শেয়ার বাজার

তিস্তা ব্যারেজও করবে বিএনপি সরকার: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

তিস্তা ব্যারেজও করবে বিএনপি সরকার: প্রধানমন্ত্রী

শুধু পদ্মা ব্যারেজ নয়, এর পাশাপাশি তিস্তা ব্যারেজেরও কাজ শুরু করবে বিএনপি সরকার। তিনি বলেন, অনেকেই বড়ো বড়ো কথা বললেও বিএনপি জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে গাজীপুরে এক সুধী সমাবেশে যোগ দিয়ে এ ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

এর আগে, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় ও দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে যাত্রা শুরু হয় বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ‘জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’-এর। দিনব্যাপী গাজীপুর সফরের অংশ হিসেবে বুধবার দুপুরে টঙ্গীর সাতাইশে এই বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী ইনস্টিটিউট আঙিনায় একটি তাল গাছের চারা রোপণ করেন এবং পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

পরে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সুধী সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সীমান্তের ওপারে ব্যারেজ নির্মাণের ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে পানি সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। দেশের মানুষ যেন পানি পায়, সেজন্য আমরা পদ্মা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণ করবো। ফারাক্কা বাঁধের ফলে সমুদ্রের পানি ঢুকে উপকূলের লবণাক্ততা বাড়ছে। এই সঙ্কট লাঘবে বিএনপি সরকার পদ্মা ব্যারেজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে এবং পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি তিস্তা ব্যারেজেরও কাজ শুরু করবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

সরকারপ্রধান বলেন, বড়ো বড়ো কথা নয়, কাজ যদি কেউ করে থাকে বিএনপি করেছে। অনেকেই বড়ো বড়ো কথা বললেও বিএনপির সরকার জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ নেই। তবে কীভাবে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পারি, সেই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। সরকার প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতেও কাজ করছে বলে তিনি জানান।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিশ্রুত খাল খনন কর্মসূচি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। এটি মোটেও কোনো রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়।


সিলেটে তিন বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১২

প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

সিলেটে তিন বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১২

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে তিন বাসের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ওসমানীনগ উপজেলার দয়ামীর মাদরাসার সামনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোরশেদুল হাসান ভুঁইয়া।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা এনা পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাস সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দয়ামীর মাদরাসার সামনে এলে সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া শ্যামলী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় এনা বাসের পেছনে থাকা ইউনিক পরিবহনের একটি বাসও সংঘর্ষের কবলে পড়ে। দুর্ঘটনায় এনা ও শ্যামলীর সম্মুখভাগ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

খবর পেয়ে ওসমানীনগরের তাজপুর ফায়ার সার্ভিস, থানা ও হাইওয়ে পুলিশ এসে হতাহতদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সকাল সাড়ে ৯টায়) ঘটনাস্থলের দু’পাশে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত যানজট ছিল। পুলিশ যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে।


চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি, দুদিনের মধ্যে অভিযান: ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি, দুদিনের মধ্যে অভিযান: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজির কারণে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, ঢাকা শহরে চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরির কাজ চলমান। দুই-তিনদিনের মধ্যে তালিকা ধরে অভিযান শুরু হবে।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে পুলিশ, ছাত্র, জনতা ও রমনা মডেল থানা এলাকার নাগরিকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, চাঁদাবাজির কারণে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে। চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। দুই-তিনদিনের মধ্যে তালিকা ধরে গ্রেফতার শুরু হবে।

কেউ চাঁদাবাজি করবেন না। চাঁদাবাজি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, যোগ করেন তিনি।

ঢাকায় ছিনতাই বেড়েছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, মোবাইল ছিনতাই বেড়েছে। রাস্তা-ঘাটে বের হলে সবাইকে সচেতন হয়ে চলাচল করতে হবে।

ফুটপাতের হকারদের বিষয়ে তিনি বলেন, হকারদের একবারে উচ্ছেদ করে দেওয়া অমানবিক। তবে হকাররা যেন সংযত অবস্থায় রাস্তায় থাকে এ জন্য তাদের প্রতি অনুরোধ। তবে হকারদের কাছ থেকে কাউকে চাঁদা দেওয়া যাবে না।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, মোটরসাইকেল ঝুঁকিপূর্ণ বাহন। এক মোটরসাইকেলে দুই-তিনজন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ঢাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসবো। যারা রাস্তা ব্যবহার করবেন অবশ্যই শৃঙ্খলা মেনে চলবেন।

ফুটপাতে মোটরসাইকেল চলাচলের ব্যাপারে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।

ঢাকার পুলিশ প্রধান বলেন, যানজটের মধ্যে গাড়িচালকরা অনবরত হর্ন বাজাতে থাকেন। কিন্তু যানজটের মধ্যে হর্ন বাজালে সমাধান কি? যারা বারংবার হর্ন বাজাবে তাদের বিরুদ্ধে শিগগির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।