?> স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব শিগগিরই: প্রতিমন্ত্রী | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

স্থানীয় সরকার নির্বাচন
স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব শিগগিরই: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব শিগগিরই: প্রতিমন্ত্রী

দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, বাজেটে নির্বাচনের বরাদ্দ আসার পর জুলাই-আগস্ট থেকে কোন নির্বাচন কবে হবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া  হবে।  

মঙ্গরবার (২ জুন) সকালে রাজধানীর গুলশান, বনানী ও হাতিরঝিল লেক পরিদর্শন শেষে তিনি এ সব কথা বলেন তিনি। 

মীর শাহে আলম আরও বলেন, দুই সিটিতে জনপ্রতিনিধি না থাকায় কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। তবে প্রশাসক নিয়োগের পর এখন কিছুটা কাজের গতি বেড়েছে। 

কাজে গাফিরতির অভিযোগে গতকাল দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়াকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। 

এর আগে, দুই সিটির দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়।

নিরাপদ পানির নিশ্চয়তায় ২৫ হাজার কোটি টাকার সমন্বিত প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

নিরাপদ পানির নিশ্চয়তায় ২৫ হাজার কোটি টাকার সমন্বিত প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার

সারাদেশের মানুষের কাছে নিরাপদ পানি পৌঁছে দিতে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার একটি সমন্বিত প্রকল্পের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইউনিসেফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আজকে ইউনিসেফের সঙ্গে কথা বলেছি একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে। সেটা হচ্ছে কীভাবে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের কাছে আমরা নিরাপদ পানি পৌঁছে দিতে পারি। আপনারা জানেন যে, পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। কিন্তু এই পানি যদি দূষিত হয়, যদি জীবাণুপূর্ণ হয়, তাহলে এই পানি মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আজকের দুনিয়ায় একদিকে পানি মানুষের জীবনের জন্য অপরিহার্য, অন্যদিকে এই পানি আবার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের কাছে নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। এ চ্যালেঞ্জ নিয়েই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।’

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘আমাদের নদীতে অনেক পানি আছে, কিন্তু সেই নদীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। আমাদের যে উজান, নদীর উজানগুলোতে পানি প্রত্যাহার করা হচ্ছে। পানি শুকিয়ে যাওয়ার ফলশ্রুতিতে একদিকে যেমন আমাদের উত্তরের জেলাগুলোতে ডেজার্টিফিকেশন হচ্ছে, অর্থাৎ মরুভূমিজনিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে, আবার এর দ্বিতীয় একটি প্রভাব রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নদীগুলো দিয়ে পানি বঙ্গোপসাগরে যায়। এই পানির পরিমাণ কমে গেলে সমুদ্রের পানির লবণাক্ততা ওপরের দিকে উঠতে থাকে। এ কারণে দক্ষিণাঞ্চলে বিগত কয়েক দশক ধরে উজানে পানি প্রত্যাহারের কারণে পানীয় জলের বিরাট সমস্যা দেখা দিয়েছে। যারা দক্ষিণাঞ্চলের অধিবাসী অথবা আপনারা যদি তাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলে জানতে পারবেন যে সুপেয় পানি কীভাবে মারাত্মক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সমস্ত বিষয় বিবেচনা করে আমাদের দায়িত্ব মানুষের কাছে সুপেয় পানি পৌঁছে দেওয়া। এবং সেই উদ্দেশ্যে আমরা কীভাবে জাতিসংঘের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করে মানুষের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারি, তার অর্থায়ন কীভাবে হবে, সেটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’

সুপেয় পানির জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্পে কত টাকা ব্যয় হবে, জানতে চাইলে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘আজকে আমরা সম্মিলিতভাবে যে টাকার প্রকল্প নিয়ে আলাপ করেছি, তা শুধু ইউনিসেফ নয়। এখানে বিভিন্ন সংস্থা রয়েছে, সবাইকে মিলিয়ে যোগ করলে প্রায় এটা ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউএস ডলারের দাঁড়াবে। তার অর্থ হচ্ছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার মতো।’

বৈঠকে শুধু ইউনিসেফ নয়, বিশ্বব্যাংক ও ওয়াটারএইডের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি। এসব সংস্থাকে নিয়ে সমন্বিতভাবে পরিকল্পনা করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের যে লিড মিনিস্ট্রি যেটা, এলজিআরডি আপনারা বলেন, এই মন্ত্রণালয়ের প্রধান একটি প্রধান কাজ হচ্ছে মানুষের যে জীবন, যে পানি, সেই নিরাপদ পানি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় দাতা সংস্থার কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা পেয়ে আসছে। তবে সেই সহায়তা সঠিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘ফরচুনেটলি বাংলাদেশ কিন্তু বাইলেটারাল এবং মাল্টিলেটারাল ডোনার উভয়পক্ষ থেকে যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা সহায়তা আমরা পেয়েছি। তবে আমি কিন্তু খোলাখুলি একটা কথা বলবো, সেই সহায়তা কিন্তু আমরা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারি নাই।’

বর্তমানে বিদেশি অর্থায়নের পরিমাণও কমে আসছে। ধনী দেশগুলো নিজেরাও অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাওয়ায় দরিদ্র দেশগুলোর জন্য সহায়তার পরিমাণ কমছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশে দীর্ঘ ১৭ বছর পরে যখন একটি গণতান্ত্রিক সরকার ফিরে এসেছে, আমরা যেভাবে জবাবদিহিমূলক একটি সরকার গঠন করে মানুষের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি, সেই পরিস্থিতিতে বিগত ১৭ বছরে যে অপচয় হয়েছে, যে দুর্নীতি হয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের, যারা তাদের গায়ের রক্ত জল করে, যারা পরিশ্রম করে এই দেশকে তারা গড়ে তুলেছে, তাদের সেই সম্পদ যে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল বিগত ১৭ বছরে, আমরা সেটা বন্ধ করেছি ইতিমধ্যেই, আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে।’

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে আমি বিশ্বাস করি এই দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করে আমরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে, জনগণের সেবায় সঠিকভাবে নিয়োজিত করবো।’


দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচদিনের ছুটি পাচ্ছে দেশ। ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিনদিন ছুটি ঘোষণা করে বুধবার (৭ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এরপর থাকছে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি।

পূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির মাঝখানের কর্মদিবস ২২ অক্টোবরও (বৃহস্পতিবার) ছুটি ঘোষণা করায় টানা পাঁচদিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এর আগে ১৭ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা থাকবে।

গত সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটির তারিখ পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে এবং ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি রয়েছে। ২২ অক্টোবর অফিস খোলা ছিল। ওইদিনও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা প্রস্তাব অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। ফলে এই তিনদিনের পূজার ছুটির পর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা পাঁচদিনের ছুটির উপভোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ছুটি ঘোষণার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর যথাক্রমে মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ছুটি থাকবে। আগামী ১৭ অক্টোবর শনিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসসমূহ খোলা থাকবে।

এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচদিন ছুটি কাটানো যাবে।
ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন যারা

১) জরুরি পরিষেবা যেমন- বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

২) হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

৩) চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মীরা এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মীরা এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

৪) জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিস এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

৫) ব্যাংক কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

৬) বেসরকারি খাতের শিল্পপ্রতিষ্ঠান/কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণার ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।


ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ মার্চ, ২০২৪

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা। নগরীর ৫ হাজার রেস্তোরাঁর মধ্যে অগ্নিনিরাপত্তা সনদ আছে হাজারখানেকের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি বহুতল ভবনে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ রেস্তোরাঁ থাকার কথা থাকলেও মানছে না কেউ। 

ধানমন্ডির গাউসিয়া টুইনপিক ভবনটি পরোটাই ঠাসা রেস্তোরাঁ দিয়ে। ওঠা-নামার একমাত্র পথ লিফট। ভেতরে দুটি সিড়ি থাকলেও একটি বন্ধ গোডাউনে, অন্যটি দখলে সিলিন্ডারে। বারান্দা থাকলেও তা কাচে ঢাকা। এ যেন পুরোই বোমার কারখানা।

টুইনপিক ভবনের নকশা করেন স্থপতি মুস্তাফা খালিদ পলাশ। বেইলি রোড ট্রাজেডির পর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে ভবনটি এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান এই স্থপতি। নিজের সৃষ্টির এমন অবস্থা দেখে বিষ্মিত তিনি। দাবি করেন, অফিসের জন্য করা ভবন রেস্তোরাঁ বানিয়ে সব কিছুই পাল্টে ফেলেছেন ভবন মালিক ও ব্যবস্যায়ীরা।

মুস্তাফা খালিদ পলাশ বলেন, এটি ডিজাইন করেছিলাম বাণিজ্যিক ভবন হিসেবে। আমি কোনোভাবেই সেটি কেমিক্যাল গুদাম হিসেবে ডিজাইন করেনি।

একই অবস্থা ধানমন্ডিসহ রাজধানীর বেশিরভাগ ভবনের। রাজধানীতে প্রকৃত অর্থে কেমন ভবন নির্মাণ হওয়া উচিত? এ প্রশ্নে এই স্থপনি জানান, সর্বোচ্চ ১০ ভাগ রেস্তোরাঁ থাকতে পারবে একটি সুউচ্চ বানিজ্যিক ভবনে।

তিনি বলেন, ভবনে রেস্টুরেন্ট দেয়ার ক্ষেতে একটি মাত্রা নিদির্ষ্ট করে দেয়া উচিত। ১০০ পার্স্টেন্ট কোনোভাবেই নয়। এই কালাচার আমি কোথাও দেখিনি। সাম্প্রতিক বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। 

তাহলে এগুলো দেখবে কারা? সরকারের কয়েকটি সংস্থা এর তদারকির দায়িত্বে থাকলেও শুধু খাবারে ভেজালবিরোধি অভিযানেই সারা। ফায়ার সার্ভিসের সাবেক ডিজি ব্রি.জে. আবু নাঈম মো. শহীদুল্লাহ বলছেন, সরকারি সংস্থার উদাশীনতা ও আইন না মানার প্রবনতা বাড়াচ্ছে সংকট।

রাজধানীর ৫ হাজারের বেশি রেস্তোরাঁ থাকলেও ফায়ার সার্টিফিকেট আছে হাজার খানিকের। অন্যান্য সংস্থার অনুমোদনের ধারধারে না কেউ।