?> গোপালগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ. জেড আমিনুজ্জামানের পিতা মারা গেছেন | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

গোপালগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ. জেড আমিনুজ্জামানের পিতা মারা গেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

গোপালগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ. জেড আমিনুজ্জামানের পিতা মারা গেছেন

বার্তাবেলা (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি: টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গিমাডাঙ্গা নিবাসী দৈনিক ভোরের বাণী’র চীফ রিপোর্টার এবং বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক,  এ. জেড আমিনুজ্জামানের পিতা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য এ. জেড. এম সহিদুর রহমান।

আজ সোমবার ২৬/০২/২০২৪ইং সকাল ১১.১৫ মিনিটে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

মৃতকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য এ. জেড. এম সহিদুর রহমান বেশ কয়েক দিন যাবৎ বার্ধক্যজনিত রোগের কারণে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

মরহুমের শহরের বাড়ি কোর্ট মসজিদ , চাঁদমারি রোড, ব্যাংকপাড়া, গোপালগঞ্জ। মরহুমের জানাজা তার নিজ গ্রাম গিমাডাঙ্গা পশ্চিম পাড়ার মোল্লা বাড়ীতে অনুষ্ঠিত হবে, মাগরিব বাদ।এবং গোপালগঞ্জ সদর মার্কাস মসজিদ সামনে কবরস্থানে সাহিত্য করা হবে,  তার মৃত্যুতে সাংবাদিকদের  পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছি।

আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা হবে: প্রধানমন্ত্রী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতা করতে গিয়ে আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ এবং ‘ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন’ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদল বিরোধিতা করার জন্যই বিরোধিতা করছে। বিরোধী দল জুলাইকে ধারণ করে না বলেই আজ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েও অংশ নেয়নি। আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে বিরোধীদল। বিরোধীদলকে গঠনমূলক সমালোচনা করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব ব্যাপারে একমত না হতে পারলেও দেশের মানুষের স্বার্থে দ্বিমত পোষণ করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ৭১ এবং ২৪ এর জুলাই আন্দোলন। দুই আন্দোলনের লক্ষ্যই ছিল একই।

জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে ৮১৩ জন শহীদের নাম লিপিবদ্ধ রয়েছে। এসব শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেয়েছে। গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। জনগণ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী দলকে বেছে নিয়েছে দেশ পরিচালনার জন্য। যারা আগামী পাঁচ বছর দেশ পরিচালনা করবে।

বিরোধীদলের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এডিস মশা সরকারি কিংবা বিরোধীদল চেনে না। তাই ডেঙ্গু সচেতনতা কার্যক্রমে অংশ গ্রহণের আহ্বান জানান জানান তিনি।

এসময় হাসপাতালে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।


আট মাসে প্রশাসনে রদবদল: ২ হাজারের বেশি বদলি-পদায়ন, বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ জন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

আট মাসে প্রশাসনে রদবদল: ২ হাজারের বেশি বদলি-পদায়ন, বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ জন

ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম আট মাসে জনপ্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে দুই হাজারের বেশি কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করেছে সরকার। এ সময়ে ১ হাজার ৫৫ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, ৩২ জনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ৫৮টি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।মাঠপর্যায় থেকে সচিব পর্যায় পর্যন্ত প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে এসব পরিবর্তনের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ পর্যন্ত সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে সচিব ও সমপর্যায়ের পদে ৭৪৬ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) মাধ্যমে অন্যান্য পদে পদোন্নতি পেয়েছেন আরও ৩০৯ জন।

মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে সচিব ও সমপর্যায়ের পদে পদোন্নতি পাওয়া ৭৪৬ কর্মকর্তার মধ্যে সিনিয়র সচিব ও সচিব পদে ১৮ জন, গ্রেড-১ পদে ৯ জন, যুগ্মসচিব পদে ১৮০ জন, উপসচিব পদে ২৭৫ জন এবং সিনিয়র সহকারী সচিব পদে ২৬৪ জন রয়েছেন।

অন্যদিকে এসএসবির মাধ্যমে গ্রেড-১ পদে ১৭ জন, গ্রেড-২ পদে ৩৪ জন এবং গ্রেড-৩ পদে ২৫৮ জনসহ মোট ৩০৯ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

মাঠ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল

মাঠ প্রশাসনেও ব্যাপক রদবদল করেছে সরকার। বিভাগীয় কমিশনার থেকে সহকারী কমিশনার পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে মোট ৫৮৯টি বদলি ও পদায়নের তথ্য রয়েছে প্রতিবেদনে।

এর মধ্যে রয়েছেন ৬ জন বিভাগীয় কমিশনার, ৪ জন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, ৩৬ জন জেলা প্রশাসক, ১০৯ জন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, ৩০৮ জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ৮২ জন সিনিয়র সহকারী কমিশনার এবং ৪৪ জন সহকারী কমিশনার।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগেও সচিব থেকে সহকারী সচিব পর্যায় পর্যন্ত কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব, ১০০ জন অতিরিক্ত সচিব, ১০৩ জন যুগ্মসচিব, ১৮২ জন উপসচিব, ২৭৪ জন সিনিয়র সহকারী সচিব এবং ৩৪ জন সহকারী সচিব রয়েছেন।

এ ছাড়া প্রেষণে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে ৫৭ জন অতিরিক্ত সচিব, ১১৫ জন যুগ্মসচিব, ২০৫ জন উপসচিব, ১৮২ জন সিনিয়র সহকারী সচিব এবং অন্যান্য পর্যায়ের ১৪৪ জন কর্মকর্তাকে।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ৫৮টি নতুন পদ সৃষ্টি

প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে মোট ৫৮টি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এর মধ্যে সচিব পদে ২টি, অতিরিক্ত সচিব পদে ৭টি, যুগ্মসচিব পদে ৮টি, উপসচিব পদে ১৪টি, সিনিয়র সহকারী সচিব ও সহকারী সচিব পদে ১৯টি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদে ১টি এবং ভূমিসংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার পদে ৭টি রয়েছে।

এদিকে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অবসর দেওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। নথি অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের ৫৯ জন, যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের ২৫ জন এবং সহকারী ও সিনিয়র সহকারী সচিব পর্যায়ের ৩৬ জনকে অবসর দেওয়া হয়েছে।

এর বাইরে ৩২ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।

নিয়োগ ও প্রশাসনিক সংস্কার কার্যক্রম

সরকারি চাকরিতে নিয়োগ কার্যক্রমও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৪৫তম, ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের প্রাক্‌-চাকরি যাচাই কার্যক্রম চলছে। এসব বিসিএসে যথাক্রমে ১ হাজার ৮০৬ জন, ১ হাজার ৪৫১ জন ও ১ হাজার ৩৩৪ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

এ ছাড়া ২০২৬ সালের বিভিন্ন সময়ে ২৭তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নথি অনুযায়ী, এসব বিসিএসের কয়েকটি ধাপে মোট ১ হাজার ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়নের পাশাপাশি বিভিন্ন নীতিমালা সংশোধন এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের কর্মজীবন পরিকল্পনা প্রণয়ন, সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের জন্য চিকিৎসক নিয়োগ, সরকারি যানবাহন মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৬ প্রণয়ন, মুদ্রণ ও প্রকাশনাসংক্রান্ত সংশোধিত নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন সংশোধনের কার্যক্রম।

এ ছাড়া অনলাইনে পেনশন নিষ্পত্তির জন্য 'অনলাইন পেনশন ট্র্যাকিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম' (ওপিটিএমএস) চালু, সরকারি কর্মচারীদের কল্যাণসেবা সহজ করা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ও উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নের কার্যক্রমও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারের উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মকে নিজেদের বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ও স্কাউট সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি, চিকিৎসাসেবা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে দেখতে শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি ভবন আকস্মিক পরিদর্শনে বের হন প্রধানমন্ত্রী।

দিনের শুরুতে তিনি রাজধানীর কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের চিকিৎসাসেবার খোঁজখবর নেন। হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ), অস্ত্রোপচারকক্ষসহ (অপারেশন থিয়েটার) বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন তিনি।

পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়নে কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের সময় দেন তিনি।

এরপর প্রধানমন্ত্রী যান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে। সেখানে তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বছরের এ সময়ে, বিশেষ করে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। প্রতিবছর ডেঙ্গুতে বহু মানুষ আক্রান্ত হন, অনেকের মৃত্যুও হয়। ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে প্রতিরোধ। আর এ জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গুর সঙ্গে লড়াই করতে হলে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে প্রতিরোধ। আর এ জন্য আমাদের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। এই কাজে আমি তোমাদের সাহায্য চাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ যদি নিজেদের আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব নেয়, তাহলে ডেঙ্গু প্রতিরোধসহ পরিবেশ রক্ষায় বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।

রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা একটি বিশাল শহর। এখানে দুই থেকে আড়াই কোটির বেশি মানুষের বসবাস। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত কাজ করলেও তাদের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই শুধু সিটি করপোরেশন বা প্রশাসনের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের বলেন, ‘তোমরা স্কাউট, গার্ল গাইড কিংবা রেড ক্রিসেন্টের সদস্য হও বা না হও, তোমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই নিজের বাসা, স্কুল, পাড়া ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব তোমাদেরও নিতে হবে।’

যত্রতত্র ময়লা ফেলার প্রবণতা বন্ধে সামাজিক সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ নির্ধারিত স্থানের বাইরে ময়লা ফেললে তাকে সচেতন করতে হবে। সবাই মিলে চেষ্টা করলে ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী জানান, নগরীর বিভিন্ন স্থানে ময়লা ফেলার জন্য ডাস্টবিন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে অনেক জায়গা থেকে এসব ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাচ্ছে। একইভাবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে লাগানো গাছের চারাও চুরি হচ্ছে।

এসব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নাগরিকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জন্মদিনে একটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ


পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর নিজেদের ও পরিবারের সদস্যদের জন্মদিনে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘তোমার জন্মদিনে, ভাইবোনের জন্মদিনে কিংবা নানা-নানির জন্মদিনে একটি করে গাছ লাগানোর চেষ্টা করবে। সেটা তোমার বাসায় হতে পারে, স্কুলে হতে পারে কিংবা গ্রামের বাড়িতে হতে পারে। গাছগুলো যখন বড় হবে, তোমরাও তখন বড় হবে।’

রাজধানীতে ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা ও সবুজের ঘাটতি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, একসময় ঢাকায় অনেক বেশি গাছপালা ও খোলা জায়গা ছিল। এখন সেখানে বহুতল ভবন গড়ে উঠেছে। গাছপালা কমে যাওয়ায় শহরে গরমের অনুভূতিও বেড়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গাছ যত বাড়বে, আমরা তত বুক ভরে শ্বাস নিতে পারব। গাছের পাতার ঝিরঝির শব্দ আমার খুব ভালো লাগে। আমরা সবাই মিলে গাছ লাগালে শহরের তাপমাত্রাও কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব।’

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়ন—এই তিনটি ক্ষেত্রে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। শুধু সরকারের উদ্যোগ নয়, নাগরিকদের সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে।

প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চান, নিজেদের স্কুল, বাসা, পাড়া ও আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখতে তাঁদের সহযোগিতা পাওয়া যাবে কি না। এ সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পান তিনি।