?> মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা বর্তমান সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দৃশ্যত স্বাস্থ্যবান অথবা নীরোগ থাকাটাই স্বাস্থ্য নয়; বরং শারীরিক, মানসিক, আত্মিক ও সামাজিকভাবে ভালো থাকার নামই স্বাস্থ্য। সুতরাং, কোনোভাবেই মানসিক স্বাস্থ্যকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’-এ মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের নিজস্ব অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সারাবিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হবে।

তারেক রহমান বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য কেবল চিকিৎসার বিষয় নয়, এটি মানুষের মর্যাদা, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সামগ্রিক কল্যাণের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। কাউকে তার মানসিক সমস্যার জন্য অবহেলা বা বিচ্ছিন্ন না করে তার কথা শুনতে হবে, পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার পথ সহজ করতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার মধ্য দিয়ে জীবনযাপনকারীদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতিকে গুরুত্ব দিয়ে শোনা এবং সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করা প্রকৃত পরিবর্তনের পূর্বশর্ত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানুষের মানসিক প্রশান্তি, সামাজিক নিরাপত্তা ও জীবনমানের উন্নয়নও সমান গুরুত্ব পাবে। এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিকে ধারণ করে মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পর্যায়ে সেবার পরিধি বাড়ানো, দক্ষ জনবল তৈরি, কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কাউন্সেলিং সেবা সম্প্রসারণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে মানসিক স্বাস্থ্য বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় ভুগলেও সামাজিক সংকোচ, সচেতনতার অভাব, সেবার সীমিত সুযোগ এবং প্রয়োজনীয় জনবলের ঘাটতির কারণে অনেকে যথাযথ চিকিৎসা ও সহায়তা থেকে বঞ্চিত হন। এ কারণে সরকার মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা, গুণগত মান ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রান্তিক মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সমন্বিত রেফারেল ব্যবস্থা এবং টেলি-কাউন্সেলিং সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত চিকিৎসকদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় প্রশিক্ষণ, সরকারি হাসপাতালগুলোতে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিপুলসংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মীকে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গর্ভবতী মায়েদের মানসিক স্বাস্থ্য, শিশু-কিশোরদের মানসিক সুস্থতা এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকেও সরকার যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তরিকতার সঙ্গে মনোযোগ দিয়ে মানুষের কথা শুনতে হবে, সহমর্মিতার সঙ্গে পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকতে হবে। একই সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি।

তিনি বলেন, সরকার, স্বাস্থ্য পেশাজীবী, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন একটি সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব, যেখানে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে কেউ সংকোচ বোধ করবে না, সহায়তা চাইতে কেউ লজ্জিত হবে না কিংবা নিজেকে একা বা অবহেলিত মনে করবে না। সরকার এমন একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে প্রতিটি মানুষ মর্যাদা, আশা ও সম্ভাবনা নিয়ে সুস্থ ও অর্থবহ জীবনযাপনের সুযোগ পাবে।

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের ও বিশ্বের সব মানুষের সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন এবং দিবসটির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচদিনের ছুটি পাচ্ছে দেশ। ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিনদিন ছুটি ঘোষণা করে বুধবার (৭ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এরপর থাকছে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি।

পূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির মাঝখানের কর্মদিবস ২২ অক্টোবরও (বৃহস্পতিবার) ছুটি ঘোষণা করায় টানা পাঁচদিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এর আগে ১৭ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা থাকবে।

গত সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটির তারিখ পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে এবং ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি রয়েছে। ২২ অক্টোবর অফিস খোলা ছিল। ওইদিনও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা প্রস্তাব অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। ফলে এই তিনদিনের পূজার ছুটির পর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা পাঁচদিনের ছুটির উপভোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ছুটি ঘোষণার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর যথাক্রমে মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ছুটি থাকবে। আগামী ১৭ অক্টোবর শনিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসসমূহ খোলা থাকবে।

এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচদিন ছুটি কাটানো যাবে।
ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন যারা

১) জরুরি পরিষেবা যেমন- বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

২) হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

৩) চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মীরা এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মীরা এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

৪) জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিস এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

৫) ব্যাংক কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

৬) বেসরকারি খাতের শিল্পপ্রতিষ্ঠান/কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণার ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।


জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী ভাষণে জাতিসংঘের কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনা, নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি সংস্কার এবং বৈশ্বিক আস্থা পুনর্গঠনের ওপর জোর দিয়েছেন সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।চলতি অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘আস্থা পুনরুদ্ধার, রূপান্তর ব্যবস্থাপনা: সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ’।

নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামোগত বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক সদস্যগোষ্ঠী এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান অংশীদার হওয়া সত্ত্বেও আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিষদে কোনো স্থায়ী আসন নেই।

আফ্রিকাকে জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আফ্রিকার প্রতিনিধিত্বের দাবি কোনো করুণা নয়, বরং এটি ন্যায়বিচার ও জাতিসংঘের গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন।

নিরাপত্তা পরিষদকে আরও স্বচ্ছ, প্রতিনিধিত্বশীল এবং বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার ওপর গুরুত্ব দেন সাধারণ পরিষদের সভাপতি। এ ক্ষেত্রে সাধারণ পরিষদের আন্তঃসরকারি আলোচনা প্রক্রিয়ার প্রতিও সমর্থন জানান তিনি।

বৈশ্বিক আস্থা পুনর্গঠনে তিনটি কৌশলের কথা তুলে ধরেন খলিলুর রহমান। এর মধ্যে রয়েছে নিজেদের ব্যর্থতা সম্পর্কে স্পষ্টবাদী ও বাস্তববাদী হওয়া, সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সুশীল সমাজ ও বিজ্ঞানীদের আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করা।

বিশ্বব্যাপী বৈষম্য ও সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অগ্রগতি যখন থমকে আছে, তখন ওইসিডি দেশগুলোর উন্নয়ন সহায়তা এক বছরে ২৩ শতাংশ কমে ১৭৫ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। বিপরীতে বিশ্বব্যাপী সামরিক ব্যয় বেড়ে প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

গাজা, সুদান, ইউক্রেন, মিয়ানমার ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার নীতি কখনোই নির্বাচনী বা পক্ষপাতমূলকভাবে প্রয়োগ করা উচিত নয়।

এ সময় বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির এবং হাইতিতে জাতিসংঘের মানবিক কার্যক্রমের ইতিবাচক ভূমিকার উদাহরণও তুলে ধরেন তিনি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার নিয়েও সতর্ক করেন সাধারণ পরিষদের সভাপতি। জল সরবরাহ, বিদ্যুৎ ও সামরিক খাতের মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে এআইয়ের অপব্যবহার মানব সভ্যতার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এআইভিত্তিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা ঠেকাতে বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করে দ্রুত প্রমাণভিত্তিক বৈশ্বিক নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো বা ‘গার্ডরেল’ তৈরির আহ্বান জানান খলিলুর রহমান।


স্থানীয় সরকার নির্বাচন
স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব শিগগিরই: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব শিগগিরই: প্রতিমন্ত্রী

দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, বাজেটে নির্বাচনের বরাদ্দ আসার পর জুলাই-আগস্ট থেকে কোন নির্বাচন কবে হবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া  হবে।  

মঙ্গরবার (২ জুন) সকালে রাজধানীর গুলশান, বনানী ও হাতিরঝিল লেক পরিদর্শন শেষে তিনি এ সব কথা বলেন তিনি। 

মীর শাহে আলম আরও বলেন, দুই সিটিতে জনপ্রতিনিধি না থাকায় কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। তবে প্রশাসক নিয়োগের পর এখন কিছুটা কাজের গতি বেড়েছে। 

কাজে গাফিরতির অভিযোগে গতকাল দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়াকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। 

এর আগে, দুই সিটির দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়।