শেয়ার বাজার

স্থানীয় সরকার নির্বাচন
স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব শিগগিরই: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব শিগগিরই: প্রতিমন্ত্রী

দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, বাজেটে নির্বাচনের বরাদ্দ আসার পর জুলাই-আগস্ট থেকে কোন নির্বাচন কবে হবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া  হবে।  

মঙ্গরবার (২ জুন) সকালে রাজধানীর গুলশান, বনানী ও হাতিরঝিল লেক পরিদর্শন শেষে তিনি এ সব কথা বলেন তিনি। 

মীর শাহে আলম আরও বলেন, দুই সিটিতে জনপ্রতিনিধি না থাকায় কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। তবে প্রশাসক নিয়োগের পর এখন কিছুটা কাজের গতি বেড়েছে। 

কাজে গাফিরতির অভিযোগে গতকাল দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়াকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। 

এর আগে, দুই সিটির দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়।

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী হলেন প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী হলেন প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী (রুটিন)পদে দায়িত্ব পেয়েছেন সংস্থারই অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন তিনি এই পদের আগে প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রীজ প্রকল্পে প্রেষণে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ৪ জানুয়ারী ২০২৬ ইং বুধবার স্মারকে ৪৬.০০.০০০০.০০০.০৬৭.১২.০০০৭.২৫.৪৯/১(১৪) স্হানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব সচিব আশফিকুন নাহার সাক্ষরে এই আদেশ জারি হয়।

বর্তমানে তিনি অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (মানব সম্পদ উন্নয়ন, মান নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ ইউনিট)-এ কর্মরত থেকে পিইডিপি-৪ ইউনিটের দায়িত্ব যথাযথভাবে ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে পালন করছেন এবং দীর্ঘদিন তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে প্রশাসন শাখায় সততা ও দক্ষতার সহিত দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

তিনি একজন মেধাবী, চৌকস, কর্মঠ, দক্ষ, সৎ প্রকৌশলী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। চাকরিতে যোগদানের পর পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে তিনি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন কারিগরি, ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা ও অন্যান্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণ, আন্তর্জাতিক সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তিনি বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। এলজিইডিতে সদালাপী ও সজ্জন হিসেবে তাঁর বেশ সুনাম আছে।


২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি, এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১১৮ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। 

বুধবার (২৭ মে) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। 

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ২, ময়মনসিংহে ২ এবং রাজশাহী বিভাগে ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, নতুন করে ঢাকা বিভাগে ৫৬৩, রাজশাহীতে ৫১, সিলেটে ৩০, বরিশালে ১৩৭, চট্টগ্রামে ১৭৫, ময়মনসিংহে ৬২, খুলনায় ৭৮ এবং রংপুর বিভাগে ২১ জন রোগী হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।    

এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বুধবার (২৭ মে) পর্যন্ত দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে ৫৬০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 


ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ মার্চ, ২০২৪

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা। নগরীর ৫ হাজার রেস্তোরাঁর মধ্যে অগ্নিনিরাপত্তা সনদ আছে হাজারখানেকের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি বহুতল ভবনে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ রেস্তোরাঁ থাকার কথা থাকলেও মানছে না কেউ। 

ধানমন্ডির গাউসিয়া টুইনপিক ভবনটি পরোটাই ঠাসা রেস্তোরাঁ দিয়ে। ওঠা-নামার একমাত্র পথ লিফট। ভেতরে দুটি সিড়ি থাকলেও একটি বন্ধ গোডাউনে, অন্যটি দখলে সিলিন্ডারে। বারান্দা থাকলেও তা কাচে ঢাকা। এ যেন পুরোই বোমার কারখানা।

টুইনপিক ভবনের নকশা করেন স্থপতি মুস্তাফা খালিদ পলাশ। বেইলি রোড ট্রাজেডির পর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে ভবনটি এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান এই স্থপতি। নিজের সৃষ্টির এমন অবস্থা দেখে বিষ্মিত তিনি। দাবি করেন, অফিসের জন্য করা ভবন রেস্তোরাঁ বানিয়ে সব কিছুই পাল্টে ফেলেছেন ভবন মালিক ও ব্যবস্যায়ীরা।

মুস্তাফা খালিদ পলাশ বলেন, এটি ডিজাইন করেছিলাম বাণিজ্যিক ভবন হিসেবে। আমি কোনোভাবেই সেটি কেমিক্যাল গুদাম হিসেবে ডিজাইন করেনি।

একই অবস্থা ধানমন্ডিসহ রাজধানীর বেশিরভাগ ভবনের। রাজধানীতে প্রকৃত অর্থে কেমন ভবন নির্মাণ হওয়া উচিত? এ প্রশ্নে এই স্থপনি জানান, সর্বোচ্চ ১০ ভাগ রেস্তোরাঁ থাকতে পারবে একটি সুউচ্চ বানিজ্যিক ভবনে।

তিনি বলেন, ভবনে রেস্টুরেন্ট দেয়ার ক্ষেতে একটি মাত্রা নিদির্ষ্ট করে দেয়া উচিত। ১০০ পার্স্টেন্ট কোনোভাবেই নয়। এই কালাচার আমি কোথাও দেখিনি। সাম্প্রতিক বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। 

তাহলে এগুলো দেখবে কারা? সরকারের কয়েকটি সংস্থা এর তদারকির দায়িত্বে থাকলেও শুধু খাবারে ভেজালবিরোধি অভিযানেই সারা। ফায়ার সার্ভিসের সাবেক ডিজি ব্রি.জে. আবু নাঈম মো. শহীদুল্লাহ বলছেন, সরকারি সংস্থার উদাশীনতা ও আইন না মানার প্রবনতা বাড়াচ্ছে সংকট।

রাজধানীর ৫ হাজারের বেশি রেস্তোরাঁ থাকলেও ফায়ার সার্টিফিকেট আছে হাজার খানিকের। অন্যান্য সংস্থার অনুমোদনের ধারধারে না কেউ।