?> জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় ৪ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় ৪ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় ৪ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মাত্র ২৫ সেন্টিমিটার বাড়লে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ৪ শতাংশ ভূমি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর ফলে দেশের প্রায় ১ কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত উচ্চপর্যায় বৈঠকে এই শঙ্কা প্রকাশ করে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় চার দফা জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানান তিনি।বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুম-৪-এ ‘হাই-লেভেল মিটিং টু অ্যাড্রেস দ্যা অ্যাসেনশিয়াল থ্রেটস পোসড বাই সি-লেভেল রাইজ’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি সক্রিয় বদ্বীপ, যেখানে শত শত নদী প্রবাহিত হয়ে সাগরে মিশেছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের সঙ্গে এ দেশের মানুষের জীবন, সংস্কৃতি এবং সামগ্রিক সমৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ গভীরভাবে জড়িত।

সীমিত সম্পদ নিয়েও বাংলাদেশ নিজস্ব উদ্যোগে সম্ভাব্য এই বিপর্যয় মোকাবিলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দেশের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন করা হবে, পানি সংরক্ষণ ও মজুদের জন্য পদ্মা ব্যারাজ উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং মাস্টার প্ল্যানের মাধ্যমে তিস্তা ব্যারাজ আধুনিকায়ন করা হবে। এছাড়া পরিবেশ রক্ষায় ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। সবুজ শিল্প, পরিবেশবান্ধব পরিবহন এবং জাতীয় কার্বন বাজার গঠনের কাজও বর্তমানে চলমান রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাব একা মোকাবিলা করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয় উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে চারটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমত, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ দ্রুত ও ন্যায়সংগতভাবে কমিয়ে বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখা। দ্বিতীয়ত, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অভিযোজন কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত ও সহজ শর্তে জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা। তৃতীয়ত, ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় দেশগুলোর জন্য জলবায়ু-স্মার্ট প্রযুক্তি, তথ্য-উপাত্ত এবং আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার সহজ করা। চতুর্থত, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি, ক্ষতি ও লোকসান মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্র দ্রুত উচ্চতর হচ্ছে এবং আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকেও তার চেয়ে দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় ঘোষণাপত্রের অঙ্গীকারগুলোকে এখনই বাস্তব পদক্ষেপে রূপ দিতে হবে।

ফরিদপুরের মধুখালীতে যুববকে কুপিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ মার্চ, ২০২৪

ফরিদপুরের মধুখালীতে যুববকে কুপিয়ে হত্যা

ফরিদপুরের মধুখালীতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে যুবকে কুপিয়ে হত্যা, নিহত ব্যক্তির নাম নিজাম উদ্দিন (৩৫) নিজাম উদ্দিন উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের হাটঘাটা গ্রামের মানিক শেখের ছেলে। 

জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১ টার দিকে নিজাম উদ্দিনের শ্বশুর বাড়ি থেকে তার শ্যালকসহ বেশ কয়েকজন নিজামের ঘরে ঢুকে তার স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করে দেয় এবং নিজাম উদ্দিনকে ধারলো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে যখন করে পালিয়ে যায়।

নিহত নিজাম উদ্দিনের ছোট ভাই আজিম উদ্দিন বলেন, আমার বড় ভাইকে তার শ্যালক আশুারুল, ইলিয়াস, মামুন, হারুনসহ বেশ কয়েকজন মধ্যরাতে ঘরে ঢুকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে। আমার ভাই নিজাম উদ্দিন তার শালিকা'কে নিয়ে ঝামেলা ছিলো শালিকাকে নিয়ে বেড়াতে যায় আমার ভাই তারপর তাকে নিয়ে রাতে আমাদের বাড়িতে চলে আসে এই খবর পেয়ে আমার ভাইয়ের শ্বশুর বাড়ি থেকে লোকজন শালিকাকে নিতে এসে ঘরে ঢুকে আমার ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। আমি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

নিহত নিজাম উদ্দিনের শরীরে একাধিক জখমের চিহ্ন রয়েছে। তার শ্বশুর বাড়ি উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দীঘলিয়া গ্রামে। রাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিজাম উদ্দিনকে ফরিদপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেবার পথে মারা যান তিনি।

সকালে হত্যার সংবাদ পেয়ে মধুখালী থানা পুলিশ আসে পরে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট এসে লাশের সুরতহাল করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এই বিষয়ে মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মিরাজ হোসেন বলেন, সকালে তথ্য পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই এখনও পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেইনি অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


দিল্লিতে বিমসটেকের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক, যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর, ২০২৬

দিল্লিতে বিমসটেকের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক, যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রতিষ্ঠার প্রায় তিন দশক পর প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছেন বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সাত দেশের আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা। আগামী মঙ্গলবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তবে এতে অংশ নিচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তার পরিবর্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল বৈঠকে যোগ দেবে।

ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ ছাড়া বাকি ছয় সদস্যদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে অংশ নেবেন। এর আগে ১২ অক্টোবর সদস্যদেশগুলোর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা প্রথমবারের মতো আলোচনায় বসবেন।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দিল্লি সফরে না যাওয়ার বিষয়ে সরকারের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনেও যাননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে ভারত তাকে ওই অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছিল, আমন্ত্রণটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে পাঠানো হয়েছিল।

১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংকক ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিমসটেকের যাত্রা শুরু হয়। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো এ জোটের লক্ষ্য। এর সাত সদস্যদেশ হলো বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল ও ভুটান। জোটটির সচিবালয় ঢাকায়। ২০২৫ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে।

সরকারি চিঠিতে চারজনকে মনোনয়ন

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে অংশ না নেওয়ার বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক চিঠিতেও উঠে এসেছে। ৪ অক্টোবর বিমসটেক সচিবালয়ে পাঠানো চিঠিতে ১২ ও ১৩ অক্টোবরের বৈঠকের জন্য চার সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নাম জানানো হয়। সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম নেই।

চিঠি অনুযায়ী, প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

এদিকে ৫ অক্টোবর সদস্যদেশগুলোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো বিমসটেক সচিবালয়ের একটি জরুরি চিঠিতে বৈঠকের প্রস্তুতির বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের মনোনয়ন পাঠিয়েছে। ৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ, ভুটান ও শ্রীলঙ্কার মনোনয়ন পাওয়া গেছে। বাকি তিন দেশ মিয়ানমার, নেপাল ও থাইল্যান্ডকে দ্রুত প্রতিনিধিদের নাম পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। এর আগে ২ সেপ্টেম্বর সদস্যদেশগুলোর কাছে মনোনয়ন চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল সচিবালয়।

দিল্লির বৈঠকে থাকছেন যারা

বিমসটেক সচিবালয় ও দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর আগের দিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বৈঠক পরিচালনা করবেন ভারতের স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন।

বৈঠকে ভুটানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুংতেন দর্জি, মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল কো কো ও, নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং, শ্রীলঙ্কার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চন্দনা আবেরত্নে এবং থাইল্যান্ডের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংসাক থংস্রি অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

আলোচনায় সন্ত্রাসবাদ ও আন্তসীমান্ত অপরাধ

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দিল্লির বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ ও আন্তসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। মানব পাচার, মাদক পাচার, অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের পাশাপাশি সদস্যদেশগুলোর আইন প্রয়োগকারী ও নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

গত ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিমসটেকের সন্ত্রাসবাদ দমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধবিষয়ক যৌথ কার্যকরী দলের একাদশ বৈঠকের প্রতিবেদন ও সুপারিশও এবারের আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২৯ সেপ্টেম্বরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ওই বৈঠকে বাংলাদেশসহ সাত সদস্যদেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সন্ত্রাসবাদ দমন) সুহেল এজাজ খান।

বৈঠকে প্রচলিত নিরাপত্তা হুমকির পাশাপাশি নতুন ধরনের অপ্রচলিত নিরাপত্তা হুমকি নিয়েও আলোচনা হয়। সন্ত্রাসবাদ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়াতে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়।

এ ছাড়া মানব পাচার, মাদকদ্রব্য ও মাদক তৈরির রাসায়নিকের অবৈধ বাণিজ্য প্রতিরোধ, অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধ, আইনি ও আইন প্রয়োগসংক্রান্ত সহযোগিতা এবং উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় গঠিত উপদলগুলোর প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়।

আট বছর আগে সিদ্ধান্ত, প্রথম বৈঠক এবার

বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল ২০১৮ সালে। ওই বছরের ৩০ ও ৩১ আগস্ট নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত জোটের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনে সদস্যদেশগুলোর নেতারা নিয়মিতভাবে এ বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে একমত হন।

কাঠমান্ডু ঘোষণায় সদস্যদেশগুলোর আইন প্রয়োগকারী, গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদারের অঙ্গীকার করা হয়। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের পর্যায়ের বৈঠক অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

তবে ওই সিদ্ধান্তের পর এত দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি। ২০২৫ সালের এপ্রিলে ব্যাংককে বিমসটেকের ২০তম মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক আয়োজনের ধারণাপত্র অনুমোদন করা হয়। এর প্রায় দেড় বছর পর এবার দিল্লিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।


প্রধানমন্ত্রী ফজরের নামাজের পর থেকে শেষ রাত পর্যন্ত কাজ করেন: আইনমন্ত্রী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী ফজরের নামাজের পর থেকে শেষ রাত পর্যন্ত কাজ করেন: আইনমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফজরের নামাজের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কর্মব্যস্ততার কথা তুলে ধরেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিদিন মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমান এবং ফজরের নামাজের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকেন।’

দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

এদিন ঝিনাইদহে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (পিটিআই) নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকার আশাবাদী। অতীতের নির্বাচনগুলোর তুলনায় আরও ভালো নির্বাচন করতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে এসব পরিকল্পনার বিস্তারিত যথাসময়ে জানা যাবে বলে জানান তিনি।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের প্রসঙ্গেও কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থী কোনো কাজ করলে সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হলেও কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন।

বিসিআইসির সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান বলেন, এ ধরনের কোনো অনিয়মের খবর তার জানা নেই। সার ডিলার নিয়োগ ও বরাদ্দের ক্ষেত্রে সরকার যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে।

এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন আইনমন্ত্রী। সভায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান বাড়ানো, জনবলসংকট দূর করা এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা ও করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।