?> ফেরদৌসী আহমেদের পদত্যাগ, সংরক্ষিত আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

ফেরদৌসী আহমেদের পদত্যাগ, সংরক্ষিত আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

ফেরদৌসী আহমেদের পদত্যাগ, সংরক্ষিত আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগের পর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সংসদীয় ৩২৩ মহিলা আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।   

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-২ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। 

সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে পদত্যাগ করায় সংবিধানের ৬৭ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদীয় ৩২৩ মহিলা আসন-২৩ শূন্য হয়েছে। আসনটি শূন্য হওয়ার পর শূন্য আসন পূরণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই পদত্যাগের অনুলিপি ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে।  

ফাঁকা আসন পূরণে নির্বাচন কমিশনকে তাগিদ
সংবিধানের ৬৭ (২) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী কোনো আসন শূন্য হলে পরবর্তী প্রক্রিয়া চালুর অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবহিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের নিকট পাঠানো নির্দেশে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই উল্লেখিত শূন্য আসনটি পূরণের জন্য বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।   


অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ-চীন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ-চীন

সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বাংলাদেশ ও চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে জোর দিয়েছে।

বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) উদ্যোগে চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং ঢাকায় চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন সম্পর্ক উন্নয়নে জোর দেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার চীনা দূতাবাস এ তথ্য জানায়।

শামা ওবায়েদ বলেন, গত ৭৭ বছরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে চীনের অর্জন উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য মূল্যবান শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা। চীনের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা আরও জোরদার এবং বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে বাংলাদেশের দৃঢ় প্রত্যাশা রয়েছে।

লিউ ইউইন বলেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের কৌশলগত নির্দেশনায় চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত হয়েছে। ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায়’ গঠনের যৌথ উদ্যোগ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে গতি সঞ্চার করেছে। 

তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে রয়েছে। বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা গভীর করার পাশাপাশি দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।


ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভারত বিশ্লেষণ করতে পারে, তবে মতামত দেওয়ার সুযোগ (অধিকার) দেশটি রাখে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এছাড়া পতিত স্বৈরাচার ভোটের পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করলে সরকার প্রতিহত করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।  

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা জানান। রিজওয়ানা হাসান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন। 

কোনো কোনো জেলায় ডিসিদের গণভোটের পক্ষে সেভাবে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে না- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা যা করছি তা হলো, আমরা উপদেষ্টারা দেশের ৬৪ জেলায় গিয়ে বিভিন্ন জেলার যারা সুশীল সমাজের আছেন, শিক্ষক প্রতিনিধি আছেন, ছাত্র প্রতিনিধি আছেন, যারা ধর্মীয় নেতা আছেন- সবাইকে গণভোটটা কেন হচ্ছে, গণভোটের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো কী- এটা বুঝিয়ে দিচ্ছি। এখন যেহেতু নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে গেছে, এখন আর আমরা কোনো উপদেষ্টা সেখানে যাচ্ছি না। আমাদের কিছু ম্যাটেরিয়াল আছে গণভোটের স্বপক্ষে, সেটাই আমরা বিলি করে বেড়াচ্ছি।  

তিনি বলেন, কিন্তু জেলা প্রশাসকেরা কোথায় প্রচার করছেন, করছেন না... জেলা প্রশাসকেরা প্রচার করবেন হচ্ছে যে ১২ তারিখে সাধারণ ভোটের পাশাপাশি একটা গণভোট হবে। সাধারণ ভোটের পাশাপাশি জনগণ যেন গণভোটে যেতে পারে সে খবরটা জানানো। এর বেশি তো আর তাদের কিছু করার কথা না।  

সার্বিকভাবে এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ কেমন দেখছেন? দুই দলের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি হচ্ছে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকেও ভোট নিয়ে মন্তব্য আসছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, শোনেন, প্রথম কথা হচ্ছে নির্বাচনের পরিবেশ তো উত্তেজনাপূর্ণ হবে। এক দল আরেক দলকে হারাবার চেষ্টা করবে, এক দল জিতবার চেষ্টা করবে। যে দল জিতবার চেষ্টা করবে সে তার পক্ষকে ঘায়েল করার জন্য কথা বলবে, প্রতিপক্ষ আরেকজনকে ঘায়েল করার কথা বলবে, এটা খুব স্বাভাবিক কথা।

তিনি বলেন, কোনো কোনো জায়গায় হয়তো ভদ্রতা সভ্যতার সীমাটা রাখা হচ্ছে না, সেজন্য সব দলকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। যদি কোনোটা আইনশৃঙ্খলা পর্যায়ে পৌঁছে যায় তখন সেটা সরকারের দায়িত্ব। তার আগ পর্যন্ত কে কার জনসভায় কী বললো না বললো সেটা তো সরকারের দায়িত্ব না।  

নির্বাচন সম্পূর্ণ একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় মন্তব্য করে রিজওয়ানা হাসান বলেন, সেখানে অন্য দেশ বিশ্লেষণ করতে পারে, কিন্তু মতামত তো দেওয়ার সুযোগ রাখে না। তার বিশ্লেষণ থাকতে পারে কিন্তু কে জিতলে কী ধারণা করবে জিতবার আগেই এত কথা বলে দিলে তো এই মন্তব্য বস্তুনিষ্ঠ সেরকম মনে করার কোনো সুযোগ নেই।  

ভোটের পরিবেশ নষ্ট হলে আওয়ামী লীগকেই দায়ী করা হবে- সরকারের এমন একটা বিবৃতি আছে। এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার যে আওয়ামী লীগ চেষ্টা করেনি তা তো ঠিক কথা না। ভোটের যেদিন শিডিউল ঘোষণা হলো সেদিনই তো বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ করা হলো এবং সেটার ভুক্তভোগী আমরাও কয়েকজন আছি। ফলে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য যদি পতিত স্বৈরাচারের কোনো শক্তি কোনো রকম চেষ্টা করে সেটা প্রতিরোধ করার জন্য সরকার প্রস্তুত আছে, প্রয়োজনে প্রস্তুতি আমরা বাড়াবো।

মানুষের ভেতরে ভোটের পরিবেশ নিয়ে ভয় কাজ করছে- এ বিষয়ে তিনি বলেন, আপনি আমাকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেবেন যে কোন মানুষ আপনাকে বলেছে তার ভোট দিতে ভয় লাগছে। আমরা যে এত কয়টা জেলায় গেলাম সব জায়গায় আমরা দেখে এসেছি প্রতিটি জায়গায় নির্বাচনের একটা আমেজ শুরু হয়েছে। যখন আমরা গেছি তখনও কিন্তু নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়নি। তো প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়বে, আগ্রহও বাড়বে, আনন্দও বাড়বে। এটা সবসময় বাংলাদেশে হয়ে থাকে। কোনো জায়গাতে কোনো মানুষ আমাকে বলেনি যে আপা ভোট দিতে কেমন করে যাবো আমার ভয় লাগছে। আপনাকে যদি কেউ এটা বলে থাকে আমাদের জানাবেন তার ভয় দূর করার দায়িত্ব অবশ্যই আমাদের।

সরকারের এ উপদেষ্টা আরও বলেন, এই যে ভয়ের একটা আবহ তৈরি করা নানান প্রচার-প্রচারণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, নানান কিছু ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে দিয়ে একটা ভয়ের আবহ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্যই বলা হচ্ছে যে পতিত স্বৈরাচার যদি নির্বাচনের পরিবেশকে বিঘ্ন করার জন্য কোনো কাজ করে আমরা সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।