?> ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তির ২০ বছর | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তির ২০ বছর

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তির ২০ বছর

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংককে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণার ২০ বছর পূর্ণ হবে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর)। ২০০৬ সালের ১৩ অক্টোবর নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি এই পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা দেয়। দারিদ্র্য দূরীকরণে তৃণমূল পর্যায় থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এই স্বীকৃতি তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের, বিশেষ করে নারীদের ক্ষমতায়নে ক্ষুদ্রঋণের ভূমিকা এবং প্রথাগত আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে থাকা মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টির বিষয়টিকে বিশ্বব্যাপী গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে।

প্রফেসর ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে, আর্থিক সেবা প্রাপ্তি এবং মানুষের উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে কীভাবে দারিদ্র্য দূরীকরণ ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখা সম্ভব।

২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে নোবেল কমিটি স্বীকৃতি দিয়েছিল যে, দারিদ্র্য নিছক একটি অর্থনৈতিক সমস্যা নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও শান্তি। কোনো ব্যক্তি যখন অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত হন এবং নিজের জীবন ও ভবিষ্যৎ গড়ার কোনো সুযোগ পান না, তখন হতাশা ও অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়।

অন্যদিকে, মানুষ যখন অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়িত হন, নিজেদের জীবনের দায়িত্ব ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সুযোগ পান এবং সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত হন, তখন শান্তির ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হয়।

২০০৬ সালের ১০ ডিসেম্বর নরওয়ের রাজপরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে অসলো সিটি হলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেদিন প্রফেসর ইউনূস তাঁর পদক ও সনদ গ্রহণ করেন এবং নোবেল বক্তৃতা প্রদান করেন। গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতা ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মোসাম্মৎ তাসলিমা বেগম গ্রামীণ ব্যাংকের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

এছাড়া অসলো স্পেকট্রামে নোবেল শান্তি পুরস্কার কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এতে পারফর্ম করেন- সঙ্গীতশিল্পী লিওনেল রিচি, রিহানা, অপেরা ও জ্যাজ শিল্পী রেনে ফ্লেমিং, অপেরা শিল্পী মনিকা ইউনূস, সংগীতশিল্পী পলিনা রুবিও, হাকিম, ‘সিম্পলি রেড’-এর মিক হাকনাল, ইউসুফ ইসলাম (‘ক্যাট স্টিভেন্স’ নামে পরিচিত) এবং উইনোনা জাড।

কনসার্টটি সঞ্চালনা করেন হলিউড অভিনয়শিল্পী অ্যাঞ্জেলিকা হিউস্টন ও শ্যারন স্টোন। সেদিন মঞ্চে পারফর্ম করেন বাংলাদেশের নৃত্যশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘নৃত্যাঞ্চল’ এর শিল্পীরা।

পাঁচ দশক আগে প্রফেসর ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্বকে বার্তা দিয়েছিলেন, যে পদ্ধতি দরিদ্র মানুষের জীবনকে স্বীকার করে না, সেই পদ্ধতি ভুল। সেটিকে পাল্টে দেওয়া প্রয়োজন। এমন ব্যাংক গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে কোনো জামানত চাওয়া হবে না; যেখানে ব্যাংকিং কাঠামোর ভিত্তি হবে মানুষের পারস্পরিক আস্থা।

নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণার দুই দশক পর আজও এই দর্শন আরও ন্যায়সঙ্গত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টায় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে।

গ্রামীণের কাজ শুধু ক্ষুদ্রঋণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। মানুষের জীবনের প্রয়োজনকে সামনে রেখে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হয়েছে নানা উদ্যোগ—ভিলেজ ফোনের ‘টেলিফোন লেডি’ গ্রামের মানুষের হাতে যোগাযোগ ও তথ্য পৌঁছে দিয়েছে; গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগ প্রত্যন্ত মানুষের কাছে চিকিৎসা পৌঁছে দিয়েছে; ‘গ্রামীণ ক্যালেডোনিয়ান কলেজ অব নার্সিং’ দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী গড়ে তুলেছে; গ্রামীণের শিক্ষা উদ্যোগ প্রান্তিক শিশুদের শিক্ষার সুযোগ বাড়িয়েছে।

আবাসন, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থান—জীবনের বিভিন্ন মৌলিক প্রয়োজনকে একসঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে এসব উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল একটি বিষয়ই: মানুষকে শুধু ঋণ দেওয়া নয়, বরং তার নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য, সাবলম্বী করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ ও সক্ষমতার পরিসর তৈরি করা।

গ্রামীণের দীর্ঘদিনের কাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো— মানুষকে সহায়তার পাত্র হিসেবে নয়, নিজের ভাগ্য পরিবর্তনে সক্ষম একজন ব্যক্তি হিসেবে দেখতে হবে। গ্রামীণের অর্জন হলো দরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং প্রাতিষ্ঠানিক অর্থব্যবস্থার বাইরে থাকা মানুষকে উৎপাদন ও বিনিয়োগের সুযোগ করে দেয়া।

বর্তমানে প্রফেসর ইউনূস বিশ্বব্যাপী সামাজিক ব্যবসার প্রচার ও প্রসারে কাজ করে চলেছেন। মানুষকে মূলত ভোক্তা ও মুনাফা তৈরির উপকরণ হিসেবে নয় বরং মানুষের সৃজনশীল সত্তাকে, কল্পনাশক্তিকে গুরুত্ব দেওয়ার পক্ষে কাজ করে চলেছেন।

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমান সভ্যতাকে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ এবং ‘আত্মবিধ্বংসী’ হিসেবে চিহ্নিত করে তিন শূন্যের পৃথিবী (শূন্য নিট কার্বণ নিঃসরণ, দারিদ্র্যের অবসানে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীভবন ও উদ্যোক্তাশক্তির বিকাশের মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব) গড়ার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী তাঁর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

আমরাও একদিন চাঁদে যাবো: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ জুন, ২০২৪

আমরাও একদিন চাঁদে যাবো: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ একদিন চাঁদে যাবে, এমন প্রত্যাশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন প্রজন্মকে সেভাবে জ্ঞান-বিজ্ঞানে দক্ষ করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, ‘একসময় আমাদের চাঁদেও যেতে হবে, চাঁদও জয় করতে হবে। সেই বিজ্ঞানসম্পন্ন জ্ঞানটা যেন আমাদের শিশুরা এখন থেকে পায়, সেজন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩’ এবং ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৪’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মহাকাশ গবেষণা এবং এ বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ সৃষ্টির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি, অ্যারোস্পেস এবং অ্যাভিয়েশন ইউনিভার্সিটিও করেছি। অ্যারোনটিক্যাল সেন্টারও করে দিয়েছি। গবেষণা এবং সেই সঙ্গে আমাদের শিশুদের এখন থেকে সেভাবে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।’

শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারের আন্তরিকতা ও উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবসময় আমরা একটা সুষম, জনকল্যাণমুখী, সর্বজনীন, মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা করতে চাই। আর শুধু ওই কেতাবই পড়ে না, ছোট ছোট শিশুদের ভেতরে যে মেধা-মনন সেগুলোও তো আমাদের বের করে আনতে হবে। তাদের সুযোগ দিতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাদের ভেতরে যে একটা কিছু করার ক্ষমতা আছে, সেটা যাতে বিকশিত হয় সেই সুযোগটা সৃষ্টি করা দরকার। আর সেদিকে লক্ষ রেখেই কিন্তু শিক্ষা কারিকুলাম-আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানের মধ্যে নিয়ে এসে স্কুলে কম্পিউটার করা হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে প্রতিটি স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব করা। প্রথমে এটা মাধ্যমিক থেকে শুরু করেছিলাম, এখন আমাদের লক্ষ্য প্রাইমারি থেকেই শুরু করে দেবো।’

দুই বছরের জন্য প্রি-প্রাইমারি চালুর কথা জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘প্রি-প্রাইমারি আমরা চালু করেছি। প্রি-প্রাইমারি এক বছরের জন্য, এখন আমরা সেটা দুই বছরের জন্য করতে চাচ্ছি। শুধু পড়াশোনা না, আসবে-যাবে, একসঙ্গে বসবে, বন্ধুদের নিয়ে খেলাধুলা করবে, ওই খেলাধুলার মধ্য থেকেই তাদের ভেতরে যে সুপ্ত মেধাটা আছে, সেই মেধাটা কীভাবে বিকশিত করা যায়, সেই ধরনের ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে। তাহলেই কিন্তু এই ছেলে-মেয়ে, এরাই তো ভবিষ্যৎ আমাদের। সেভাবে আমরা তাদের তৈরি করে দেবো।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকের যুগ হচ্ছে প্রযুক্তির, কাজেই কম্পিউটার শেখা, আমরা যেমন ল্যাব করে দিচ্ছি, ইনকিউবেশন সেন্টারও করে দিচ্ছি। সেভাবে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন জনগোষ্ঠী আমরা গড়ে তুলতে চাই। সেদিকে লক্ষ রেখেই আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের বাংলাদেশ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। তাহলে আমাদের স্মার্ট সিটিজেন হবে। স্মার্ট সরকার, স্মার্ট অর্থনীতি, স্মার্ট সমাজ। অর্থাৎ প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি। এই ছোটবেলা থেকে, শিশুকাল থেকে ধীরে ধীরে তারা গড়ে উঠবে, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। দেশের উন্নয়নে তাদের চিন্তা-ভাবনা, তারা আরও নতুন নতুন উদ্ভাবনী শক্তি দিয়েই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেটাই আমি চাই।’

আজকের শিশুরা আগামী দিনের কর্ণধার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের শিশু আগামী দিনের নাগরিক। যারা একদিন এ দেশের কর্ণধার হবে। এই শিশুদের মধ্য থেকেই একদিন কেউ প্রধানমন্ত্রী হবে, মন্ত্রী হবে, বড় বড় সরকারি চাকরি করবে, বৈজ্ঞানিক হবে।’

তিনি বলেন, ‘আজকের শিশুরাই আগামী দিনে স্মার্ট বাংলাদেশের পরিচালক হিসেবে পরিচালনার দায়িত্ব নেবে, সেটাই আমাদের আশা। ২০৪১ সালের মধ্যে হবে স্মার্ট বাংলাদেশ এবং আর ২১০০ সালে ডেল্টা প্ল্যানও করে দিয়েছি। যেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম তারা সুন্দর জীবন পায়, সেটাই আমার লক্ষ্য।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমাদের ছেলে-মেয়েরা শিক্ষাদীক্ষায়, সংস্কৃতি চর্চায়, খেলাধুলা, সবদিকে যেন উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। সেটাই আমরা করতে চাই। তার জন্য যা যা প্রয়োজন সব কিছু আমরা করবো।’

এ বছর ১৮ ক্যাটাগরিতে মোট ১২৬ শিক্ষার্থী, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩’ প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ৫৪ শিক্ষার্থী, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহমেদ।


এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

দেশে এলপিজির কোনো সংকট নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ এলপিজি মজুত করে জনঅসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা করলে সরকার ব্যবস্থা নেবে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বরাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, গত আগস্টে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে এ পর্যন্ত আমদানি হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন। সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী দেশে এলপিজির সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের বাজারে এলপিজির কোনো সংকট নেই বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররা। সম্প্রতি এলপিজির আমদানি, মজুত, সরবরাহ পরিস্থিতি ও বাজারদর পর্যালোচনায় আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তারা এ নিশ্চয়তা দেন।

পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও কোথাও কোথাও এলপিজির দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ যেন মজুত করে জনঅসন্তোষ সৃষ্টি না করেন, সে বিষয়ে মন্ত্রী সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছেন।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে পণ্যের বাজারে এক ধরনের জল্পনামূলক প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাবেও দাম বাড়ার প্রবণতা থাকতে পারে। সরকার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


হরিপুরে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস-২০২৪  অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ মার্চ, ২০২৪

হরিপুরে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস-২০২৪  অনুষ্ঠিত

হরিপুর প্রতিনিধিঃ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ি ভোক্তার স্বার্থে কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা ব্যবহার করি।

হরিপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শুক্রবার-১৫ মার্চ সকাল ১১:০০ ঘটিকায়  উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন- ২০০৯, বাস্তবায়নে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফয়েজ মোহাম্মদ জামান সহকারি শিক্ষক, হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

ভোক্তা অধিকার দিবসে রাসায়নিক সার, কীটনাশক, মেডিসিন,কসমেটিকপণ্যের  বাজার, কৃষি পণ্যের বাজার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সংকট নিরসন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা  হয়। 

উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার পক্ষে ডাঃ সূবর্ণা রানী বলেন,উপজেলায় গত সপ্তাহে  বিভিন্ন হাটবাজারে ভোক্তা অধিকার আইনে অর্থ দন্ড করা হয়েছে । বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সীমাহীন মূল্য বৃদ্ধি কারণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠে গেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

তিনি আরো বলেন,নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধিতে  সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ও বিভিন্ন অভিযোগ করছেন । এই ভাবে চলতে থাকলে সাধারণ মানুষ আরো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।