?> কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলেও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মো. মুজিবুল হক মুজিব | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলেও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মো. মুজিবুল হক মুজিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলেও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মো. মুজিবুল হক মুজিব

বার্তাবেলা: ভোটের হাওয়া লেগেছে সারা দেশে। যার উত্তাপ ছড়াচ্ছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আসনভিত্তিক প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন হিসেব কষছে ক্ষমতাসীনরা। পিছিয়ে নেই বিরোধী দলগুলোও।

বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার কথা বললেও মাঠ পর্যায়ের নেতারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ভেতরে ভেতরে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনটি। এখানে এক সময়ে রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর আধিপত্য ছিল।

জামায়াতের বর্তমান কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ২০০১ সালে এখান থেকেই এমপি হয়েছিলেন। জামায়াত নেতা তাহের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম আসনটিতে সন্ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করেছিলেন বলে ওই এলাকার স্থানীয় মানুষের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। জামায়াতে আধিপত্যের এ ঘাটিতে চৌদ্দগ্রামে আওয়ামী লীগের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন বর্তমান এমপি সাবেক রেলপথমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মুজিবুল হক মুজিব।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর তিনি স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে মো. মুজিবুল হক মুজিব দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলেন।

মুজিবুল হক মুজিব স্কুলজীবনেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তিনি ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দেন। ছাত্র রাজনীতি শেষে তিনি যুবলীগে যোগদান করেন। 

স্বাধীনতার পরে কুমিল্লা জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন ছাড়াও তিনি কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি মূল সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন সময়ে নেতৃত্ব দেন। 

তিনি বর্তমানে কুমিল্লা (দ.) জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। 

তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি একই আসনে পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং বিপুল ভোটের ব্যবধানে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্য হিসেবে ৭ম সংসদের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮-২০০১ সালে তিনি মহান জাতীয় সংসদের হুইপ (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন) নিযুক্ত হন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তিনি ২৫৯ কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে পুনরায় বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে তিনি মহান জাতীয় সংসদের হুইপ (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন) নিযুক্ত হন।

২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে তার মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে মনোনীত করেন এবং তাকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। গত ২১ নভেম্বর ২০১৩ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে সর্বদলীয় সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত করেন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করেন। ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর, তিনি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এছাড়াও তিনি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সদস্য মনোনীত হন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুজিবুল হক কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) নির্বাচনী এলাকা থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ নিয়ে তিনি ৩ বার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাকে মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত করেন এবং পুনরায় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করেন। এ নিয়ে তিনি তিনবার মন্ত্রিসভার সদস্য হন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১১ আসন থেকে তিনি আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

আওয়ামী লীগের সময় উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টেছে জীবনমানও। এবারও এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুল হক মুজিব।

মুজিবুল হক বলেন, চৌদ্দগ্রাম আসনটিতে প্রধানমন্ত্রীর অবদানে আওয়ামী লীগের আমলে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, রাস্তাঘাট, পুল, কালভার্ট, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎসহ সব সেক্টরে উন্নয়ন হয়েছে। আমি এমপি হয়ে নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়েছি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনের ৮০ শতাংশেরও বেশি মানুষ নৌকায় ভোট দেবেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও পৌর মেয়র জিএম মীর হোসেন মীরু বলেন, মুজিবুল হক চৌদ্দগ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। উন্নয়নের স্বার্থে তিনিই পুনরায় বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। 

দোষ কি ভাগ্যের, নাকি ক্ষমতাসীনদের অদক্ষতার?
অভিশাপ নয়, পরিকল্পিত ‘পদ্ধতিগত হত্যা’!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ মে, ২০২৬

অভিশাপ নয়, পরিকল্পিত ‘পদ্ধতিগত হত্যা’!
মে ২০২৬। বাংলাদেশের বাতাস আজ শিশুদের কফিনের গন্ধে ভারী। হাম—যে রোগটিকে আমরা একসময় প্রায় নির্মূল হয়েছে বলে দাবি করেছিলাম—সেটিই আজ প্রতিশোধপরায়ণ ছায়ার মতো ফিরে এসে দেশের ঘরে ঘরে হানা দিচ্ছে। শত শত মায়ের কোলে আজ শূন্যতা, অসংখ্য পরিবার হারিয়েছে তাদের সন্তানকে। অথচ সমাজ ও প্রশাসনের একটি অংশ এই ভয়াবহ বিপর্যয়কে “আল্লাহর গজব” বা “ঈমানের পরীক্ষা” বলে চালিয়ে দিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। বিজ্ঞানের এই যুগে এমন ধোঁয়াশা কেবল অমানবিকই নয়, অপরাধও বটে। বাস্তবতা হচ্ছে—এই মৃত্যুমিছিল কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়; এটি চরম প্রশাসনিক ব্যর্থতা, আমলাতান্ত্রিক অদূরদর্শিতা এবং ভয়াবহ পদ্ধতিগত বিপর্যয়ের সরাসরি ফল।

এই সংকটের বীজ বপন করা হয়েছিল ২০২৪ ও ২০২৫ সালের প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার সময়ে। যখন দেশে বৃহৎ পরিসরে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি চালুর কথা ছিল, তখন নীতিনির্ধারকেরা ব্যস্ত ছিলেন তথাকথিত ‘সংস্কার’ ও ‘স্বচ্ছতার’ বুলি আওড়াতে। বহু বছর ধরে সফলভাবে চলা ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ ব্যবস্থাকে হঠাৎ করেই ‘ওপেন টেন্ডার’-এর নামে স্থগিত করা হয়। জীবনরক্ষাকারী টিকা নিয়ে এই আমলাতান্ত্রিক পরীক্ষানিরীক্ষার ফলে ছয় মাসেরও বেশি সময় আমদানি কার্যত বন্ধ ছিল। এটি কেবল নীতিগত ভুল নয়; এটি ছিল একটি পদ্ধতিগত অপরাধ। সরবরাহ ব্যবস্থার সেই ছয় মাসের শূন্যতাই আজ আমাদের শিশুদের সম্পূর্ণ অরক্ষিত করে দিয়েছে।

দুঃখজনকভাবে, ওই সময় রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বাজেট পুনর্বিন্যাসের অজুহাতে একের পর এক গণটিকাদান কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়। ‘মিতব্যয়িতা’র নামে জীবনরক্ষাকারী টিকাখাতে বরাদ্দ কমিয়ে ফেলা হয়। যখন মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের ন্যায্য দাবিতে আন্দোলন করছিলেন, তখন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসা কর্মকর্তারা রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। তারা ভুলে গিয়েছিলেন—টিকার বিলম্ব মানেই মৃত্যুর ঝুঁকি। ফলাফল হিসেবে প্রান্তিক ও দুর্গম অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক শিশু কোনো ধরনের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ছাড়াই বেড়ে উঠেছে। এখন যখন সংক্রমণ চূড়ায় পৌঁছেছে, তখন আমরা দেখছি—জেলা হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ নেই, ভেন্টিলেটর থাকলেও চালানোর লোক নেই, আর অক্সিজেনের অভাবে শিশুরা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে।

আজ মৃতের সংখ্যা ৫০০ এর অধিক । এই সংখ্যা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়; প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে একটি পরিবার, একটি স্বপ্ন, একটি ভবিষ্যৎ। প্রশ্ন হচ্ছে—যেসব আমলা মাসের পর মাস ফাইল আটকে রেখেছিলেন, তারা কি এই মৃত্যুর দায় নেবেন? যারা ‘বাজার প্রতিযোগিতা’র নামে বৈশ্বিক টিকা সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছিলেন, তারা কি জবাবদিহির মুখোমুখি হবেন? এটা এখন স্পষ্ট—অযোগ্য মানুষের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা গেলে তার মূল্য সাধারণ মানুষকে রক্ত দিয়ে পরিশোধ করতে হয়। এটি কোনো প্রাকৃতিক মহামারি নয়; এটি মানুষের তৈরি বিপর্যয়—যাকে যথার্থভাবেই বলা যায় ‘প্রশাসনিক হত্যা’।

তদন্ত কমিটি গঠন কিংবা জরুরি তহবিল ঘোষণায় মৃত শিশুরা আর ফিরে আসবে না। এখন সময় পূর্ণাঙ্গ জবাবদিহির। যারা সংস্কারের নামে শিশুদের জীবন নিয়ে রুশিয়ান রুলেট খেলেছে, তাদের বিচারের আওতায় আনতেই হবে। উন্নয়নের যত গল্পই শোনানো হোক না কেন, এই লাশের পাহাড় কোনোভাবেই আড়াল করা যাবে না। আমরা এমন একটি রাষ্ট্র চাই না, যেখানে আমলাতন্ত্র ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন নিয়ে জুয়া খেলবে। প্রতিটি শোকাহত পরিবারের আর্তনাদ আজ ন্যায়বিচার দাবি করছে। আমাদের লড়াই এখন একটাই—যেন আর কোনো বাবাকে প্রতিরোধযোগ্য রোগে সন্তানের জানাজায় দাঁড়াতে না হয়।


-মোকাররম হোসেন শুভ
সাংবাদিক ও কলামিস্ট


নওগাঁয় প্রতিপক্ষের হামলার শিকার রফিকুল ইসলাম রফিক গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৪

নওগাঁয় প্রতিপক্ষের  হামলার শিকার রফিকুল ইসলাম রফিক গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার : নওগাঁতে প্রতিপক্ষের  হামলার শিকার হয়েছেন রফিকুল ইসলাম রফিক নামে এক ব্যক্তি। তিনি নওগাঁ জেলার সাহাপুর মাস্টারপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আবদুস সাত্তারের ছেলে। 

স্থানীয়রা জানান, নওগাঁ থেকে প্রতিবেশীকে সাথে নিয়ে শহরে যাওয়ার পথে পূর্বে থেকে ওতপেতে থাকা কয়েকজন ব্যাক্তি তার গতিরোধ করে এবং হঠাৎ এক নির্জন জায়গায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রফিকুল ইসলাম রফিককে আঘাত করে। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় রফিককে উদ্ধার করে প্রথমে নওগাঁ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তার অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। 

এই ব্যাপারে রফিকের বাবা আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে মোহাম্মদ পাপ্পু, মো: জামাল উদ্দিন, মো: বাবু ও পাইকগা'সহ ৪-৫ জনের নামে নওগাঁ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। আব্দুস সাত্তার জানান, আমার ছেলে ব্যক্তিগত কাজে নওগাঁ শহরে যাওয়ার পথে পূর্ব শত্রুতা জের ধরে হাতে লোহার রড,লোহার শাবল, ধারালো হাসুয়া দিয়ে আমার ছেলের উপর হামলা করে। 

এই বিষয়ে দেশবাসী ও প্রশাসনের কাছে আমি আমার ছেলে উপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জানাচ্ছি।


আজ মহান মে দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ মে, ২০২৬

আজ মহান মে দিবস

ঐতিহাসিক মহান মে দিবস ২০২৬, রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করছে বাংলাদেশ। এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’। 

শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক লড়াইয়ের দিনকে স্মরণ করে আজ বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে মহান মে দিবস।

মে দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্বের ৮০টির বেশি দেশে পহেলা মে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়। বাংলাদেশেও সরকারি ছুটির পাশাপাশি নানান কর্মসূচির মাধ্যমে এ দিবসটি ব্যাপক গুরুত্ব ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মহান মে দিবসের ইতিহাসের সূচনা ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শ্রমিকদের ঐতিহাসিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। শিল্প বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে শ্রমিকদের দিনে ১০ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে বাধ্য করা হলে তারা ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে সংগঠিত হয়ে ওঠে। ওই বছরের পহেলা মে দেশজুড়ে ধর্মঘট ও বিক্ষোভ শুরু হয়, যার কেন্দ্রবিন্দু ছিল শিকাগো।

আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ৪ মে সংঘটিত হে মার্কেট বোমা বিস্ফোরণ ও পুলিশের গুলিতে বেশ কয়েকজন নিহত ও বহু মানুষ আহত হন। পরবর্তীতে, কয়েকজন শ্রমিক নেতাকে বিতর্কিত বিচারে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে, তা বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদের জন্ম দেয় এবং শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।

এরপর ১৮৮৯ সালে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে পহেলা মে-কে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই থেকে দিনটি বিশ্বজুড়ে শ্রমিক অধিকার ও ন্যায্যতার প্রতীক হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।