?> বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে আইন সবার জন্য সমান | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে আইন সবার জন্য সমান

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে আইন সবার জন্য সমান

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপিকে দেশের মানুষ দায়িত্ব দিয়েছে। বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে যে আইন সবার জন্য সমান। 

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে ফেনীর পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা অনেক বছর ধরে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করেছি। স্বৈরাচার গত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষের টুঁটি চেপে ধরে রেখেছিল। দেশের মানুষের ভোটের অধিকার তারা কেড়ে নিয়েছিল। মানুষকে তারা কথা বলতে দেয়নি। মানুষের কষ্ট-দুর্দশা তারা দূর করেনি। দুঃখ-দুর্দশার কথাও তারা শুনতে চায়নি সেদিন।

তিনি বলেন, ২৪-এর ৫ আগস্ট এ দেশের মানুষ সেই স্বৈরাচারকে দেশ থেকে বিদায় করেছে। এ বছর ২০২৬-এর ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ তারিখে এই দেশের মানুষ দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে। এই দেশে বিএনপিকে যখন দেশের মানুষ দায়িত্ব দিয়েছে, বিএনপি তার সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে যে আইন সকলের জন্য সমান। দেশে যাতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। আমরা দেখেছি, কীভাবে আইনের শাসনকে বিগত ১৭ বছর ভূলুণ্ঠিত করে দেওয়া হয়েছিল। আমরা সেই পরিস্থিতি পরিবর্তন করে আইনের শাসন ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আমরা খেয়াল করছি, কিছু কিছু রাজনৈতিক দল কিছু কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে দেশে একটি অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। এই যে ফ্যামিলি কার্ডের কথা বললাম, কৃষক কার্ডের কথা বললাম, খাল খননের কথা বললাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কথা বললাম, বন্ধ মিল-কারখানা চালু করার কথা বললাম—এই কাজগুলোতে যদি বিঘ্ন ঘটে, ক্ষতি কার হবে? এই দেশের মানুষের, না বিদেশি মানুষের? এই দেশের মানুষেরই হবে।

বক্তব্যে নির্দিষ্ট কোনো দলের নাম না নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘রাজনৈতিক দল’ ও ‘গুপ্তদল’ শব্দ ব্যবহার করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, এই রাজনৈতিক দল—যারা অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে—১৯৭১ সালে তাদের কী ভূমিকা ছিল। মনে আছে আপনাদের? আমরা দেখেছি, তারা সেই সময় কীভাবে বিভিন্ন অন্যায় করেছিল, কীভাবে মা-বোনদের হয়রানি করেছিল, মা-বোনদের ওপর নির্যাতন করেছিল। যেভাবে তারা মা-বোনদের ওপর নির্যাতন করেছিল, ঠিক একইভাবে আমরা দেখছি আবার তাদের সেই নারী নির্যাতন শুরু হয়েছে। আমরা দেখছি, এই গুপ্তবাহিনীর কিছু সদস্য কীভাবে নারীদের ওপর নির্যাতন করছে এবং শুধু নির্যাতন করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি। তদন্ত চলছে। যে বিষয়টি তদন্তাধীন, সে বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। কিন্তু মানুষ বলে, শুধু নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি। একটি মানুষের জীবনাবসান করে দিয়েছে তারা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন মিডিয়াতে দেখলাম, সেই গুপ্তদলের নেতারা খুব নসিহত করছে আমাদের—আপনারা এটা করেন, আপনারা ওটা করেন। আজকে এখানে হাজারো লক্ষ মানুষের সামনে আমি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, দয়া করে নিজের ঘরের দিকে আগে তাকান। নিজের ঘরের লোকেরা কীভাবে নারী নির্যাতন করছে, সেটি আগে সামাল দেন, তারপর অন্যকে কিছু বলতে আসেন।

এর আগে কর্মসূচির শুরুতে ফেনীর উত্তরাঞ্চলে মুহুরী-কহুয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচব্যবস্থার উন্নয়নে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নেওয়া প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

পরশুরামে এই কর্মসূচির পর ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় ৪ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় ৪ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মাত্র ২৫ সেন্টিমিটার বাড়লে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ৪ শতাংশ ভূমি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর ফলে দেশের প্রায় ১ কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত উচ্চপর্যায় বৈঠকে এই শঙ্কা প্রকাশ করে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় চার দফা জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানান তিনি।বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুম-৪-এ ‘হাই-লেভেল মিটিং টু অ্যাড্রেস দ্যা অ্যাসেনশিয়াল থ্রেটস পোসড বাই সি-লেভেল রাইজ’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি সক্রিয় বদ্বীপ, যেখানে শত শত নদী প্রবাহিত হয়ে সাগরে মিশেছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের সঙ্গে এ দেশের মানুষের জীবন, সংস্কৃতি এবং সামগ্রিক সমৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ গভীরভাবে জড়িত।

সীমিত সম্পদ নিয়েও বাংলাদেশ নিজস্ব উদ্যোগে সম্ভাব্য এই বিপর্যয় মোকাবিলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দেশের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন করা হবে, পানি সংরক্ষণ ও মজুদের জন্য পদ্মা ব্যারাজ উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং মাস্টার প্ল্যানের মাধ্যমে তিস্তা ব্যারাজ আধুনিকায়ন করা হবে। এছাড়া পরিবেশ রক্ষায় ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। সবুজ শিল্প, পরিবেশবান্ধব পরিবহন এবং জাতীয় কার্বন বাজার গঠনের কাজও বর্তমানে চলমান রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাব একা মোকাবিলা করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয় উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে চারটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমত, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ দ্রুত ও ন্যায়সংগতভাবে কমিয়ে বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখা। দ্বিতীয়ত, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অভিযোজন কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত ও সহজ শর্তে জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা। তৃতীয়ত, ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় দেশগুলোর জন্য জলবায়ু-স্মার্ট প্রযুক্তি, তথ্য-উপাত্ত এবং আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার সহজ করা। চতুর্থত, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি, ক্ষতি ও লোকসান মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্র দ্রুত উচ্চতর হচ্ছে এবং আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকেও তার চেয়ে দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় ঘোষণাপত্রের অঙ্গীকারগুলোকে এখনই বাস্তব পদক্ষেপে রূপ দিতে হবে।


জাতিসংঘে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান


প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আধা ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সচিবালয় ভবনের ৩৪তম তলায় দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আধা ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সচিবালয় ভবনের ৩৪তম তলায় দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের দিনই (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে অংশ নেবেন তিনি। নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে তার সম্ভাব্য ভাষণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হবে এবং বিকালের অধিবেশনে নির্ধারিত ১৮ জন বক্তার মধ্যে তারেক রহমান ১১তম বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।

ভাষণের আগে বৃহস্পতিবার সকালেই সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলাবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী এবং সেখানে পাঁচ মিনিটের উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন।

এরপর দুপুরে মাতৃ ও নবজাতকের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু বন্ধে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মিডওয়াইফারি অন্তর্ভুক্তিবিষয়ক আরও একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন তিনি। উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণীর সমাপনী বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে।

পরবর্তী সূচি অনুযায়ী, দুপুর ২টা ১৫ মিনিট থেকে ২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৩টা পর্যন্ত 'ইউএন বাইল্যাটেরাল বুথে' থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি।

এর আগে দুপুর ১টা ১০ মিনিটে সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বিনিময় ও ফটোসেশনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।

প্রেস উইং আরও জানায়, সাধারণ অধিবেশনে ভাষণদান শেষে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দপ্তর থেকে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন অথবা তার থাকার জন্য নির্ধারিত হোটেল 'হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কে' ফিরবেন। পরে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির কার্যালয়ে আয়োজিত এক নৈশভোজে যোগ দেবেন তিনি।

পরের দিন শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ম্যানহাটনে জেপি মরগানের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটি আয়োজিত ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক প্রাতঃরাশ বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১১টায় কুয়েতের স্থায়ী মিশনে দেশটির ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন তিনি।

এরপর দুপুরে ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট প্রিন্স জায়েদ আল হুসেইনের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন। যেখানে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বৈশ্বিক প্রবণতা ও নানা ঝুঁকি নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হবে। মধ্যাহ্নভোজ শেষে হোটেল গ্র্যান্ড হায়াতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

সফর শেষে ওই দিনই (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টায় এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। ফ্লাইটটি ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় (দুবাই সময়) দুবাই পৌঁছাবে।

এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর রাত ২টায় দুবাই থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


আগামী নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

আগামী নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আগামী নভেম্বরের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলক ও বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে আগামী বছরের জুনের মধ্যে দেশের প্রথম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে ফুয়েল লোডিং বা রিঅ্যাক্টর চালুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে মেগা প্রকল্পটির অগ্রগতি পর্যালোচনায় এসব তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে রূপপুর প্রকল্পের কাজের বর্তমান ধাপ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রূপপুর একটি সর্বাধুনিক ‘থ্রি প্লাস জেনারেশন’ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) কঠোর নিরাপত্তা মানদণ্ড ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে প্রকল্পের প্রতিটি স্তরের কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, মেগা এই প্রকল্পের কাজ সঠিক সময়রেখা মেনেই সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে।

বৈঠকে আরও অবহিত করা হয়, শুধু পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনই নয়, এর বহুমুখী সুবিধার অংশ হিসেবে জেলা পর্যায়ে নিউক্লিয়ার মেডিসিন সুবিধা সম্প্রসারণ এবং দেশের প্রথম সামুদ্রিক গবেষণা জাহাজ (রিসার্চ ভেসেল) নির্মাণের মতো যুগান্তকারী উদ্যোগগুলোও বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই রূপপুর প্রকল্পের সব কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এ বৈঠকে কমিটির সদস্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম অংশ নেন। এ ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, মো. আনোয়ারুল ইসলাম, মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, কে এম বাবর, সানসিলা জেবরিন, সালাহ উদ্দিন, মারদিয়া মমতাজ এবং মো. আব্দুল গফুর।

এ সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, প্রকল্প পরিচালক এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।