ ২০ থেকে ২৫টি মামলা রয়েছে।

সাবেক এমপি নিক্সন-মির্জা আজম-ওদুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর, ২০২৪

সাবেক এমপি নিক্সন-মির্জা আজম-ওদুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন, মির্জা আজম ও মো. আবদুল ওদুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে নিক্সন চৌধুরীর স্ত্রী তারিন হোসেন ও ওদুদের স্ত্রী মর্জিনা ওদুদকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইব্রাহিম মিয়া দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

এছাড়া পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির এমডি ইউসুফ আলীসহ চারজন, প্রিমিয়ার প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির চেয়ারম্যান মঈন ইকবাল ও পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিন দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন সাবেক এমপি নিক্সন চৌধুরী ও মির্জা আজমের এবং দুদকের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম সাবেক এমপি ওদুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম ও মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন।

নিক্সনের আবেদনে বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নিক্সন চৌধুরী ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানপূর্বক তিন সদস্য বিশিষ্ট অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে এরই মধ্যে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। জানা গেছে, নিক্সন চৌধুরী ও তার স্ত্রী তারিন হোসেন সপরিবারে গোপনে দেশত্যাগ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তারা দেশত্যাগ করে বিদেশে পালিয়ে গেলে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র প্রাপ্তিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে। এছাড়াও সার্বিক অনুসন্ধানকাজে বিঘ্ন সৃষ্টিসহ সমূহ ক্ষতির কারণ রয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধান কার্যক্রমের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক।

মির্জা আজমের আবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট মির্জা আজমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যাবহারপূর্বক বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতপূর্বক নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে-বেনামে দেশে-বিদেশে শত শত কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে তিন সদস্য বিশিষ্ট অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে এরই মধ্যে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, মির্জা আজম ও তার পরিবারের সদস্যরা দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। তিনি দেশ থেকে পলায়ন করলে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র বিনষ্টসহ অনুসন্ধানকাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে মির্জা আজমের বিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক।

ওদুদের আবেদনে বলা হয়েছে, আব্দুল ওদুদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধান চলমান। অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন বলে অনুসন্ধানকালে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া একান্ত প্রয়োজন।


শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন বাবা-মা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা এবং মা পারভীন আক্তার। 

মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে তারা এই সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য দেওয়ার সময় রামিসার বাবা অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং অসুস্থ বোধ করায় আদালতের অনুমতি নিয়ে চেয়ারে বসে তার জবানবন্দি শেষ করেন।

আব্দুল হান্নান মোল্লা বলেন, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি অফিসের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন। বনানীতে নিজের কর্মস্থলে পৌঁছানোর পরপরই তার স্ত্রী পারভীন আক্তারের ফোন পেয়ে তিনি দ্রুত বাসায় ফিরে আসেন। সেখানে এসে ভবনের সামনে প্রচুর মানুষের ভিড় দেখতে পান। পরে তৃতীয় তলায় আসামিদের ফ্ল্যাটের সামনে গেলে তার স্ত্রী জানান যে রামিসা ওই ঘরের ভেতরে আটকে আছে।
 
তিনি আরও জানান, আশপাশের লোকজন দরজা ভাঙার চেষ্টা করার একপর্যায়ে ভেতর থেকে মূল লক খুলে দেন আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন। সবাই ঘরের ভেতরে প্রবেশ করতেই টয়লেটের সামনে রক্ত দেখতে পান। এরপর আসামিদের ব্যবহৃত কক্ষের স্টিলের খাটটি উঁচু করতেই নিজের মেয়ের বিচ্ছিন্ন মাথা দেখতে পেয়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে পুলিশ এসে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে তিনি থানায় গিয়ে মামলা করেন।

জেরার সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী জানতে চান তিনি পুরো ঘটনা নিজ চোখে দেখেছেন কি না। জবাবে আব্দুল হান্নান মোল্লা বলেন, আমি যতটুকু দেখেছি, তা-ই বলেছি। আসামিদের সঙ্গে পূর্ব কোনো শত্রুতা বা চেনা-পরিচয় থাকার বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন।

একই আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে রামিসার মা পারভীন আক্তার বলেন, ঘটনার দিন সকালে তিনি রান্না করছিলেন। বড় মেয়ে রাইসাকে বলেছিলেন ছোট বোন রামিসাকে নিয়ে চাচার বাসায় যেতে। রান্নাঘরে থাকায় দুই শিশুর শব্দ না পেয়ে তিনি ভেবেছিলেন তারা চলে গেছে। এর কিছুক্ষণ পর একটি চিৎকারের শব্দ শুনলেও সেটি দূর থেকে আসছে বলে মনে হয়েছিল তার। পরে বড় মেয়ে একা ফিরে এলে রামিসাকে না পেয়ে তিনি ভবনের বিভিন্ন তলায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

পারভীন আক্তার বলেন, খোঁজার একপর্যায়ে তৃতীয় তলায় আসামিদের ফ্ল্যাটের দরজার নিচে তিনি রামিসার জুতা দেখতে পান। এরপর বারবার ধাক্কা দিলেও ভেতর থেকে কেউ দরজা খুলছিল না। তখন তিনি চিৎকার শুরু করলে ভবনের অন্য বাসিন্দারা জড়ো হন এবং তিনি স্বামীকে ফোন দেন। রাজু নামের এক যুবক দরজার ফাঁক দিয়ে মুঠোফোনে ভিডিও করলে দেখা যায় ভেতরে স্বপ্না খাতুন হাঁটাহাঁটি করছেন।

আদালতে কাঠগড়ায় থাকা আসামিদের দেখিয়ে পারভীন আক্তার কান্নায় ভেঙে পড়েন। স্বপ্না খাতুনকে দেখিয়ে তিনি বলেন, ওরে ওই সময় বলছি, বোন দরজা খুলে দে। আর প্রধান আসামি সোহেল রানাকে দেখিয়ে বলেন, এই লোকই ধর্ষণ ও হত্যা করেছে। জেরার জবাবে তিনি বলেন, সোহেল রানা খুন করেছেন এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন তাকে সহযোগিতা করেছেন। ঘটনার পর সোহেল রানার জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তিনি প্রতিবেশীদের কাছ থেকে শুনেছেন বলেও আদালতকে জানান। 

সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের দিন ধার্য করেন।


নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে আজ দশম সাক্ষীর সাক্ষ্য

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর, ২০২৬

নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে আজ দশম সাক্ষীর সাক্ষ্য

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে আজ দশম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা রয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণ হবে।

প্রসিকিউশন জানায়, এ মামলায় আজ রাষ্ট্রপক্ষের দশম সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হবে। গত ৮ অক্টোবর তার জবানবন্দি নেওয়ার দিন ধার্য ছিল। নির্ধারিত দিনে তিনি ট্রাইব্যুনালে হাজির হলেও অন্য একটি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ থাকায় সময় চায় প্রসিকিউশন। পরে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন চার আসামি। তারা হলেন- কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখার সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, আনসার সদস্য ওমর ফারুক ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগকর্মী ফজলে রাব্বি।

নানক-তাপসসহ পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান, পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) রওশুনুল হক, এমএ সাত্তার, তোফায়েল, তারেকুজ্জামান, আরিফুর রহমান তুহিন, আহাদ হোসাইন, মো. ইউনূস, মোল্লা রুবেল, আজিজুল হক, রিয়াজ মাহমুদ, হৃদয়, মাইনুল ইসলাম, শেখ বজলুর রহমান, জহির উদ্দিন, আয়মান, সেন্টু মিয়া ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম রাষ্ট্রন।

এর আগে, ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলায় নবম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন শহীদ মাহমুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী। তার ভাই সৈকত ২০২৪ সালের ৭ জুলাই মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোডে পুলিশের গুলিতে নিহত হন। গত ১০ মে প্রসিকিউশনের দাখিল করা তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে ২৮ আসামির বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।


প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরে নৃশংসতা চালায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অংশগ্রহণে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকত, ফারহান ফাইয়াজসহ ৯ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে।