?> এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের একটিও নেই, ঢাবির অবস্থান ১৮৬ | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের একটিও নেই, ঢাবির অবস্থান ১৮৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জুন ২০২৩

এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের একটিও নেই, ঢাবির অবস্থান ১৮৬

তবে শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য প্রতিবেশী দেশ ভারতের ৪টি ও পাকিস্তানের ১টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী 'টাইমস হায়ার এডুকেশন' প্রকাশিত 'এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৩'- এ সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলাদেশের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম আসেনি।

তবে শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য প্রতিবেশী দেশ ভারতের ৪টি ও পাকিস্তানের ১টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে।

তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১৮৬তম। আর ১৯২তম অবস্থানে আছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। র‍্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শীর্ষে আছে চীনের সিংহুয়া ও পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়। আর এশিয়ার সেরা দশের মধ্যে চীনের ৪টি, হংকংয়ের ৩টি, সিঙ্গাপুরের ২টি ও জাপানের ১টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

এ বছর ১৩টি বিষয়কে পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর বিবেচনায় নিয়ে এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তালিকা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠদান, মৌলিক গবেষণা, জ্ঞান বিতরণের পদ্ধতি, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গিসহ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে এবারের তালিকায়।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে পাঁচ বিষয়ে জোর

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে পাঁচ বিষয়ে জোর

প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে শিক্ষাক্রম, শিক্ষক, তদারকি, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৮ সালে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার।সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে ‘মাঠপর্যায় থেকে সংস্কার: বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্র পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। একটি ক্ষেত্রের উন্নয়ন করে অন্যগুলোকে উপেক্ষা করলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসবে না। তাই মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে সমন্বিত সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।

নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি খেলনাভিত্তিক শিক্ষা, ডিজিটাল কনটেন্ট ও প্রায়োগিক শিখনে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া বিদ্যালয়ে শিখন-সময়ের বৈষম্য কমানো এবং সরকারি-বেসরকারি সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় মানদণ্ড নির্ধারণের ওপর জোর দেন তিনি।

শিক্ষকদের বিষয়ে তিনি বলেন, নিয়োগ, প্রাক্‌-চাকরি প্রশিক্ষণ, পদায়ন, পেশাগত উন্নয়ন ও মূল্যায়নকে সমন্বিত করে একটি ‘শিক্ষক নীতিমালা’ প্রণয়নের কাজ চলছে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষকদের মর্যাদা, বেতন-ভাতা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষা খাতে পর্যায়ক্রমে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। বর্তমান সরকারের প্রথম অর্থবছরে এ খাতে ২ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই বছরে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের প্রস্তুতির পাশাপাশি শিক্ষকসংকট দূর করা, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষকদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা জরুরি।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।


প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়নের পরীক্ষা স্থগিত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৬

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়নের পরীক্ষা স্থগিত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্রের ছবি ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগের পর পরীক্ষা স্থগিত করেছে অধিদপ্তর। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ করেন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পরীক্ষা দিতে আসা প্রার্থীরা। এ সময় তাদের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করতে দেখা যায়।

সরেজমিনে রাজধানীর মতিঝিল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, কলোনি উচ্চবিদ্যালয়, বালক উচ্চবিদ্যালয় ও বাংলা কলেজ খিলগাঁও মডেল কলেজ, শাপলা চত্বর কেন্দ্র ঘুরে পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। এ সময় তারা প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে শাস্তি এবং নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানান।


বিক্ষোভকারী পরীক্ষার্থীরা বলেন, পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় তারা চরম ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেকেই ধারদেনা করে ঢাকায় এসেছেন। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে পরীক্ষা দিতে এসে শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিতের খবর পেয়ে তারা হতাশ হয়েছেন। এ পরিস্থিতির দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে বলেও দাবি করেন তারা।জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও চাকরির পরীক্ষা দিতে আসা রুমা রানা বলেন, এই যে লাখ লাখ স্টুডেন্ট, এদের কয়জনই বা ঢাকায় থাকে? জেলা শহর থেকে ধারদেনা করে, সারারাত জার্নি করে লাখ লাখ শিক্ষার্থী ঢাকায় আসে পরীক্ষা দিতে। পরীক্ষা শেষ করেই আবার বাড়ির পথ ধরবে। অথচ শেষ মুহূর্তে এসে শুনল প্রশ্নফাঁসের কারণে পরীক্ষা স্থগিত!

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের এই শারীরিক শ্রম, আর্থিক ক্ষতি আর ভাঙা স্বপ্নের দায় কে নেবে? রাষ্ট্র কেন এখনো এই প্রশ্নফাঁস চক্রের লাগাম টানতে পারছে না? লাখ লাখ তরুণের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই ছেলেখেলা আর কতদিন চলবে? প্রশ্নফাঁস তো মহামারি আকার ধারণ করেছে! এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

বিক্ষোভকারীরা প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রেজওয়ান ইসলাম বলেন, উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষার্থীরা মতিঝিল শাপলা চত্বরে আন্দোলন করছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সহ পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়ন রয়েছে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি।

প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল ১১টায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে (১১তম গ্রেড) নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ২৪২টি পদের বিপরীতে সারা দেশ থেকে তিন লাখের বেশি


স্কুলে ভর্তিতে শিক্ষার্থীর বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

স্কুলে ভর্তিতে শিক্ষার্থীর বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর

সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে প্রথম শ্রেণিতে লটারি এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি করা হবে। নীতিমালায় কোন শ্রেণিতে ভর্তিতে বয়স কত হতে হবে, তা উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস।
বয়সসীমা কোন শ্রেণিতে কত বছর

নীতিমালার ধারা-২ এ বলা হয়েছে, ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ অনুযায়ী প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর বয়স ৬ বছর প্লাস (৬ বছরের বেশি) ধরে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষাবর্ষ, অর্থাৎ ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীর সর্বনিম্ন বয়স ৫ বছর এবং সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত হবে।

অন্যান্য সব শ্রেণিতে ভর্তির জন্য এ অনুসারে বয়স গণনা করতে হবে। শিক্ষার্থীর বয়স নির্ধারণের জন্য ভর্তির আবেদন ফরমের সঙ্গে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। আর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের বয়স নির্ধারণে সর্বোচ্চ ৫ বছরের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া যাবে।

নীতিমালার তথ্যমতে, দ্বিতীয় শ্রেণিতে সর্বনিম্ন বয়স হবে ৬ বছর এবং সর্বোচ্চ ৮ বছর; তৃতীয় শ্রেণিতে সর্বনিম্ন বয়স হবে ৭ বছর এবং সর্বোচ্চ ৯ বছর; চতুর্থ শ্রেণিতে সর্বনিম্ন বয়স হবে ৮ বছর এবং সর্বোচ্চ ১০ বছর; পঞ্চম শ্রেণিতে সর্বনিম্ন বয়স হবে ৯ বছর এবং সর্বোচ্চ ১১ বছর।

একইভাবে ষষ্ঠ শ্রেণিতে সর্বনিম্ন বয়স হবে ১০ বছর এবং সর্বোচ্চ ১২ বছর; সপ্তম শ্রেণিতে সর্বনিম্ন বয়স হবে ১১ বছর এবং সর্বোচ্চ ১৩ বছর; অষ্টম শ্রেণিতে সর্বনিম্ন বয়স হবে ১২ বছর এবং সর্বোচ্চ ১৪ বছর এবং নবম শ্রেণিতে সর্বনিম্ন বয়স হবে ১৩ বছর এবং সর্বোচ্চ ১৫ বছর।


এদিকে, শিক্ষাবর্ষ শুরু হবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি এবং শেষ হবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এছাড়া প্রতি শ্রেণির একটি শাখায় শিক্ষার্থীর সর্বোচ্চ সংখ্যা হবে ৫৫ জন।


মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এন্ট্রি শ্রেণি অর্থাৎ, প্রথম শ্রেণিতে এবং আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতে এ ভর্তি নীতিমালার আওতায় শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে।