শেয়ার বাজার

চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি, দুদিনের মধ্যে অভিযান: ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪

চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি, দুদিনের মধ্যে অভিযান: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজির কারণে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, ঢাকা শহরে চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরির কাজ চলমান। দুই-তিনদিনের মধ্যে তালিকা ধরে অভিযান শুরু হবে।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে পুলিশ, ছাত্র, জনতা ও রমনা মডেল থানা এলাকার নাগরিকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, চাঁদাবাজির কারণে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে। চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। দুই-তিনদিনের মধ্যে তালিকা ধরে গ্রেফতার শুরু হবে।

কেউ চাঁদাবাজি করবেন না। চাঁদাবাজি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, যোগ করেন তিনি।

ঢাকায় ছিনতাই বেড়েছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, মোবাইল ছিনতাই বেড়েছে। রাস্তা-ঘাটে বের হলে সবাইকে সচেতন হয়ে চলাচল করতে হবে।

ফুটপাতের হকারদের বিষয়ে তিনি বলেন, হকারদের একবারে উচ্ছেদ করে দেওয়া অমানবিক। তবে হকাররা যেন সংযত অবস্থায় রাস্তায় থাকে এ জন্য তাদের প্রতি অনুরোধ। তবে হকারদের কাছ থেকে কাউকে চাঁদা দেওয়া যাবে না।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, মোটরসাইকেল ঝুঁকিপূর্ণ বাহন। এক মোটরসাইকেলে দুই-তিনজন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ঢাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসবো। যারা রাস্তা ব্যবহার করবেন অবশ্যই শৃঙ্খলা মেনে চলবেন।

ফুটপাতে মোটরসাইকেল চলাচলের ব্যাপারে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।

ঢাকার পুলিশ প্রধান বলেন, যানজটের মধ্যে গাড়িচালকরা অনবরত হর্ন বাজাতে থাকেন। কিন্তু যানজটের মধ্যে হর্ন বাজালে সমাধান কি? যারা বারংবার হর্ন বাজাবে তাদের বিরুদ্ধে শিগগির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

রাজধানীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

ঈদের ছুটি শুরু হতেই জমে উঠেছে রাজধানীর কোরবানির পশুর হাট। গাবতলী থেকে শাহজাহানপুর প্রতিটি হাটেই এখন উপচে পড়া ভিড়। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাকভর্তি গরু, ছাগল ও মহিষ আসছে হাটগুলোতে। রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে ২৫-২৬টি হাটে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ।

সোমবার (২৫ মে) ভোর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে বিক্রেতাদের হাঁকডাক। কেউ পরিবার নিয়ে এসেছেন কোরবানির পশু কিনতে, আবার কেউ এসেছেন শুধু বাজার ঘুরে দেখতে। বড় বড় হাটগুলোতে দেশি মাঝারি আকারের গরুর চাহিদাই বেশি।

এদিকে, বিক্রেতারা বলছেন খামারিদের আনা গরুর সংখ্যা বেশি হওয়ায় ক্রেতাদেরও মিলছে নানা দামের পশু। আর ক্রেতারা বলছেন, কয়েক দফা দরদামের পরই মিলছে পছন্দের গরু। ঈদের আগে তিনদিন সর্বোচ্চ বিক্রির আশা বিক্রেতাদের। তবে শঙ্কা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু আসলে গুনতে হবে লোকসান।


নজর কাড়ছে ৭৬ কেজির ছাগল, খামারে দর্শনার্থীদের ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

নজর কাড়ছে ৭৬ কেজির ছাগল, খামারে দর্শনার্থীদের ভিড়

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে সাতক্ষীরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে তিনটি বিশাল আকৃতির ছাগল। দূর থেকে দেখে মনে হয় ছোটখাটো ঘোড়া। কিন্তু কাছে যেতেই বোঝা যায়, এগুলো ঘোড়া নয়, ছাগল। একেকটির ওজন ৫৪ থেকে ৭৬ কেজি। বিশাল আকৃতির ছাগলগুলো ইতিমধ্যে এলাকার মানুষের নজর কেড়েছে। এগুলো এখন সাতক্ষীরার ঈদবাজারের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকার আমিরুল ইসলামের খামারে বেড়ে ওঠা ছাগলগুলো দেখতে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছেন, কেউ–বা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ঈদকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন খামারে কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হলেও আমিরুলের ছাগল তিনটি আলাদা করেই নজর কেড়েছে।

খামারের মালিক আমিরুল ইসলাম পেশায় একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। দীর্ঘ ২২ বছর ধরে বিদেশি জাহাজে কাজ করছেন। ছুটিতে দেশে এসে প্রায় ৬ বছর আগে শখের বশে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে ১টি পুরুষ ছাগল এবং ১২ হাজার টাকা করে ২টি মাদি ছাগল কিনে খামার শুরু করেন। ধীরে ধীরে সেই ছোট উদ্যোগ এখন বড় পরিসরে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে তাঁর আট বিঘা জমিতে গাছপালা, মাছের পুকুর ও কবুতরের খামারের পাশাপাশি ছাগলের খামারে ৩৮টি ছাগল আছে। আর দেড় বিঘা জমিতে ছাগলের খাবারের জন্য নেপিয়ার ঘাস চাষ করছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে আমিরুলের খামারে গিয়ে দেখা যায়, কালো, খয়েরি ও সাদা রঙের বড় তিনটি ছাগল। তাদের পরিচ্ছন্ন আলাদা ঘরে রাখা হয়েছে। দুপুর হলেই গোসল করানো হয়। নির্দিষ্ট সময়ে দেওয়া হয় খাবার। দেখে মনে হয়, যেন পরিবারের সদস্য।

আমিরুল ইসলাম জানান, ঈদুল আজহা সামনে রেখে তিন বছর ধরে বিশেষভাবে কয়েকটি বড় ছাগল প্রস্তুত করেছেন। এবার করেছেন তিনটি ছাগল। এর মধ্যে সাদা ছাগলটির ওজন ৭৬ কেজি, খয়েরিটি ৬৪ কেজি এবং কালোটির ওজন ৫৪ কেজি। তিনজন কর্মচারী সার্বক্ষণিক এগুলোর দেখভাল করেন। গোসল করানো থেকে শুরু করে খাওয়ানো—সবকিছুতেই বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। প্রতিদিন তিনবার বিশেষ খাবার (ভুসি, কুঁড়া, পালিশ, সয়াবিন খইল ও তাজা ঘাস) দেওয়া হয়। প্রতিদিন তিনটি ছাগলের খাবারের জন্য প্রায় ৩০০ টাকা খরচ হয়।

জীবন্ত অবস্থায় ওজন করে প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে ছাগলগুলো বিক্রি করতে চান আমিরুল ইসলাম। ইতিমধ্যে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু খয়েরি রঙের ছাগলটি কিনে নিয়েছেন। প্রতি কেজি ৭০০ টাকা করে দাম পড়েছে ৪৪ হাজার ৮০০ টাকা। তবে ছাগলটি তিনি এখনো নিয়ে যাননি।

প্রায় দুই মণ ওজনের ছাগল দেখতে আমিরুলের খামারে ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘ফেসবুকে ভিডিও দেখে এসেছি। সরাসরি দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি। এত বড় ছাগল আমাদের দিকে খুব একটা দেখা মেলে না।’ কলেজছাত্র শাওন হোসেন বলেন, ‘ছাগলগুলো শুধু বড়ই নয়, খুব সুন্দর। দেখলে মায়ায় জড়িয়ে যেতে হয়। দেখলেই বোঝা যায়, খুব যত্ন নেওয়া হয়।’

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের উপসহকারী কর্মকর্তা সালাউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, দেশে সাধারণত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করেন সবাই। তবে কেউ কেউ ক্রস জাতের ছাগল পালন করছেন। এই জাতের ছাগল অনেক বড় হয়। খরচ ও পরিশ্রম একটু বেশি হলেও এ ধরনের ছাগলের প্রচুর চাহিদা আছে।


দেশজুড়ে রেন্ট এ কার সেবায় নতুন আস্থা, বুকিং করতে কল করুন (01857534848)

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ মে, ২০২৬

দেশজুড়ে রেন্ট এ কার সেবায় নতুন আস্থা, বুকিং করতে কল করুন (01857534848)

র্তমান সময়ে ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা অফিসিয়াল প্রয়োজনে ভাড়া গাড়ির চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সেই চাহিদা পূরণে দেশব্যাপী সেবা নিয়ে এগিয়ে এসেছে একটি রেন্ট এ কার প্রতিষ্ঠান, যারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় বিভিন্ন ধরনের গাড়ি ভাড়া প্রদান করছে।


প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী হাইয়েস, এক্স-নোহা, প্রাইভেট কার, এম্বুলেন্স, মিনি বাসসহ সকল ধরনের যানবাহন ভাড়ায় দেওয়া হচ্ছে। বিয়ে, অফিস ট্যুর, পারিবারিক ভ্রমণ, এয়ারপোর্ট পিকআপ, চিকিৎসা সেবা কিংবা দূরপাল্লার যাত্রার জন্য রয়েছে বিশেষ সুবিধা।

সেবা গ্রহণের জন্য যোগাযোগ নম্বর দেওয়া হয়েছে—

☎️ 01857534848
☎️ 01748979092
☎️ 01954433550

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বুকিং নম্বর হিসেবে 01857534848 নম্বরে কল করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকার রামপুরা একরামুন্নেছা গলি, কুমিল্লার কান্দিরপাড়, নোয়াখালীর চৌমুহনী, চট্টগ্রামের হালিশহর বড়পুল, সিলেটের আম্বরখানা, বগুড়ার আজিজুল হক কলেজ সংলগ্ন এলাকা এবং ফেনীর মহিপালসহ বিভিন্ন স্থানে রয়েছে তাদের সেবা কেন্দ্র।


এছাড়াও ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, মাগুরা, যশোর, ঝিনাইদহ, বরিশাল, খুলনা, মাদারীপুর, শরিয়তপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামসহ দেশের প্রায় সব জেলাতেই তাদের সেবা চালু রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, নিরাপদ যাত্রা, দক্ষ ড্রাইভার এবং দ্রুত সার্ভিসের মাধ্যমে তারা গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে ঈদ, ছুটি কিংবা পর্যটন মৌসুমে তাদের গাড়ির চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পায়।

আপনি কি ভাড়া গাড়ি খুঁজছেন?


বুকিং করতে কল করুন (01857534848)


বাংলাদেশের (64) জেলায় সকল ধরনের গাড়ি ভাড়া দেওয়া হয় হাইয়েস এক্স-নোহা প্রাইভেট কার এম্বুলেন্স 


মিনি বাস সহ সকল ধরনের গাড়ি


ঢাকাঃ রামপুরা একরামুন্নেছা গলি


কুমিল্লাঃ কান্দিরপাড়


নোয়াখালীঃ চৌমুহনী 




চট্টগ্রামঃ হালিশহর বড়পুল 


সিলেটঃ আম্বরখানা


বগুড়াঃ আজিজুল হক কলেজের অপজিটে


ফেনিঃ মহিপাল


ময়মনসিংহ,নেত্রকোনা,জামালপুর,সিরাজগঞ্জ,রাজশাহী, 


নাটোর,পাবনা,কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, মাগুরা, যশোর,


ঝিনাইদহ, ভাঙ্গা,বরিশাল,খুলনা,মাদারীপুর,শরিয়তপুর


সিলেট ব্রাহ্মণবাড়িয়া নরসিংদী কক্সবাজার রাঙ্গামাটি বান্দরবান খাগড়াছড়ি রংপুর দিনাজপুর লালমনিরহাট কুড়িগ্রাম