?> হাদি হত্যার আসামি ফয়সালের অবৈধ অর্থের সন্ধান পেয়েছে সিআইডি | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

হাদি হত্যার আসামি ফয়সালের অবৈধ অর্থের সন্ধান পেয়েছে সিআইডি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাদি হত্যার আসামি ফয়সালের অবৈধ অর্থের সন্ধান পেয়েছে সিআইডি
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় ঢাকার আদাবর থানায় ফয়সাল ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার স্ত্রী শাহেদা পারভিন সামিয়া এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থপাচারের মামলা করেছে সিআইডি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সিআইডির আর্থিক অপরাধ ইউনিটের উপপরিদর্শক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মামলাটি করেন বলে নিশ্চিত করেছেন সিআইডির আর্থিক অপরাধ বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।

শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের অর্থের উৎস ও সম্পদ নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে তার সম্ভাব্য অবৈধ বিনিয়োগের তথ্য পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বাংলাদেশে ফয়সাল, তার স্ত্রী ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৫৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করার পর এখন বিদেশে তার কোনো সম্পদ রয়েছে কি না, তা যাচাই করছে সংস্থাটি। সিআইডির আর্থিক অপরাধ ইউনিট ফয়সাল সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাধ্যমে অবৈধ বিনিয়োগ ও অর্থপাচার করেছেন কি না, সেটিও তদন্ত করছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ফয়সালের কয়েকটি ব্যাংক হিসাব এবং সেগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত লেনদেনের তদন্ত করতে গিয়ে তার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।

ফয়সালের সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাধিকবার প্রবেশ ও বের হওয়ার সুযোগসংবলিত পর্যটন ভিসা রয়েছে। ২০২৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে ফেরেন।

৫৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দ

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে সিআইডির একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, তদন্তে ফয়সাল তার নিজের ও স্ত্রীর নামে থাকা ব্যাংক হিসাব এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে থাকা অর্থের উৎস গোপন করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

তদন্তে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর ফয়সাল তার স্ত্রীর নামে ৬৫ লাখ টাকার একটি স্থায়ী আমানত রাখার (এফডিআর) করেন।

ফয়সাল, তার স্ত্রী ও তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা মোট ৫৩টি ব্যাংক হিসাব ইতোমধ্যে জব্দ করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, এসব হিসাবের লেনদেন পর্যালোচনা করে অর্থের উৎস, স্থানান্তর ও ব্যবহারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। বিদেশে অর্থ স্থানান্তর এবং সেখানে বিনিয়োগের সম্ভাবনাও তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুই মাসে এক হিসাবেই ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার লেনদেন

সিআইডি ফয়সালের একটি ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বিশেষভাবে পর্যালোচনা করেছে। নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর একটি বেসরকারি ব্যাংকের রূপনগর শাখায় হিসাবটি খোলেন ফয়সাল। ব্যবসার ধরন হিসেবে তিনি তথ্যপ্রযুক্তি, পরামর্শসেবা ও প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করেন। হিসাব খোলার সময় বছরে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা লেনদেন হবে বলে ঘোষণা দিলেও পরবর্তী দুই মাসে ওই হিসাবে মোট ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।

তদন্তকারীদের মতে, হিসাবটিতে নগদ টাকা উত্তোলন তুলনামূলকভাবে কম হলেও অর্থ পরিশোধ ও স্থানান্তরের কার্যক্রম ছিল উল্লেখযোগ্য।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, হিসাব খোলার সময় ঘোষিত ব্যবসার ধরন, লেনদেনের ধরন এবং ব্যবসার অনুমতিপত্রে দেওয়া তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।

জাল দরপত্রের মাধ্যমে ৫৭ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

সিআইডির তদন্তে ফয়সালের মালিকানাধীন অ্যাপল সফট আইটি ও পিনাকল সলিউশন ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে একটি চুক্তির তথ্যও পাওয়া গেছে।

তদন্ত নথি অনুযায়ী, ফয়সালের প্রতিষ্ঠানটি পিনাকল সলিউশন ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে যৌথভাবে তিনটি সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছিল।

পরবর্তী তদন্তে ওই তিনটি সরকারি প্রকল্পের দরপত্রের প্রস্তাব জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল বলে তথ্য পাওয়া যায়।

তবে যৌথভাবে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের কথা বলে ফয়সালের ব্যাংক হিসাবে ৫৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা জমা দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

সিআইডির নথিতে আরও বলা হয়েছে, ফয়সাল তার ঠিকাদারি ব্যবসার আড়ালে জাল দরপত্রের মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দেওয়ার সুযোগ দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে বাকিতে পণ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পাওনা অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগও রয়েছে।

হাদি হত্যা মামলার পর থেকেই পলাতক

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিতি পান শরীফ ওসমান বিন হাদি। জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণ, আন্দোলনে নিহত ও আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং জুলাই ঘোষণাপত্রের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন তিনি।

২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় হাদিকে গুলি করা হয়। ছয় দিন পর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে ফয়সালের নাম আসে। এরপর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন। বর্তমানে ফয়সাল ভারতে পুলিশের হেফাজতে আছেন।

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৬

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বদরপাশা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার (সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস) মো. জাহিদুল ইসলাম।

তিনি জানান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে সোহাগ ফকিরের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে রাজৈর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারের সময় সোহাগ ফকিরের কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোনসহ বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে। এসব আলামত তদন্তের কাজে ব্যবহার করা হবে।

প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আজকালের খবর/ এমকে


কাউন্সিলর একরাম হত্যা
হাসিনা-কাদেরসহ ১১ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হাসিনা-কাদেরসহ ১১ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

কক্সবাজারের টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানির দিন ধার্য রয়েছে আজ।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি হবে।

এ মামলায় বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন চারজন। তারা হলেন- কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম ও র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক কর্নেল (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে) আনোয়ার লতিফ খান।

শেখ হাসিনাসহ পলাতক বাকি সাত আসামির মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, মেজর (অব.) রুহুল আমিন, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুস সাকিব মাহমুদ।

প্রসিকিউশন জানায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর এ মামলায় পলাতক সাত আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী নিয়োগের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। একইসঙ্গে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

ওই দিন মিফতাহ উদ্দিন, মাহবুব আলম ও আনোয়ার লতিফ খানের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষ করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী তবারক হোসেন। এসব আবেদনের বিষয়ে আদেশের জন্যও আজকের দিন ধার্য রয়েছে। ফলে আজ তাদের জামিনের বিষয়েও সিদ্ধান্ত দেবেন ট্রাইব্যুনাল।

শেখ হাসিনাসহ সাত আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে গত ২৫ আগস্ট দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন একই আদালত। তবে ৭ সেপ্টেম্বর মামলার নির্ধারিত হাজিরার দিনে গ্রেপ্তার চার আসামি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হলেও বাকিরা আত্মসমর্পণ করেননি। পরে তাদের পলাতক দেখিয়ে সরকারি খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর আগে, ২৬ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ২৬ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফের কিরণতলীর হোটেল নেটংয়ের সামনের সড়ক থেকে একরামুল হককে তুলে নেওয়া হয়। রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নোয়াখালিয়া পাড়ায় মেরিন ড্রাইভের সাগরতীরে র‍্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন তিনি। একরামুল টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন।

এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে আটক, অপহরণ, বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে গুলি করে হত্যা, অপরাধ সংঘটনে সংশ্লিষ্টতা, প্ররোচনা, সহায়তা ও হত্যার নির্দেশ দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন।


পুলিশের কেউ ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত হলে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পুলিশের কেউ ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত হলে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশের কেউ কেউ এখনও ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত হয়ে যোগাযোগ রাখছে, নানা ধরনের সংবাদ দিচ্ছে, এমন কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পদক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।