?> বিশ্বশান্তি ও মানবতার পক্ষে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

বিশ্বশান্তি ও মানবতার পক্ষে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্বশান্তি ও মানবতার পক্ষে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বশান্তি, মানবতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পক্ষে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভাষণ প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন পরিকল্পনার পাশাপাশি বিশ্বশান্তি, ফিলিস্তিনিদের অধিকার এবং জাতিসংঘের মাধ্যমে শান্তি, সমৃদ্ধি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার বিষয়ে কথা বলেছেন।’

তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শিশু, নারী, তরুণ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ই-হেলথ কার্ড এবং ভবিষ্যতে ইউনিভার্সাল কার্ড চালুর পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেছেন।’

মাহদী আমিন আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি ও পরিবেশসহ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের পরিকল্পনার একটি রূপরেখা প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন। একইসঙ্গে গণতন্ত্র সুসংহত করা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘২০ মিনিটের বেশি সময়ের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শুধু বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেননি; তিনি বিশ্বশান্তি, মানবাধিকার, আইনের শাসন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পক্ষে কথা বলেছেন।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘জাতিসংঘ সফরের তৃতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী বহুপাক্ষিক, দ্বিপাক্ষিক ও উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন বৈঠকসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এসব কর্মসূচিতে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সহযোগিতা, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার ও বিশ্বশান্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন।‘

তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সংযোগ, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং সমতা, ন্যায্যতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, ২০ হাজার কিলোমিটারের বেশি খাল খনন এবং পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনার মতো উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।’

এছাড়া বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী চারটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন বলেও জানান মাহদী আমিন।

স্বাস্থ্যবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মাতৃ ও শিশুমৃত্যু কমানো এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। আগামী কয়েক বছরে এক লাখ স্বাস্থ্যসেবাকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন, যার মধ্যে ৮০ হাজার নারী এবং মিডওয়াইফারি সেবায় ২৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের লক্ষ্য রয়েছে।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। বৈঠকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি সদস্যদের অবদানের জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকারও প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের বহুপাক্ষিক কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বিশ্বশান্তি, পারস্পরিক সহযোগিতা ও বিভিন্ন দেশের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি জোরদারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উয়িংয়ের সদস্যরা।

ইসরায়েলে নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ করবে মুসলিম ভোটাররা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৬

ইসরায়েলে নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ করবে মুসলিম ভোটাররা
ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে কট্টর ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে প্রয়োজন আরব মুসলিম নাগরিকদের ভোট। নেতানিয়াহু সরকারকে উৎখাত করতে আগামী সপ্তাহের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম নাগরিকদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির আরব নেতারা।

ইসরায়েলের জনসংখ্যার ২১ শতাংশ হলো আরব সংখ্যালঘু, যারা ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনি মুসলিম কিন্তু নাগরিকত্বে ইসরায়েলি। এই জনগোষ্ঠীর ভোটারদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেলে জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন নেতানিয়াহু-বিরোধী জোটের অনুকূলে যেতে পারে। 

ইউনাইটেড আরব লিস্ট পার্টির প্রধান মনসুর আব্বাস এবং জয়েন্ট লিস্টের নেতা আহমেদ তিবি নতুন পরিবর্তনশীল সরকার গঠনে আরব ভোটারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।
নির্বাচনী জরিপ অনুযায়ী, ১২০ আসনবিশিষ্ট নেসেটে গাদি আইজেনকোটের জোট ৫২টি আসন পেতে পারে, অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ধর্মীয়-জাতীয়তাবাদী জোট ৫০টি আসন পেতে পারে। মনসুর আব্বাসের দল পাঁচটি এবং যৌথ আরব জোট জয়েন্ট লিস্ট আটটি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আইজেনকোট আরব দলগুলোর সঙ্গে সরাসরি সরকার গঠনে অনীহা দেখালেও আব্বাস বিশ্বাস করেন, ভোটের পর রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে জোট গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ এবং পুলিশ মন্ত্রী ইতামার বেন-গভীরের চরমপন্থার কারণে আরব ভোটারদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির আভাস মিলছে। স্ট্যাট-নেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মতে, এবার আরবদের ভোটদানের হার বেড়ে ৬৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা ২০২২ সালে ছিল ৫৬ শতাংশ। আসন্ন ২৭ অক্টোবরের এই নির্বাচন ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলার পর প্রথম নির্বাচন এবং এটিকে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের ওপর একটি গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স

প্রতিবেশী দেশের ভরসায় ক্ষমতায় থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৬

প্রতিবেশী দেশের ভরসায় ক্ষমতায় থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রতিবেশী কোনো দেশের সঙ্গে সমঝোতা করে তাদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জেএম সেন হলের দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, জেএম সেন হলে তারা সব সময় এসেছেন। তবে অতীতে এখানে আসা কেউ কেউ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, একটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং সেই দেশের সমর্থনে তারা ক্ষমতায় থাকবেন। কিন্তু এ ধরনের রাজনীতিতে তারা বিশ্বাস করেন না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রত্যাশা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে কোনো ধরনের বৈষম্য থাকবে না। মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধারাও ধর্মীয় সম্প্রীতিপূর্ণ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তবে আমরা সচেতনভাবেই ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’ শব্দটি ব্যবহার এড়িয়ে চলি। কারণ, আইনগতভাবে দেশে কোনো সম্প্রদায়কে আলাদা পরিচয়ে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি আমরা সামনে আনতে চাই না।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা ধর্মের মানুষের বসবাস রয়েছে এবং কোথাও সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষও থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে কাউকে সংখ্যালঘু হিসেবে চিহ্নিত করতে চান না তারা। এ দেশের সব মানুষের পরিচয় বাংলাদেশি নাগরিক। এই পরিচয় নতুন করে উপলব্ধি করার যে সংস্কৃতি ২০২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে চালু হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এ দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন। ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পেতে গণ-অভ্যুত্থানেও সব ধর্মের মানুষ রক্ত দিয়েছেন।

ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন কিংবা রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন চাই না। ধর্মের ভিত্তিতে কোনো রাজনীতি করি না। ধর্মের ভিত্তিতে রাজনীতি বিশ্বাস করি না। সুতরাং যারা আপনাদেরকে ভোট ব্যাংক হিসেবে সব সময় মনে করেছিল, তাদের ভ্রম ভেঙে দিয়েছিলেন গতবার। আপনারা আস্থা প্রকাশ করেছেন, আমরা বিশ্বাস রেখেছি। আস্থা এবং বিশ্বাসের প্রতীক আমাদের নেতা তারেক রহমান।


ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৩৯, মামলা ৩১

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৩৯, মামলা ৩১

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ৩১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এসব তথ্য জানান।

মো. আকতার হোসেন জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগ ২৮ জন, লালবাগ বিভাগ ৫৭ জন, ওয়ারী বিভাগ ৩৭ জন, মতিঝিল বিভাগ ৫৫ জন, তেজগাঁও বিভাগ ৭৯ জন, মিরপুর বিভাগ ৯৬ জন, গুলশান বিভাগ ২৮ জন, উত্তরা বিভাগ ৩৮ জন, গোয়েন্দা বিভাগ ২০ জন এবং সিটিটিসি একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

অভিযানকালে ১৫২ কেজি ১৫০ গ্রাম গাঁজা, ৭ হাজার ২৮টি ইয়াবা ও ১৭৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৩টি মোবাইল ফোন, একটি মোটরসাইকেল, একটি ছোরা, একটি রামদা, একটি চাপাতি, দুটি সুইস গিয়ার চাকু, একটি মাইক্রোবাস ও একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
ডিএমপির এই কর্মকর্তা জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।