?> চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়তে রাঙ্গুনিয়ায় ফ্রি বাস। | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়তে রাঙ্গুনিয়ায় ফ্রি বাস।

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়তে রাঙ্গুনিয়ায় ফ্রি বাস।

রাংগুনিয়া প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় রাঙ্গুনিয়ার শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও  রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস ফোরামের প্রধান পৃষ্টপোষক ড. হাছান মাহমুদ এমপি'র তত্ত্বাবধানে ফ্রি বাস সাভিস চালু করা হয়েছে।  

বাস সার্ভিস চালু হওয়ায় রাঙ্গুনিয়া থেকে ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়াতে শিক্ষার্থীদের পথের দূর্ভোগটা কমবে।’

শনিবার (২ মার্চ) সকালে  “রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্ট ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়” সংগঠনের উদ্যোগে এ. বি.সি.ও ডি. ইউনিটে ৪ দিনের ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করা হয়। ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন “রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্ট ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়” সংগঠনের সহযোগিতায় প্রতিদিন বাস সার্ভিস রাঙ্গুনিয়ার রোয়াজারহাট থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যাবে।

কয়েক বছর ধরে রাঙ্গুনিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য সেবাটি চলছে। বাস সার্ভিস উদ্বোধনীতে  উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের শাখার সভাপতি বি. কে লিটন চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগে সভাপতি রাসেল রাসু,রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্ট'স ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মোস্তফা আজিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবিনা চৌধুরী, বর্তমান সভাপতি মুহাম্মদ আবু মোকাররম দস্তগীর, সাধারণ সম্পাদক পলাশ বড়ুয়া প্রমুখ। বাসটি ৪৫ জনের বেশি শিক্ষার্থীও অভিভাবককে নিয়ে ট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গমন করে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হবে যথাসময়ে: দীনেশ ত্রিবেদী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হবে যথাসময়ে: দীনেশ ত্রিবেদী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর যথাসময়ে হবে এবং এ নিয়ে তাড়াহুড়োর কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
মঙ্গলবার ( ২৯ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে তাড়াহুড়োর কিছু নাই, যথাসময়ে সফর হবে। সফরসূচি ঠিক করতে এখনো ইতিবাচক আলোচনা চলছে।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, এই সফর নিয়ে দুই দেশই ইতিবাচক। যেহেতু সব কিছু ইতিবাচক; এই সফর নিয়ে তিনি আশাবাদী। 
 
তবে নভেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে যেতে পারেন বলে ভারতের গণমাধ্যমে যেসব খবর বেরিয়েছে সেগুলোকে সমর্থন করেননি দীনেশ ত্রিবেদী। 


সাধারণ মানুষের কথা শুনতে ঈদে গ্রামগঞ্জের হাটবাজারে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬

সাধারণ মানুষের কথা শুনতে ঈদে গ্রামগঞ্জের হাটবাজারে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নিজ সংসদীয় এলাকার সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও প্রত্যাশার কথা সরাসরি শুনতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। বুধবার (২৭ মে ) প্রটোকল ছাড়াই তাকে দেখা গেছে ময়মনসিংহের গ্রামগঞ্জের হাটবাজারে। 

ঈদের ছুটির এই দিনগুলোতে নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করে মানুষের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন এবং সরাসরি সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী। চায়ের দোকানের আড্ডায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের রাস্তাঘাটের সমস্যা, জনসেবা প্রাপ্তির প্রতিবন্ধকতা ও এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর কাছে সরাসরি মতামত জানান।

প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে সবার কথা শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে সব সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দেন। ঈদের সময় একজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীকে এভাবে নিজেদের মাঝে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ঈদ কেবল আনুষ্ঠানিক আনন্দের উৎসব নয়, এটি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ারও সময়। নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রকৃত অবস্থা ও সমস্যাগুলো সরাসরি জানতেই আমি তৃণমূলের মানুষের কাছে ছুটে এসেছি। জনসেবা এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণেই এই সরকার সবসময় কাজ করে যাবে। 

দুর্যোগ কবলিত মানুষের উদ্দেশে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, মানুষের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপদে সরকার সবসময় পাশে আছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যেন দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে, সে জন্য সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকবে। একই সাথে তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন। 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং পশুর দাম, বেচাকেনার অবস্থা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে খোঁজখবর নেন তিনি। হাটে সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখা, কৃত্রিম যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং ঈদের দিন কোরবানির পর পশুর বর্জ্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপসারণ করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। 


রাজশাহীর চাঞ্চল্যকর জোড়া হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক নেপথ্য কাহিনী
৮ বার হাতবদল হওয়া মুঠোফোনেই খুলল মা-ছেলে খুনের জট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১ মে, ২০২৬

৮ বার হাতবদল হওয়া মুঠোফোনেই খুলল মা-ছেলে খুনের জট
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার দেউলা গ্রামে ২০১৪ সালের ২৩ নভেম্বর রাতে নিজ ঘরে নির্মমভাবে খুন হন আকলিমা বেওয়া ও তাঁর ছেলে জাহিদ হাসান।
দীর্ঘ এক বছর ধরে স্থানীয় পুলিশ তদন্ত করলেও এই রোমহর্ষক জোড়া হত্যাকাণ্ডের কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি। পরবর্তীতে তদন্তভার পাওয়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নজর দেয় ঘটনাস্থল থেকে খোয়া যাওয়া ভুক্তভোগীর একটি সাধারণ মুঠোফোনের দিকে। ফোনটির আইএমইআই নম্বর ধরে অনুসন্ধান করতে গিয়ে পিবিআই জানতে পারে, ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হওয়া এই ফোনটি একে একে আটবার হাতবদল হয়ে পৌঁছে গেছে নেত্রকোনার এক ব্যক্তির কাছে। এই সাধারণ একটি মুঠোফোনের সূত্র ধরেই শেষ পর্যন্ত উন্মোচিত হয় দীর্ঘদিনের ঢাকা পড়ে থাকা খুনের নেপথ্য কাহিনী।

পিবিআইয়ের নিবিড় তদন্তে বেরিয়ে আসে, পারিবারিক জমিজমা ও মাদক ব্যবসার বিরোধের জের ধরে আকলিমার চাচাতো দেবর আবুল হোসেন মাস্টার এবং প্রতিবেশী হাবিবুর রহমান এই হত্যাকাণ্ডের চূড়ান্ত নীল নকশা তৈরি করেছিলেন। খুনের উদ্দেশ্যে ১৮ কিলোমিটার দূর থেকে ভাড়াটে খুনিদের মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা ও ছেলেকে নির্মমভাবে জবাই করা হয়। ঘটনার পর হত্যাকারীরা আকলিমার মোবাইলটি সঙ্গে করে নিয়ে যায়, যা পরে হাতবদল হতে থাকে।

পিবিআই প্রধান মোস্তফা কামাল জানান, খোয়া যাওয়া ফোনের হাতবদলের প্রতিটি ধাপ চুলচেরা বিশ্লেষণ করেই মূল পরিকল্পনাকারীসহ ঘাতকদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে, যা দেশের অপরাধ তদন্তের ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক।