শেয়ার বাজার

দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিম ভাইবোনদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

বুধবার (২৭ মে) বঙ্গভবন থেকে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।   

রাষ্ট্রপতি বলেন, ঈদুল আজহা শুধু মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবই নয় এটি আত্মত্যাগ, আত্মশুদ্ধি এবং হিংসা-বিদ্বেষ ও মনের পশুত্বকে কোরবানি করার এক মহিমান্বিত ও সর্বজনীন আহ্বান।

মহান আল্লাহ তা’য়ালার প্রতি পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ, অবিচল আনুগত্য এবং সামাজিক সাম্যের অনুপম মহিমায় সমুজ্জ্বল পবিত্র ঈদুল আজহা আবারও আমাদের সামনে সমাগত বলে উল্লেখ করে তিনি।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, মহান আল্লাহর নির্দেশ পালনে হজরত ইবরাহিম (আ:) তাঁর প্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ:)-কে কোরবানি করতে প্রস্তুত হয়ে যে আত্মসমর্পণ, ধৈর্য, বিশ্বাস ও আনুগত্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, তা মানবজাতির জন্য চিরন্তন আদর্শ হয়ে রয়েছে। এই মহান ঘটনা আমাদের আল্লাহর প্রতি ভক্তি ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার শিক্ষা দেয়।’

কোরবানির হিস্যা আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে সুষ্ঠু বণ্টনের মাধ্যমে সমাজে অংশীদারিত্ব, বৈষম্য হ্রাস, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত হয় উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, কোরবানির ঈদ গরিব মানুষের সারা বছরের আমিষ জোগানে সাহায্য করে। সার্বিক অর্থে দেশের অর্থনীতিকে ব্যাপকভাবে চাঙ্গা করে। 

নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করা এবং কোরবানির বর্জ্য ফেলা, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে সচেষ্ট থাকতে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। 

পবিত্র ঈদুল আজহার মহান শিক্ষাকে ধারণ করে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে সততা, সহনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও ত্যাগের আদর্শ প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিভেদ নয়, সম্প্রীতি; হিংসা নয়, সৌহার্দ্য; স্বার্থপরতা নয়, উদারতা-এই চেতনা লালন করে একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন, কল্যাণমুখী মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাঁধে কাঁধ রেখে একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘মহান আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের সকলের কোরবানি কবুল করুন, দেশ ও জাতির ওপর তাঁর অশেষ রহমত বর্ষণ করুন। ঈদুল আজহা সমগ্র বিশ্বে বয়ে আনুক শান্তি, স্থিতি, সম্প্রীতি ও অশেষ কল্যাণ।’

তদবির শিখতে ইনস্টিটিউট খোলার কথা বললেন এমপি শাহাজাদা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

তদবির শিখতে ইনস্টিটিউট খোলার কথা বললেন এমপি শাহাজাদা

বার্তাবেলা ডেস্ক: রাস্তাঘাটসহ এলাকার উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার (আধা সরকারি পত্র) দিয়ে এবং সংসদে বক্তব্য দিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন পটুয়াখালী-৩ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এসএম শাহাজাদা। এমন অভিযোগ করে তিনি তদবির শিখতে ইনস্টিটিউট খোলার কথা বলেছেন।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্পিকারকে উদ্দেশ করে শাহাজাদা বলেন, আমরা সংসদে কথা বলি। আমাকে ৭ মিনিট সময় দিয়েছেন। এজন্য লাখ টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। আমরা কথা বলি, কথাগুলোর বাস্তবায়ন হওয়ার প্রয়োজন। তা না হলে শুধু কথা বলবো এলাকার লোকজন ফেসবুকে দেখবেন এটা তো! আমরা যে কথাগুলো বলি এটার যদি প্রয়োজনীয়তা থাকে তাহলে তা বাস্তবায়ন হওয়া দরকার। বাস্তবায়নে আমরা মন্ত্রণালয়ে ডিও দেই। সংসদে কথা বলি। এছাড়া তো বাকি কোনো জায়গা নেই।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমরা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু বৈষম্য দেখি। আমরা দেখি কোনো না কোনো আসনে বিস্তর কাজ হয়। অনেক রাস্তা যায়। সেখানকার জনগণ ভোট দেয়। সেখানকার জনগণের ভোট একটি, আমার এলাকার জনগণেরও ভোট একটি। এরপরও আমরা অনেক সময় বৈষম্যের শিকার হই। এই বৈষম্য থেকে আমার নির্বাচনী এলাকা মুক্তি পাবে এই প্রার্থনা করি। না হলে জানতে চাই- ডিও লেটার দিয়ে কীভাবে তদবির করতে হয়। এই তদবির করার জন্য কোনো ইনস্টিটিউট খুলতে হবে। সেখানে গিয়ে আমরা তদবির শিখবো এবং তদবির করে কাজ নেবো।

শাহাজাদার এ বক্তব্যের সময় সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানান। তিনি আরও বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা গলাচিপার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ছাদ থেকে রোগীর গায়ে পলেস্তারা খসে খসে পড়ে। ফ্যান খুলে চিকিৎসকরা আহত হন।


রাজশাহীর চাঞ্চল্যকর জোড়া হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক নেপথ্য কাহিনী
৮ বার হাতবদল হওয়া মুঠোফোনেই খুলল মা-ছেলে খুনের জট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১ মে, ২০২৬

৮ বার হাতবদল হওয়া মুঠোফোনেই খুলল মা-ছেলে খুনের জট
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার দেউলা গ্রামে ২০১৪ সালের ২৩ নভেম্বর রাতে নিজ ঘরে নির্মমভাবে খুন হন আকলিমা বেওয়া ও তাঁর ছেলে জাহিদ হাসান।
দীর্ঘ এক বছর ধরে স্থানীয় পুলিশ তদন্ত করলেও এই রোমহর্ষক জোড়া হত্যাকাণ্ডের কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি। পরবর্তীতে তদন্তভার পাওয়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নজর দেয় ঘটনাস্থল থেকে খোয়া যাওয়া ভুক্তভোগীর একটি সাধারণ মুঠোফোনের দিকে। ফোনটির আইএমইআই নম্বর ধরে অনুসন্ধান করতে গিয়ে পিবিআই জানতে পারে, ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হওয়া এই ফোনটি একে একে আটবার হাতবদল হয়ে পৌঁছে গেছে নেত্রকোনার এক ব্যক্তির কাছে। এই সাধারণ একটি মুঠোফোনের সূত্র ধরেই শেষ পর্যন্ত উন্মোচিত হয় দীর্ঘদিনের ঢাকা পড়ে থাকা খুনের নেপথ্য কাহিনী।

পিবিআইয়ের নিবিড় তদন্তে বেরিয়ে আসে, পারিবারিক জমিজমা ও মাদক ব্যবসার বিরোধের জের ধরে আকলিমার চাচাতো দেবর আবুল হোসেন মাস্টার এবং প্রতিবেশী হাবিবুর রহমান এই হত্যাকাণ্ডের চূড়ান্ত নীল নকশা তৈরি করেছিলেন। খুনের উদ্দেশ্যে ১৮ কিলোমিটার দূর থেকে ভাড়াটে খুনিদের মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা ও ছেলেকে নির্মমভাবে জবাই করা হয়। ঘটনার পর হত্যাকারীরা আকলিমার মোবাইলটি সঙ্গে করে নিয়ে যায়, যা পরে হাতবদল হতে থাকে।

পিবিআই প্রধান মোস্তফা কামাল জানান, খোয়া যাওয়া ফোনের হাতবদলের প্রতিটি ধাপ চুলচেরা বিশ্লেষণ করেই মূল পরিকল্পনাকারীসহ ঘাতকদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে, যা দেশের অপরাধ তদন্তের ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন
স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব শিগগিরই: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব শিগগিরই: প্রতিমন্ত্রী

দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, বাজেটে নির্বাচনের বরাদ্দ আসার পর জুলাই-আগস্ট থেকে কোন নির্বাচন কবে হবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া  হবে।  

মঙ্গরবার (২ জুন) সকালে রাজধানীর গুলশান, বনানী ও হাতিরঝিল লেক পরিদর্শন শেষে তিনি এ সব কথা বলেন তিনি। 

মীর শাহে আলম আরও বলেন, দুই সিটিতে জনপ্রতিনিধি না থাকায় কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। তবে প্রশাসক নিয়োগের পর এখন কিছুটা কাজের গতি বেড়েছে। 

কাজে গাফিরতির অভিযোগে গতকাল দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়াকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। 

এর আগে, দুই সিটির দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়।