?> ক্যাটরিনা-ভিকি'র সুইমিংপুলে অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল নেট দুনিয়ায় | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

ক্যাটরিনা-ভিকি'র সুইমিংপুলে অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল নেট দুনিয়ায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩

ক্যাটরিনা-ভিকি'র সুইমিংপুলে অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল নেট দুনিয়ায়

বার্তাবেলা: বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। ভিকি কৌশলের সঙ্গে গত বছরের ডিসেম্বরে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। বিয়ের পরে দুজনেই তাদের ছবি এবং পোস্ট শেয়ার করেন সামাজিক মিডিয়ায়। দুজনেই বেশ সক্রিয়।

সম্প্রতি তাদের একটি অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল হয়েছে। নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে সেই ছবি। যেখানে দুজনকে দেখা গেছে সুইমিংপুলে আলিঙ্গন করে আছেন।

ক্যাটরিনা কাইফ ইনস্টাগ্রামে নিজেই একটি সুইমিংপুলে ভিকিকে জড়িয়ে ধরার ছবি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমি এবং আমার....’

ছবিটি শেয়ার দিতেই ভক্তদের মন্তব্যে ভাসছেন তারা। কেউ কেউ ফেভিকলের সঙ্গে তুলনা করেছেন তাদের।

এদিকে ক্যাটরিনা কাইফ বিজয় সেতুপতির সঙ্গে ‘মেরি ক্রিসমাস’, সালমান খানের সঙ্গে ‘টাইগার ৩’ এবং ‘ফোন ভূত’ সিনেমার কাজে ব্যস্ত।

অন্যদিকে ভিকি কৌশলের হাতে ‘স্যাম বাহাদুর’, ‘গোবিন্দ নাম মেরা’ এবং সারা আলি খানের সঙ্গে ‘রোম কম’ সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত আছেন।


এআই দিয়ে মিথ্যা কন্টেন্ট যে বানায়, আর যারা শেয়ার করে সবাই অপরাধী: মেহজাবীন চৌধুরী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

এআই দিয়ে মিথ্যা কন্টেন্ট যে বানায়, আর যারা শেয়ার করে সবাই অপরাধী: মেহজাবীন চৌধুরী

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি এবং তাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়াকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। একই সঙ্গে এ ধরনের কনটেন্ট ছড়িয়ে দিতে স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এসব কথা বলেন মেহজাবীন চৌধুরী।

পোস্টে তিনি লেখেন, এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদন নয়। এটি একটি অপরাধ। কিন্তু যখন একই কনটেন্ট শত শত কিংবা হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করতে থাকে, তখন বিষয়টি শুধু একজন ব্যক্তির অপরাধের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি আরও বড় একটি সামাজিক সমস্যার চিত্র তুলে ধরে। তখন প্রশ্ন জাগে, সমাজ হিসেবে আমরা আসলে কোন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছি?

মেহজাবীন লেখেন, এই পর্যায়ে এসে সেই পুরোনো কথাটাও আর বলতে ইচ্ছে করে না যে, একবার ভাবুন তো, এমনটা যদি আপনার মা কিংবা বোনের সঙ্গে ঘটত!কারণ কাউকে মানুষ হিসেবে সম্মান করতে, তাকে আমাদের পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন?

তিনি আরও লেখেন, কিছু ভিউ, কিছু লাইক, কিছু শেয়ার, ট্রেন্ডিংয়ে থাকা, হয়তো সেখান থেকে কয়েকটা ডলার আয়। আমি বুঝি, মানুষের জীবনে সংগ্রাম আছে। অনেকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করাই এখন জীবিকা নির্বাহের একটি উপায়। সেই বাস্তবতাকে আমি অস্বীকার করতে চাই না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কবে থেকে অন্য একজন মানুষের অপমান আর অসম্মান আমাদের উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠল?

বিষয়টি কেবল নারী কিংবা পুরুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই উল্লেখ করে এই অভিনেত্রী লেখেন, আর বিষয়টা এখন শুধু নারী কিংবা পুরুষের মধ্যেও সীমাবদ্ধ নেই। ভিউ, এনগেজমেন্ট আর ট্রেন্ডিংয়ের এই প্রতিযোগিতা এখন লিঙ্গের সীমারেখাও ছাড়িয়ে গেছে। ক্ষতিকর কিছু ছড়িয়ে দেওয়ার অংশ হতে পারে যে কেউ, আবার এর শিকারও হতে পারে যে কেউ।

মেহজাবীন আরও লেখেন, আমাকে সবচেয়ে বেশি ভাবায় শুধু সেই মানুষটি নয়, যে এমন কিছু তৈরি করছে। বরং সেই অসংখ্য মানুষ, যারা স্বেচ্ছায় সেটি শেয়ার করছে, আলোচনা করছে এবং আরও হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। একজন অপরাধীর অপরাধে অংশ নিয়ে নিজের বিবেকহীনতার পরিচয় দেবেন কি না, ভেবে দেখতে পারেন ।


‘অ্যানিমেল’–এর রণবীরের মতো পুরুষকে আপনি কি ভালোবাসবেন?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

‘অ্যানিমেল’–এর রণবীরের মতো পুরুষকে আপনি কি ভালোবাসবেন?

বার্তাবেলা: এক নারী অন্তঃসত্ত্বা। তার প্রসববেদনা শুরু হয়েছে। এমন সময়ে মাথায় পিস্তল ধরে আছেন রণবীর কাপুর। তিনি ‘অ্যানিমেল’ সিনেমার ‘হিরো’!

একের পর এক রেকর্ড ভেঙে বলিউডের বক্স অফিস দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সন্দীপ রেড্ডি ভাংগা পরিচালিত ও রণবীর কাপুর অভিনীত ছবি ‘অ্যানিমেল’। সিনেমাটি বাংলাদেশের দর্শকও দেখছেন সিনেমা হলে। মধ্যপ্রাচ্যে ‘অ্যানিমেল’ সিনেমার যে সংস্করণ চলছে, বাংলাদেশেও সেই সংস্করণ সেন্সর পেয়েছে। ‘অ্যানিমেল’ সিনেমায় রণবীর কাপুরের চরিত্রের নাম ‘রণবিজয় সিং’। তিনি সিনেমার নায়ক। এখন আলোচনার বিষয় হলো, রণবীর ‘অ্যানিমেল’ সিনেমায় যে ধরনের পুরুষের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, সে ধরনের পুরুষকে কি কোনো নারীর ভালোবাসা উচিত?

স্ত্রীর গলা চেপে ধরে, অকারণ নির্মম ও নৃশংসভাবে মানুষকে হত্যা করে—এই হলো হিরোর চরিত্র বিজয়! সিনেমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত রাগী, ইচ্ছেমতো যৌনাচারে লিপ্ত, বিধ্বংসী, নারীবিদ্বেষী একটা চরিত্র। নারীবিদ্বেষকে দেখানো হচ্ছে ‘আলফা মেল’ চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে। ২০২৩ সালে দাঁড়িয়ে এমন চরিত্রকে ‘পৌরুষের অধিকারী’ হিসেবে দেখানো হচ্ছে, যার মধ্যে মানবিকতাবোধ এবং স্বাভাবিক মানুষের যেসব বৈশিষ্ট্য থাকা উচিত, সেসবের ছিটেফোঁটাও নেই। এ যেন আধুনিক যুগে দাঁড়িয়ে আদিমকালে ফিরে যাওয়া। অনেকেই ফেসবুকে স্ট্যাটাসে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘এটা কি আদিকাল? আমরা কি জঙ্গলে বাস করি? উগ্র পুরুষতান্ত্রিক পুরুষ দর্শককে খুশি করে জঘন্যভাবে টাকা উপার্জনের সস্তা রাস্তা!’

সন্দ্বীপ রেড্ডি ভাংগা যখন বিজয় দেবরাকোন্ডা অভিনীত ‘অর্জুন রেড্ডি’ সিনেমার জন্য সমালোচিত হয়েছিলেন, তাঁর পুরুষ চরিত্রকে বলা হয়েছিল ‘ভায়োলেন্ট’, তখন তিনি বিনোদন সাংবাদিক অনুপমা চোপড়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘ওরা (সমালোচনাকারীরা) ভায়োলেন্সের দেখেছে কী? পরের সিনেমায় আমি দেখাব, “ভায়োলেন্ট পুরুষ” কাকে বলে।’ সেটাই ঘটল। 

‘অ্যানিমেল’ সিনেমার মতো পুরুষতান্ত্রিক দুনিয়ার সিনেমা যেভাবে শারীরিকভাবে শক্তিশালী, অত্যন্ত রাগী, সহিংস, একরোখা, নিয়ন্ত্রণহীন চরিত্রগুলোকে নায়ক হিসেবে তুলে ধরে হাততালি কুড়াচ্ছে, সমাজে তা পৌরুষত্ব সম্পর্কে ভুল বার্তা দিচ্ছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকে। 

একটি ভাইরাল ফেসবুক স্ট্যাটাসে রণবীরের সিনেমার সঙ্গে বাঙালি সংগীত তারকা অনুপম রায়ের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুপমের নানা পোস্ট, ছবি, ক্যাপশন, ভিডিও ও সাক্ষাৎকারে প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে বন্ধুর সঙ্গে প্রাক্তন স্ত্রীর বিয়ের বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারছেন না, তিনি ভালো নেই। তখন তাঁকে একপক্ষ অভিযুক্ত করছে এই বলে যে ‘অনুপম তো ম্যানলি না’। 

অনেকেই বলছেন, এর পেছনে রণবীরের এই চরিত্রটির মতো বলিউডের সিনেমার এই ধরনের ‘লার্জার দ্যান লাইফ’, ‘রাফ অ্যান্ড টাফ’ পুরুষ চরিত্রগুলোরও দায় রয়েছে।জ্বলন্ত সিগারেটও হয়ে উঠেছে পৌরুষের প্রতীক! হৃৎপিণ্ডে অস্ত্রোপচারের পরও গির্জার ভেতর বিজয়ের হাতে সিগারেট! যেন নিয়মকানুন, মানবিকতা, স্বাভাবিকতার কোনো বালাই–ই নেই।

সিনেমায় নারী চরিত্রগুলোকে অতিথি চরিত্র বললেও ভুল হবে না। পুরুষময় একটা চলচ্চিত্র, যেখানে কোনো পুরুষই আবার ‘স্বাভাবিক’ নয়। বাড়াবাড়ির চূড়ান্ত। শাহরুখ খানের ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলছেন, ‘শাহরুখ খান রণবীর কাপুরের চেয়ে অনেক বড় মাপের অভিনেতা, কেননা, তাঁকে কোনো দিন মুখে নারীদের সম্মানের কথা বলে চূড়ান্ত নারীবিদ্বেষী সিনেমায় অভিনয় করে ক্যারিয়ার গড়তে হয়নি। এগুলো স্রেফ ভণ্ডামি!’

আদিমকালে মানুষ অনেকটা নগ্ন হয়ে বনজঙ্গলে শিকার করে বেড়াত। তাদের ভেতর পেশিশক্তিতে যে এগিয়ে থাকত, সে হতো ‘আলফা মেল’। নারীরা তাঁর সঙ্গে সন্তান উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিত। এই ধারণায় নৈতিকতা বা মৌলিক মানবিকতার কোনো স্থান নেই। সভ্যতা শুরুর আগের সেই ধারণাই ধার করা হয়েছে বিজয়ের চরিত্রায়নে। দুর্বল স্টোরিটেলিং ঢাকা হয়েছে মাত্রাতিরিক্ত সহিংসতা, বিরক্তিকর আর প্রাপ্তবয়স্ক সব দৃশ্য দিয়ে। 

অথচ নেতৃত্বগুণের সঙ্গে পেশির সম্পর্ক নেই, সম্পর্ক মেধার ও মননের। যাঁর মানবিক গুণাবলি কর্মের ভেতর দিয়ে অন্য সবাইকে ছাড়িয়ে যায়, তিনিই হন মহানায়ক। একজন নারীর আদর্শ জীবনসঙ্গী তিনিই, যিনি তাঁর সেরা বন্ধু, গল্প করার মানুষ, আবেগীয় নির্ভরতার পরম জায়গা, যিনি আপনাকে প্রতিনিয়ত আপনার ‘সেরা ভার্সন’ হয়ে উঠতে অনুপ্রাণিত করেন, যিনি ক্ষমা করতে জানেন, দুঃসময়টা যাঁর কাঁধে ভর করে সহজে পার করে ফেলা যায়। কিন্তু সুস্থ–স্বাভাবিক সম্পর্কের জন্য রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিমেল’ সিনেমায় দেখানো পুরুষেরা ‘বিগ নো’, ‘রেড ফ্ল্যাগ’।

সিনেপ্লেক্স থেকে ‘অ্যানিমেল’ দেখা বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এক নারী দর্শকের কাছে জানতে চাওয়া হয়, এই সিনেমায় রণবীর কাপুরের মতো পুরুষ চরিত্রকে তিনি সঙ্গী হিসেবে চান কি না। তিনি বলেন, ‘প্রশ্নই আসে না। ও তো আসলে অসুস্থ। ছোটবেলায় বাবার ভালোবাসা, মনোযোগ, যত্ন কিছুই না পাওয়ার ফলে মানসিকভাবে বিগড়ে যাওয়া ভয়ংকর একটা চরিত্র। তার বেড়ে ওঠাটা যদি ঠিকভাবে হতো বা ট্রমাগুলো সারিয়ে তোলার জন্য যদি ঠিকভাবে মানসিক চিকিৎসা করা হতো, তাহলে হয়তো চরিত্রটা এমন হতো না। আমার মনে হয় এই সিনেমার পরিচালকও “অ্যানিমেল” সিনেমায় দেখানো পুরুষ চরিত্রের মতো মানসিকভাবে অসুস্থ। সিনেমায় নারীদের যেভাবে দেখানো হয়েছে, তা এই সময়ে দাঁড়িয়ে কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’

ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস ভাইরাল হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ‘আপনি যদি ভাবেন যে দুনিয়ায় আপনার স্বামীই সবচেয়ে খারাপ, তাহলে “অ্যানিমেল” দেখুন। ভালো লাগবে। মনে মনে শান্তি পাবেন।’


বিচ্ছেদের পর আবারও কি নতুন সংসার পাতার ইঙ্গিত সানিয়া মির্জার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বিচ্ছেদের পর আবারও কি নতুন সংসার পাতার ইঙ্গিত সানিয়া মির্জার

সমাজমাধ্যমে সানিয়ার একটি পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। শোয়েবের তৃতীয় বিয়ের খবর জানাজানি হওয়ার পর সানিয়া নিজের এত উচ্ছ্বল ছবি পোস্ট করেননি। জল্পনায় ইন্ধন দিচ্ছে সঙ্গের লেখা।

কেমন আছেন সানিয়া মির্জ়া? শোয়েব মালিকের তৃতীয় বিয়ের পর থেকে এটাই বড় প্রশ্ন ক্রীড়াপ্রেমীদের। ভারত-পাকিস্তান দু’দেশের ক্রীড়াপ্রেমীদেরই আগ্রহের কেন্দ্রে টেনিস তারকা। এর মধ্যেই সমাজমাধ্যমে তাঁর একটি পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।

পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়কের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ছেলে ইজহানকে নিয়ে ভারতে ফিরে এসেছেন সানিয়া। গত সপ্তাহ পর্যন্ত ব্যস্ত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ধারাভাষ্যের কাজে। কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, বাবার নতুন বিয়ের কথা শুনে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত ই‌জহান। কিন্তু তিনি কেমন আছেন?

সমাজমাধ্যমে সানিয়ার একটি পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। সিল্কের গোলাপি একটি শার্ট এবং ক্রিম ট্রাউজার্স পরে নিজের একটি সহাস্য ছবি দিয়েছেন সানিয়া। সঙ্গে যা লিখেছেন, তার অর্থ, ‘সব কিছুই সম্ভব’। সানিয়ার হাসিখুশি ছবি দেখে আশ্বস্ত তাঁর অনুরাগীরাও। পাকিস্তানের বহু ভক্ত সানিয়ার প্রশংসা করেছেন।

অনেকের ধারণা, সানিয়াও হয়তো আবার বিয়ে করবেন। নতুন সংসার পাতবেন কারও সঙ্গে। অনেকে তাঁর সাহসী পদক্ষেপকে কুর্নিশ করেছেন। এক জন বলেছেন, ‘‘আপনি ঠিক সেই কাজটাই করছেন, যেটা এক জন অসৎ মানুষের সঙ্গে করা উচিত।’’ আর এক জন আবার বলেছেন, ‘‘ঠিকই বলেছেন। চাইলে সব কিছুই সম্ভব।’’ সানিয়ার হাসিখুশি ছবিতে শুধু ভালবাসার ইমোজি দিয়েও পাশে থেকেছেন অনেকে।