?> ইসরায়েলে নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ করবে মুসলিম ভোটাররা | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

ইসরায়েলে নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ করবে মুসলিম ভোটাররা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ইসরায়েলে নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ করবে মুসলিম ভোটাররা
ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে কট্টর ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে প্রয়োজন আরব মুসলিম নাগরিকদের ভোট। নেতানিয়াহু সরকারকে উৎখাত করতে আগামী সপ্তাহের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম নাগরিকদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির আরব নেতারা।

ইসরায়েলের জনসংখ্যার ২১ শতাংশ হলো আরব সংখ্যালঘু, যারা ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনি মুসলিম কিন্তু নাগরিকত্বে ইসরায়েলি। এই জনগোষ্ঠীর ভোটারদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেলে জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন নেতানিয়াহু-বিরোধী জোটের অনুকূলে যেতে পারে। 

ইউনাইটেড আরব লিস্ট পার্টির প্রধান মনসুর আব্বাস এবং জয়েন্ট লিস্টের নেতা আহমেদ তিবি নতুন পরিবর্তনশীল সরকার গঠনে আরব ভোটারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।
নির্বাচনী জরিপ অনুযায়ী, ১২০ আসনবিশিষ্ট নেসেটে গাদি আইজেনকোটের জোট ৫২টি আসন পেতে পারে, অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ধর্মীয়-জাতীয়তাবাদী জোট ৫০টি আসন পেতে পারে। মনসুর আব্বাসের দল পাঁচটি এবং যৌথ আরব জোট জয়েন্ট লিস্ট আটটি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আইজেনকোট আরব দলগুলোর সঙ্গে সরাসরি সরকার গঠনে অনীহা দেখালেও আব্বাস বিশ্বাস করেন, ভোটের পর রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে জোট গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ এবং পুলিশ মন্ত্রী ইতামার বেন-গভীরের চরমপন্থার কারণে আরব ভোটারদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির আভাস মিলছে। স্ট্যাট-নেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মতে, এবার আরবদের ভোটদানের হার বেড়ে ৬৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা ২০২২ সালে ছিল ৫৬ শতাংশ। আসন্ন ২৭ অক্টোবরের এই নির্বাচন ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলার পর প্রথম নির্বাচন এবং এটিকে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের ওপর একটি গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স

১০০ ফুট সড়কের ৯০ ফুটই বেদখল, চলাচলে চরম ভোগান্তিু

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

১০০ ফুট সড়কের ৯০ ফুটই বেদখল, চলাচলে চরম ভোগান্তিু

রাজধানীর সড়কে জায়গার সংকট যেন নিত্যদিনের দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। তবে ভাটারা থানার মাদানী অ্যাভিনিউয়ের ১০০ ফুট সড়কের চিত্র আরও উদ্বেগজনক। 

হকারদের দখল, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অবাধ চলাচল ও যত্রতত্র পার্কিংয়ের কারণে প্রশস্ত এই সড়কটির বড় অংশই কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ৯০ ফুট জায়গা বেদখলে থাকায় কোনো কোনো স্থানে যানবাহন চলাচলের জন্য অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ১০ ফুট। এতে বাড়ছে যানজট, তৈরি হচ্ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, আর প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারী ও যাত্রীদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের ফুটপাত পেরিয়ে মূল সড়কের ওপর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে হকারদের দোকানপাট। কোথাও তিন থেকে চার সারিতে বসানো হয়েছে অস্থায়ী দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ফলে ১০০ ফুট প্রশস্ততার এই সড়কে স্বাভাবিকভাবে যানবাহন চলাচলের পর্যাপ্ত জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। সড়কের বড় একটি অংশ দখল হয়ে থাকায় যানবাহনকে চলতে হচ্ছে সীমিত পরিসরে, যা ব্যস্ত সময়ে যানজটের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।

সড়কের পাশাপাশি ফুটপাতও দখল হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন পথচারীরা। হাঁটার নির্ধারিত জায়গা না পেয়ে অনেককে চলন্ত যানবাহনের পাশ দিয়ে কিংবা মূল সড়কের ওপর দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা ও রাতে মানুষের চলাচল বেড়ে গেলে সড়কটিতে নিরাপদে হাঁটাচলা করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

যানজটের আরেকটি বড় কারণ হিসেবে দেখা গেছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য ছোট যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল। এসব যানবাহনের চালকদের অনেককে হঠাৎ লেন পরিবর্তন, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র থামা এবং মূল সড়কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানো-নামাতে দেখা যায়। এতে অন্য যানবাহনের স্বাভাবিক গতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি আকস্মিক সংঘর্ষ ও দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অবৈধ পার্কিংয়ের সমস্যা। সড়কের দুই পাশে, প্রবেশপথ এবং বিভিন্ন সংযোগস্থলের কাছাকাছি ব্যক্তিগত গাড়ি ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখতে দেখা যায়। হকারদের দখল ও যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত পার্কিং মিলিয়ে সড়কের কার্যকর প্রশস্ততা আরও কমে গেছে। ফলে অল্প দূরত্ব অতিক্রম করতেও যানবাহনকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়ছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতকারী ব্যক্তিরা। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারার পাশাপাশি পথচারীদের নিরাপদ চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। সড়কটির এমন অবস্থা স্বাভাবিক যাতায়াতের পাশাপাশি সামগ্রিক জননিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সড়কটি এভাবে সংকুচিত হয়ে থাকলে জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলেও বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হতে পারে। অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস কিংবা পুলিশের গাড়ি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে না পারলে জরুরি পরিস্থিতিতে ক্ষয়ক্ষতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে সংকটাপন্ন রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার সময় যানজট বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দারা মাদানী অ্যাভিনিউয়ের ১০০ ফুট সড়ক অবিলম্বে দখলমুক্ত করা, ফুটপাত পথচারীদের ব্যবহারের উপযোগী করা, অবৈধ পার্কিং বন্ধ এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, শুধু সাময়িক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না; প্রয়োজন নিয়মিত নজরদারি, কার্যকর আইন প্রয়োগ এবং সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিলে সড়কটির স্বাভাবিক চলাচল ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি পথচারীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।


ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ দুপুরে পরশুরাম উপজেলার উপকণ্ঠে এবং খোয়াইঘাট মুহুরী ব্রিজ এলাকায় প্রধানমন্ত্রী এ প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করেন। পরে তিনি উপস্থিত স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী সেখানে বৃক্ষরোপণ করেন।

এর আগে গত ১৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা অনুমিত ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ করা হবে।

পরবর্তী পর্যায়ে মুহুরী ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণ এবং সিলোনিয়া নদীতেও বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ও ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন এবং সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে সড়কপথে ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে পরশুরামের উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর সোয়া একটার দিকে তিনি ফেনীতে এসে পৌঁছান। ফেনীতে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন । এরপর তিনি ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিদর্শন করবেন। সেখানে তিনি ছাদ ভিত্তিক (রুফটপ) সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন করবেন।

ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি ভবনগুলোতে মোট ৯৬২.৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাগলনাইয়ায় ৪১৫ কিলোওয়াট, পরশুরামে ২৯৮ কিলোওয়াট এবং ফুলগাজীতে ২৪৯ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। সেখানে তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করবেন।

ফুলগাজীতে মোট ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো জেলাজুড়ে ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাবেন। এছাড়া ফুলগাজীর ২৩৮ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও পুরোহিতকে সম্মানী প্রদান করা হবে। রাজধানী ঢাকায় ফেরার আগে ওই স্থানে আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নানা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুরে। ফুলগাজীসহ তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত ফেনী-১ আসনের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের স্মৃতি জড়িত। ১৯৯১ সাল থেকে এ আসনে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।


ভৈরবে বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬

ভৈরবে বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার জংশনে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ‘ঢাকা মেইল-২’ ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ভৈরব বাজার জংশন ছেড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় এ রিপোর্ট লেখো পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে আপ ও ডাউন উভয় লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় এই রুটের বিভিন্ন স্টেশনে একাধিক ট্রেন আটকা পড়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. ইউসুফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি রাত ২টা ৫৫ মিনিটে ভৈরব বাজার জংশনে পৌঁছে কেবিন মাস্টারের কাছ থেকে সামনে অগ্রসর হওয়ার সংকেত পান। জংশন থেকে প্রায় ১৫০ মিটার অগ্রসর হওয়ার পর ইঞ্জিনের পরের চতুর্থ কোচটি লাইনচ্যুত হয়। এতে স্টেশনের আপ ও ডাউন উভয় লাইন বন্ধ হয়ে যায়।

দুর্ঘটনার পরপরই লাইন থেকে ট্রেন সরানোর কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে আখাউড়া থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে উদ্ধার কাজ চলছে।