?> পদত্যাগ করলেন এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

পদত্যাগ করলেন এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

পদত্যাগ করলেন এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর স্পিকারহাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম) কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে সংসদের স্পিকার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।

এর আগে, বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং। স্পিকারের কাছে আজ বৃহস্পতিবারই পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার (মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র) গুঁড়িয়ে দেয়ার ঘটনার পর মিষ্টির পদত্যাগের সম্ভাবনার বিষয়টি সামনে আসে।

ওইদিন মধ্যরাতে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সরকারি দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

এছাড়া মিষ্টির অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক ও অভিযোগ ছিল। তিনি ওয়ার্ড কাউন্সিলর থাকাকালে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, জমি দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ আছে।

এসব অভিযোগের কারণে তার রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্নও তৈরি হয়েছিল।

আবাসন খাতের সুরক্ষাই দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতার চাবিকাঠি: সংশ্লিষ্ট খাতের বিশিষ্টজনেরা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

আবাসন খাতের সুরক্ষাই দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতার চাবিকাঠি: সংশ্লিষ্ট খাতের বিশিষ্টজনেরা

 খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান। এই তিনটি হলো মানুষের মৌলিক চাহিদা। এর মধ্যে বাস স্থানের গুরুত্ব অপরিসীম। সব মানুষ সাধ্যের মধ্যে নিজের একটি আবাস গড়তে চায়। এই চাওয়াটা সবার জন্য সহজ নয়। তবে আবাসন কোম্পানিগুলো অনেকের জন্যই আবাসনকে নাগালের মধ্যে এনে দিয়েছে।


নানাবিধ কারণে আবাসন ক্রমেই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে হলে এই খাতকে ঝুঁকি মুক্ত করতে হবে। এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত শত শত সহযোগী শিল্প। এসব শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে আবাসন খাতের সুরক্ষা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। 


‘আবাসন খাত বাঁচলে বাঁচবে অন্য শিল্প’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, রিয়েল এস্টেট বা আবাসন খাত কেবল কংক্রিটের কোনো অবকাঠামো তৈরি বা একক কোনো ব্যবসা নয়; এটি জাতীয় অর্থনীতির বহু খাতের মূল চালিকাশক্তি।

​সম্প্রতি এ খাতের বর্তমান পরিস্থিতি, ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ এবং এর বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা জোরালো হয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার এবং উৎপাদনমুখী শিল্পগুলোর চাকা সচল রাখতে আবাসন খাতের অবদান অপরিসীম।

​লিংকেজ ইন্ডাস্ট্রি বা সহযোগী খাতের ওপর প্রভাব: ​রিয়েল এস্টেট খাতের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছে প্রায় আড়াইশ'র বেশি সহযোগী ও উপ-শিল্প। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—


​নির্মাণসামগ্রী: রড, সিমেন্ট, ইট, পাথর, বালি এবং সিরামিক বা টাইলস শিল্প।
​সাজসজ্জা ও ফিনিশিং: পেইন্টস বা রঙ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, গ্লাস ও অ্যালুমিনিয়াম শিল্প।
​ইলেকট্রিক্যাল ও স্যানিটারি: বৈদ্যুতিক তার, সুইচ-সকেট, লাইটিং, পাইপ ও স্যানিটারি ফিটিংস।
​বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবাসন খাতে কোনো কারণে মন্দা দেখা দিলে বা ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি কমে গেলে এর নেতিবাচক প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে পড়তে শুরু করে এই সহযোগী শিল্পগুলোতে। ফলস্বরূপ, কলকারখানার উৎপাদন কমে যায়, যা সামগ্রিক শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে স্থবিরতা ডেকে আনতে পারে।
​কর্মসংস্থান এবং জিডিপিতে অবদান
​কৃষি খাতের পর দেশের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার হিসেবে কাজ করে নির্মাণ ও আবাসন খাত। প্রকৌশলী, স্থপতি, প্রজেক্ট ম্যানেজার থেকে শুরু করে রাজমিস্ত্রি, রডমিস্ত্রি, ইলেকট্রিশিয়ান এবং হাজার হাজার সাধারণ শ্রমিকের রুটি-রুজি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই খাতের ওপর নির্ভরশীল। 
এই খাত থমকে গেলে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে, যা সামাজিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।


​সংকট উত্তরণে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রত্যাশা:


​বর্তমান বাজার পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে এবং খাতের টেকসই উন্নয়নে ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন—


​নীতিগত সহায়তা: দীর্ঘমেয়াদী ও ব্যবসাবান্ধব নীতি প্রণয়ন করা, যাতে বিনিয়োগকারীরা স্বস্তিতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন।
​সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা: ক্রেতা এবং ডেভেলপার উভয় পক্ষের জন্যই সহজ শর্তে এবং কম সুদে গৃহঋণ (Home Loan) বা তহবিল নিশ্চিত করা।
​সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (PPP): আবাসন খাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ আরও জোরদার করা।
​নির্মাণসামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণ: রড, সিমেন্টসহ মূল নির্মাণসামগ্রীর ঊর্ধ্বগতি রোধে কার্যকর বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা।
​সংশ্লিষ্টদের জোরালো প্রত্যাশা, সরকার ও নীতিনির্ধারক মহল বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে আবাসন খাতের প্রসারে সময়োপযোগী ও ব্যবসাবান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কারণ, একটি চাঙ্গা আবাসন খাত কেবল ফ্ল্যাট বা ভবনই তৈরি করে না, এটি পুরো জাতির অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও মজবুত ও গতিশীল করে তোলে।



প্রধানমন্ত্রী
তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১ মে, ২০২৬

তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৩১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

পোস্টে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও 'বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬' পালিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য 'প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি' অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে আমি মনে করি।

তামাকে বিদ্যমান নিকোটিন মারাত্মক আসক্তি সৃষ্টি করে বলে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিড়ি, সিগারেট, ই-সিগারেট, জর্দা, গুলসহ যেকোনো তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যের ব্যবহার হৃদরোগ, স্ট্রোক, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার এবং ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগসহ অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যের বরাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ % অসংক্রামক রোগে ঘটে, যার একটি প্রধান ঝুঁকির কারণ তামাক ও নিকোটিনের ব্যবহার। টোব্যাকো এটলাস ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর তামাকজনিত রোগে ১ লাখ ৯৯ হাজারের বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের গবেষণা অনুযায়ী, তামাক ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্যব্যয়, পরিবেশগত ক্ষতি ও উৎপাদনশীলতা হ্রাসসহ দেশের অর্থনীতিতে বার্ষিক ক্ষতির পরিমাণ ৮৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশু-কিশোরসহ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাংলাদেশ ২০০৩ সালে এফসিটিসি-তে স্বাক্ষর, ২০০৪ সালে অনুসমর্থন এবং ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে। এর ধারাবাহিকতায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনকে আরও শক্তিশালী করতে সংশোধন আনা হয়েছে।

তামাকের প্রলোভন থেকে শিশু-কিশোরদের সুরক্ষার লক্ষ্যে তামাকজাত দ্রব্যের সকল প্রকার বিজ্ঞাপন, প্রচারণা ও প্রমোশন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া, ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অ্যাপস, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, নাটক-সিনেমাসহ সব মাধ্যমেই তামাকের প্রচারণা নিষিদ্ধ। করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) আড়ালে তামাক কোম্পানির প্রচার-প্রচারণাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশু পার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ১৮ বছরের নিচে তামাক ও নিকোটিন পণ্য বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপান এবং ধোঁয়াবিহীন তামাক সেবন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শাস্তি ও জরিমানার পরিমাণও বৃদ্ধি করা হয়েছে। 

পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, নতুন বিধিবিধানের কার্যকর বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এখন সময়ের দাবি। জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে একটি সুস্থ, কর্মক্ষম ও তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আমি 'বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬' উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।