?> নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া সেই জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া সেই জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া সেই জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার

নাটোর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডারের ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে নাটোর শহরের কাপড়িয়া পট্টি এলাকার একটি কাপড়ের দোকান থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়। নাটোর সদর মডেল থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাপড়িয়া পট্টি এলাকার বাসিন্দা অমল কুমার সাহা তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনে নওগাঁ যাওয়ার সময় ট্রেনের আসনের নিচে ল্যাপটপটি পান। পরে তিনি তার ছেলে অন্তর কুমার সাহার সঙ্গে আলোচনা করে পুলিশকে খবর দেন। অন্তর কুমার সাহা জার্মান পর্যটক ক্রিলের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন।

ল্যাপটপ উদ্ধারের খবরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে গণমাধ্যমকে ক্রিল বলেন, ‘অবশেষে আমার ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে। আমি খুব খুশি। রোববার রাতেই আমার ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এখন ভাবছি কালকে ল্যাপটপ নিয়ে তারপর যাব।’

এর আগে গত ৭ অক্টোবর বগুড়ার বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সান্তাহার হয়ে ট্রেনে নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে আসেন জার্মান নাগরিক ক্রিল ল্যান্ডার। এ সময় হলুদ ভেস্ট পরা এক যুবক নিজেকে রেলকর্মী পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন।

একপর্যায়ে ক্রিল এটিএম থেকে টাকা তুলতে যাওয়ার আগে নিজের ব্যাগটি ওই যুবকের কাছে রেখে যান। ফিরে এসে তিনি ব্যাগসহ ওই যুবককে আর খুঁজে পাননি। ব্যাগটিতে একটি ল্যাপটপ, ক্যামেরাসহ বেশ কিছু মূল্যবান জিনিস ছিল।

পুলিশ জানায়, ঘটনার খবর পেয়ে বুধবার রাতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করা হয়। ফুটেজে দেখা যায়, হলুদ রঙের কটি পরা এক যুবক কৌশলে ক্রিলের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন। পরে সুযোগ বুঝে নিজের কটি খুলে চুরি করা ব্যাগটি তার ভেতরে লুকিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

মন্ত্রিসভার কাউকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

মন্ত্রিসভার কাউকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল

মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলার বৈধ ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো রুহুল কুদ্দুস কাজল। 

সোমবার (১৯ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। 

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ভূমিকা রয়েছে। এ কারণে কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতাও প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে। 

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীর পদে থাকা এবং পদত্যাগের বিষয়ে বিধান রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা দায়িত্ব পালন বন্ধ করলে অন্য মন্ত্রীদেরও পদত্যাগ করতে হয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগের অনুরোধ জানালে এবং ওই মন্ত্রী তা না করলে রাষ্ট্রপতি তাকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।


আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসি, তিনজনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল, ২০২৬

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসি, তিনজনের যাবজ্জীবন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায়ে অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—পুলিশের সাবেক সহকারী কমিশনার মো. আরিফুজ্জামান, সাবেক পরিদর্শক (নিরস্ত্র) রবিউল ইসলাম ও সাবেক উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) বিভূতিভূষণ রায়।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৩০ আসামির মধ্যে ৬ জন গ্রেফতার আছেন। তারা হলেন—বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সাবেক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ এ মামলার ২৪ আসামি বর্তমানে পলাতক। তাদের মধ্যে রয়েছেন—রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান, সাবেক সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মন্ডল।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। তাকে হত্যার ভিডিও সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি করে। ভিডিওতে দেখা যায়, আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে আছেন আর পুলিশ তার বুকে একের পর এক গুলি করছে। এ হত্যাকাণ্ড আন্দোলনকে বেগবান করে।


বিএনপির ১১ জনের কারাদণ্ড গুলশান থানার মামলায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

বিএনপির ১১ জনের কারাদণ্ড গুলশান থানার মামলায়

বার্তাবেলা: পাঁচ বছর আগে গুলশান থানায় করা নাশকতার মামলায় বিএনপির ১১ নেতাকর্মীকে পৃথক তিন ধারায় সাড়ে চার বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারায় ৬ মাস, ১৪৭ ও ৪২৭ ধারায় দুই বছর করে চার বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক। সকল ধারার সাজা একইসাথে চলবে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়। ফলে আসামিদের দুই বছর কারাভোগ করতে হবে।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. মামুন চৌধুরী, বিল্লাল হোসেন, অসীম ওরফে অসীম আকরাম, নুরুল ওরফে নূর হোসেন, মো. শরীফ উদ্দিন ওরফে মামুন, আমিনুল ইসলাম, অহিদুল ইসলাম শাহীন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. সিদ্দিকুর রহমান প্রান্ত, জয়নাল, মীর মোহাম্মদ স্বপন। তারা সবাই বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী-সমর্থক।

রায় ঘোষণার সময় আসামিদের মধ্যে অসীম ওরফে অসীম আকরাম ও মো. শরীফ উদ্দিন ওরফে মামুন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণা শেষে তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর অবরোধের সমর্থনে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঢাকার গুলশান এলাকায় বেআইনিভাবে জনতাবদ্ধ হন। তারা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্য ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে বলে মামলায় অভিযোগ করে পুলিশ। এ ঘটনার দিন ২৩ অক্টোবর পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় পুলিশ।