শেয়ার বাজার

বাংলাদেশ ব্যাংক
ডলার তুলে নেওয়া ‘স্বল্পমেয়াদে স্বস্তি, দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি

প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

ডলার তুলে নেওয়া ‘স্বল্পমেয়াদে স্বস্তি, দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি

বাজারে ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে অতিরিক্ত ডলার সংগ্রহ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অন্য ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত ডলার তুলে নিচ্ছে। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ বাড়ছে।

তবে এই নীতি নিয়ে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও অর্থনীতিবিদদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে ভিন্নমত। স্বল্পমেয়াদে এটি স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা মাথায় রাখতে হয়। উদাহরণ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি ১০ বছর বন্ধ থাকার পর নতুন মেশিনারি আমদানি করে, তাহলে শুধু যন্ত্রপাতি নয়-কাঁচামাল, উৎপাদন পরিকল্পনাসহ নানা বিষয় আগেই নিশ্চিত করতে হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাষ্য, এই মুহূর্তে হয়তো ডলার বাজারে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে, কিন্তু সামনে যে বাড়তি চাহিদার চাপ আসবে সেটি কতটা সামাল দেওয়া যাবে—তা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, ‘ডলার কেনা নিয়ে লাভ–ক্ষতির রেকর্ড তোলার কোনো সুযোগ নেই। এটি এমন কোনো সিদ্ধান্ত নয় যেখানে খরচ করে লাভ দেখানো যায়। বরং অনেক সময় বাস্তব পরিস্থিতির চাপে বিনিয়োগ ও নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হয়।’

বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি বাজার থেকে ডলার কেনে না। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় ডলার রেখে অতিরিক্ত অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করে। ব্যাংকগুলোর ডলার ধারণের একটি সীমা রয়েছে এবং নেট ওপেন পজিশনের বাইরে গিয়ে তারা ডলার ধরে রাখতে পারে না।- বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান

তিনি বলেন, ‘ব্যবসা পরিচালনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর নতুন মেশিনারি আমদানি করলে কাঁচামালসহ নানা প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হয়। বর্তমানে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও সামনে বাড়তি চাহিদার চাপ কতটা সামাল দেওয়া যাবে-তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।’

ডলার কেনায় ক্যাশ মার্কেটে প্রভাব পড়ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি বাজার থেকে ডলার কেনে না। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় ডলার রেখে অতিরিক্ত অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করে। ব্যাংকগুলোর ডলার ধারণের একটি সীমা রয়েছে এবং নেট ওপেন পজিশনের বাইরে গিয়ে তারা ডলার ধরে রাখতে পারে না।’

ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ মনে করছে, যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন বাজার থেকে ডলার না তুলতো এবং ডলারের সরবরাহ হঠাৎ বেড়ে যেত, তাহলে ডলারের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যেত। এতে দেশের রপ্তানিকারকরা প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা হারাতেন, যা রপ্তানি খাতের জন্য বড় ধাক্কা হতো। তাদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে যখন একটি প্রকৃত বিনিয়োগবান্ধব সরকার দায়িত্ব নেবে এবং বিনিয়োগ বাড়বে, তখন প্রয়োজনীয় ডলার কোথা থেকে আসবে- এ প্রশ্ন আরও বড় হয়ে উঠতে পারে।

তাদের মতে, এখন যদি সরকার ডলার সংরক্ষণ না করে, তাহলে ভবিষ্যতে ডলারের দাম হঠাৎ ১১০ টাকা থেকে ১৩০ টাকায় উঠে যাওয়ার মতো বড় ফ্ল্যাকচুয়েশন দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে আমদানিকারকদের পক্ষে এ ধরনের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে একদিকে রপ্তানিকারক, অন্যদিকে আমদানিকারক— উভয় পক্ষই বড় চাপে পড়তে পারে।

ডলার কিনে রিজার্ভ বাড়ানো তখনই সমস্যা হয় যদি সেটি অর্থনীতির বাস্তব অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়। সঠিক সময়ে এটি করা হলে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে পারে। আর ভুল সময়ে হলে মুদ্রাস্ফীতি ও বাজারের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।- চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের রিসার্চ ফেলো অর্থনীতিবিদ এম হেলাল আহমেদ জনি

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি এবং এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, ‘ভবিষ্যতে বিনিয়োগবান্ধব সরকার এলে ডলারের চাহিদা বাড়বে। এখন ডলার সংরক্ষণ না করলে তখন ডলারের দাম হঠাৎ ১১০ টাকা থেকে ১৩০ টাকায় উঠে যেতে পারে, যা আমদানিকারকদের জন্য সামাল দেওয়া কঠিন হবে। ফলে রপ্তানিকারক ও আমদানিকারক-উভয় পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

এ শিল্প উদ্যোক্তার মতে, ডলারের দামের চেয়ে স্থিতিশীলতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বাজার থেকে ডলার কেনার বিকল্প নেই। সরকার শতভাগ সঠিক কাজটাই করছে।’

তবে অর্থনীতিবিদরা এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। তাদের মতে, বাজার থেকে ডলার সংগ্রহ করে রিজার্ভ বাড়ানো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কৌশলেরই একটি অংশ। এতে স্বল্পমেয়াদে ডলার বাজারে অস্থিরতা কমবে এবং কিছুটা স্বস্তি আসবে। কিন্তু যদি এটি দীর্ঘমেয়াদি নীতি হিসেবে চলতে থাকে, তাহলে ডলার নীতির দ্বিমুখী প্রভাব অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের রিসার্চ ফেলো অর্থনীতিবিদ এম হেলাল আহমেদ জনি বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, ‘ডলার কিনে রিজার্ভ বাড়ানো তখনই সমস্যা হয় যদি সেটি অর্থনীতির বাস্তব অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়। সঠিক সময়ে এটি করা হলে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে পারে। আর ভুল সময়ে হলে মুদ্রাস্ফীতি ও বাজারের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।’

বর্তমানে বাজারে থাকা অতিরিক্ত ডলার বাংলাদেশ ব্যাংক কিনে নিচ্ছে, যা সরাসরি যুক্ত হচ্ছে রিজার্ভে। ফলে রিজার্ভ বাড়লেও বেসরকারি খাতে ডলারের প্রাপ্যতা সংকুচিত হচ্ছে। এতে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলা আরও কঠিন হতে পারে এবং আমদানি ব্যয় বাড়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। অর্থনীতিবিদদের মতে, টেকসই সমাধান তখনই আসবে, যখন দেশে বাস্তব অর্থে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য (ভিসি) এবং অর্থনীতিবিদ ড. আব্দুল বায়েস বার্তাবেলা  নিউজকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কিনছে মূলত রিজার্ভ বাড়ানোর জন্য নয়, বরং ডলারের দাম যেন অতিরিক্ত কমে বা বেড়ে না যায়—সে লক্ষ্যেই। বাজারে ডলারের সরবরাহ হঠাৎ বেড়ে গেলে দাম পড়ে যেতে পারে, যা রেমিট্যান্স ও রপ্তানি খাতের জন্য ক্ষতিকর। এই ঝুঁকি এড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত ডলার কিনে নেয় এবং প্রয়োজন হলে ডলার ছেড়ে দিয়ে দাম নিয়ন্ত্রণ করে। এটি মূলত ডলার বাজারে একটি দ্বিমুখী হস্তক্ষেপ।’

তিনি বলেন, ‘ডলার কেনার ফলে রিজার্ভ বাড়ছে ঠিকই, কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই রিজার্ভ কী কাজে লাগছে। যদি একই সঙ্গে আমদানি, বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়তো, তাহলে রিজার্ভ বৃদ্ধির তাৎপর্য থাকতো। কিন্তু বর্তমানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি স্থবির। বলা যায়, চর্বি বাড়ছে, কিন্তু এক্সারসাইজ নেই।’

অধ্যাপক বায়েসের মতে, ‘স্বল্পমেয়াদে ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখা কার্যকর হলেও, দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ ও প্রকৃত ডলার চাহিদা তৈরি না হলে এই নীতির সুফল সীমিত থাকবে। ডলারের অস্থিতিশীলতাই রেমিট্যান্স, রপ্তানি ও আমদানির জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। তাই আপাতত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্য ডলার বাজার একটি ‘স্ট্যাবল জোনে’ (স্থিতিশীল) রাখা।

ঈদের আগে মসলার বাজারে স্বস্তি, বিক্রি কমে হতাশ ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

ঈদের আগে মসলার বাজারে স্বস্তি, বিক্রি কমে হতাশ ব্যবসায়ীরা

কোরবানির ঈদের আগে এবার রাজধানীর মসলার বাজার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। বেশ কিছু মসলার দাম কমেছে। খুচরা পর্যায়ে বিক্রি কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারেও চাহিদা কমেছে। এতে ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পেলেও অবৈধ পথে আসা মসলার কারণে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করছেন বিক্রেতারা।


তরুণ–তরুণীদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী চাকরি মেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

তরুণ–তরুণীদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী চাকরি মেলা

রাজশাহীতে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ তরুণ–তরুণীদের কর্মসংস্থানের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী একটি চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে নগরের একটি কনভেনশন সেন্টারে দিনব্যাপী এই মেলায় অংশ নিয়েছে ২৭টি প্রতিষ্ঠান।

পল্লী কর্ম–সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (আইডিএফ) এ মেলার আয়োজন করে।


জ্বালানি উপদেষ্টা
নতুন পে-স্কেল অন্তর্বর্তী সরকার বাস্তবায়ন করবে না

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬

নতুন পে-স্কেল অন্তর্বর্তী সরকার বাস্তবায়ন করবে না

অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না বলে স্পষ্ট করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, পে-কমিশনের প্রতিবেদন শুধু গ্রহণ করা হয়েছে, বাস্তবায়নের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার চাইলে এ সিদ্ধান্ত বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি এবং অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি একথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে পে-কমিশনের দাবি ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় একটি স্বাধীন পে-কমিশন প্রতিবেদন দিয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ মাত্র সীমিত সময়ের হওয়ায় এই সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়নে যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সুপারিশগুলো পরীক্ষা–নিরীক্ষার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা আর্থিক সক্ষমতা, মূল্যস্ফীতি ও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের বিষয়গুলো বিবেচনা করে মতামত দেবে।

পরবর্তী সরকার চাইলেই কি এ সুপারিশ বাতিল করতে পারবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, পরবর্তী সরকার যে কোনো কিছু করতে পারে। এ সরকার যেমন একটি নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। পরবর্তী সরকার ঠিক একইভাবে ক্ষমতাপপ্রাপ্ত ওরা যেকোনো কিছু করতে পারে।

কমিটির যে সুপারিশ দিয়েছে তা বাস্তবায়ন করতে গেলে এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। এই ব্যয়ের অর্থের সংস্থান কোথায় থেকে হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের যে কথা আপনারা বলছেন সেটা হবে যদি পে-কমিশনের সুপারিশ হুবহু বাস্তবায়ন করা হয় এবং একই সময়ে যদি সব বাস্তবায়ন করা হয়।

তিনি বলেন, আমি সরকারি কর্মকর্তা ছিলাম, বাস্তবতা হলো এ ধরনের পে-কমিশন একসঙ্গে সব বাস্তবায়িত হয় না, পর্যায়ক্রমে হয়। সম্ভবত একটি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে। অর্থের সংস্থান কিভাবে হবে, সেটিও সংশ্লিষ্ট কমিটি খতিয়ে দেখবে।

এ ধরনের সুপারিশ দিয়ে যাওয়ার কারণে পরবর্তী সরকারের জন্য চাপ হবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা একটি সীমিত সময়ের সরকার। আমরা অনেক কাজ করছি যাতে আগামী সরকার উপকৃত হয়।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন পে-কমিশন নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে একটা ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছিল। বিক্ষোভ হয়েছিল, নানা রকম। যাতে নতুন সরকার এসে এ ধরনের একটি অচল অবস্থা সম্মুখীন না হয়, আমরা চাচ্ছি নতুন যে সরকার আসবে তাদের যাত্রাপথ স্মুথ হয়। যেই সরকারই আসুক।

সুপারিশ গ্রহণ না করে এটা তো আপনারা পরবর্তী সরকারের জন্য রেখে যেতে পারতেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা কোন সুপারিশ গ্রহণ করিনি। শুধু রিপোর্টটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং সুপারিশ পরীক্ষার জন্য শুধু একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে।