?> নভেম্বরের শেষের দিকে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

নভেম্বরের শেষের দিকে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

নভেম্বরের শেষের দিকে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে আগামী ২০ নভেম্বর থেকে মাসের শেষ নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আশা করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম। একই সঙ্গে বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা চলছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রোসাটমের গণমাধ্যম বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাশিয়া সফরকালে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এসব কথা জানান রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখাচেভ।

লিখাচেভ বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রত্যাশা প্রকল্পটি সম্প্রসারণের আগ্রহও তৈরি করেছে। এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের।

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে জানতে চাইলে লিখাচেভ বলেন, আগামী ২০ নভেম্বর থেকে মাসের শেষ নাগাদ উৎপাদন শুরু হতে পারে বলে তাঁরা আশা করছেন।

চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং শুরু করে রোসাটমের প্রকৌশল বিভাগ। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট চালুর প্রক্রিয়ায় এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

২০১১ সালে স্বাক্ষরিত আন্তসরকারি চুক্তির ভিত্তিতে রোসাটম বাংলাদেশে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। কেন্দ্রটিতে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন শুরু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।

এর আগে লিখাচেভ জানিয়েছিলেন, আগামী বছর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে চালুকরণ কার্যক্রম শুরুর প্রত্যাশা করছে রোসাটম।

এদিকে রোসাটমের অন্যান্য প্রস্তাবের প্রতিও বাংলাদেশের আগ্রহ রয়েছে বলে জানান লিখাচেভ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য সম্ভাব্য প্রস্তাব সম্পর্কেও জানতে চেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ছোট আকারের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। অন্যান্য দেশের জন্য রোসাটমের সমন্বিত প্রস্তাবের মধ্যেও এসব প্রযুক্তি রয়েছে।

জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৪

জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। তার নাম অর্ক। সে জয়পুরহাট সদর উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের শয়ন মন্ডলের মেয়ে।

জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  হুমায়ূন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি হুমায়ূন কবির জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অর্ক নিজ বাড়ির বারান্দায় খেলাধুলা করছিল। তখন পূজা দেওয়ার সন্ধ্যাবাতির আগুন লেগে দগ্ধ হয় অর্ক। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে মারা যায় শিশুটি। তার মরদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুতে পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে


জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী ভাষণে জাতিসংঘের কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনা, নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি সংস্কার এবং বৈশ্বিক আস্থা পুনর্গঠনের ওপর জোর দিয়েছেন সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।চলতি অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘আস্থা পুনরুদ্ধার, রূপান্তর ব্যবস্থাপনা: সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ’।

নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামোগত বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক সদস্যগোষ্ঠী এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান অংশীদার হওয়া সত্ত্বেও আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিষদে কোনো স্থায়ী আসন নেই।

আফ্রিকাকে জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আফ্রিকার প্রতিনিধিত্বের দাবি কোনো করুণা নয়, বরং এটি ন্যায়বিচার ও জাতিসংঘের গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন।

নিরাপত্তা পরিষদকে আরও স্বচ্ছ, প্রতিনিধিত্বশীল এবং বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার ওপর গুরুত্ব দেন সাধারণ পরিষদের সভাপতি। এ ক্ষেত্রে সাধারণ পরিষদের আন্তঃসরকারি আলোচনা প্রক্রিয়ার প্রতিও সমর্থন জানান তিনি।

বৈশ্বিক আস্থা পুনর্গঠনে তিনটি কৌশলের কথা তুলে ধরেন খলিলুর রহমান। এর মধ্যে রয়েছে নিজেদের ব্যর্থতা সম্পর্কে স্পষ্টবাদী ও বাস্তববাদী হওয়া, সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সুশীল সমাজ ও বিজ্ঞানীদের আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করা।

বিশ্বব্যাপী বৈষম্য ও সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অগ্রগতি যখন থমকে আছে, তখন ওইসিডি দেশগুলোর উন্নয়ন সহায়তা এক বছরে ২৩ শতাংশ কমে ১৭৫ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। বিপরীতে বিশ্বব্যাপী সামরিক ব্যয় বেড়ে প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

গাজা, সুদান, ইউক্রেন, মিয়ানমার ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার নীতি কখনোই নির্বাচনী বা পক্ষপাতমূলকভাবে প্রয়োগ করা উচিত নয়।

এ সময় বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির এবং হাইতিতে জাতিসংঘের মানবিক কার্যক্রমের ইতিবাচক ভূমিকার উদাহরণও তুলে ধরেন তিনি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার নিয়েও সতর্ক করেন সাধারণ পরিষদের সভাপতি। জল সরবরাহ, বিদ্যুৎ ও সামরিক খাতের মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে এআইয়ের অপব্যবহার মানব সভ্যতার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এআইভিত্তিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা ঠেকাতে বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করে দ্রুত প্রমাণভিত্তিক বৈশ্বিক নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো বা ‘গার্ডরেল’ তৈরির আহ্বান জানান খলিলুর রহমান।


নিউইয়র্কে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিউইয়র্কে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স সাবাহ আল-খালিদ আল-সাবাহ-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে কুয়েতের স্থায়ী মিশনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি দুই দেশের সম্পর্কের বিকাশ ও পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের সময় থেকে বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার যে ভিত্তি গড়ে উঠেছে, তা সময়ের সঙ্গে আরও বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণে এই ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।


বৈঠকে দুই দেশের শ্রমশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন দুই নেতা।

এ সময় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নিয়মিত যোগাযোগ, সহযোগিতা ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও কুয়েতের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে উভয় নেতা বাংলাদেশ ও কুয়েতের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণে বিদ্যমান সহযোগিতাকে আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।