শেয়ার বাজার

আজ শেষ অফিস, সোমবার থেকেই শুরু হচ্ছে টানা ৭ দিনের ঈদের ছুটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

আজ শেষ অফিস, সোমবার থেকেই শুরু হচ্ছে টানা ৭ দিনের ঈদের ছুটি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দীর্ঘ ছুটির আনন্দ শুরু হচ্ছে। আজ রবিবার (২৪ মে) ঈদ পূর্ববর্তী শেষ কর্মদিবস অতিবাহিত করছেন তারা। আগামীকাল সোমবার (২৫ মে) থেকে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি। ফলে আজ অফিস শেষ করেই ঈদের ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হবেন লাখো চাকুরিজীবী।

এ বছর আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) দেশে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। ঈদযাত্রা যেন সাধারণ মানুষের জন্য নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক হয়, সেজন্য আগেভাগেই ছুটির বিষয়টি ঢেলে সাজিয়েছে সরকার। পূর্ব নির্ধারিত ছুটির সঙ্গে মন্ত্রিসভার বিশেষ সিদ্ধান্তে আরও একদিন যুক্ত করায় এবার মোট সাত দিনের লম্বা ছুটি পাচ্ছেন চাকরিজীবীরা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। মূলত ২৮ মে ঈদের মূল ছুটির সঙ্গে আগের ও পরের নির্বাহী আদেশের ছুটি মিলিয়ে এই দীর্ঘ ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর আগে, ঈদযাত্রা সহজ করতে গত ৭ মে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২৫ মে সাধারণ ছুটি ঘোষণা এবং ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা রাখার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

তবে এই দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও জনগণের ভোগান্তি কমাতে জরুরি সেবা খাতগুলোকে সচল রাখা হচ্ছে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ইন্টারনেট ও ডাক সেবার মতো জরুরি বিষয়গুলো এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। একই সঙ্গে জরুরি সেবার সঙ্গে জড়িত যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির দিনগুলোতেও নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবেন।

ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬

ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

আর মাত্র একদিন পরই মুসলিম উম্মার বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। এরই মধ্যে দেশবাসী এবং বিশ্ববাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৬ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করে এই শুভেচ্ছা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ত্যাগের পরাকাষ্ঠা, তাকওয়ার মহিমান্বিত পথনির্দেশনা এবং আত্মশুদ্ধির অনন্য বার্তা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বছর ঘুরে আবারও বিশ্ব মুসলিমের দুয়ারে হাজির পবিত্র ঈদুল আজহা। আমি এই শুভক্ষণে দেশ এবং বিশ্বের সব মুসলমানকে জানাই ঈদ মোবারক। বিশ্ববাসীকে জানাই পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা।

ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মুসলমান ঈদুল আজহা উদ্ যাপনের জন্য প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন ইসলামের মহিমান্বিত এই উৎসব শুধু একটি আনন্দ-উৎসবই নয় বরং স্রষ্টার প্রতি গভীর বিশ্বাস, আত্মনিবেদন এবং ত্যাগের এক চিরন্তন বার্তা বহন করে। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর অটল ঈমান, নিঃশর্ত আনুগত্য এবং সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই দিবসকে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কাছে মহিমান্বিত ও গভীর তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

পবিত্র ঈদুল আজহায় আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আল্লাহ যেন আমাদের ত্যাগ কবুল করেন। আমাদের মাতৃভূমিসহ সমগ্র মুসলিম বিশ্ব ও মানবজাতির জন্য শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা দান করেন। একইসঙ্গে আমি বিশ্বজুড়ে শান্তি, সম্প্রীতি এবং নিরাপত্তার জন্যও মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক এই পবিত্র ঈদুল আজহা। আল্লাহ আমাদের কোরবানি ও ইবাদত কবুল করে নিন। তাঁর অশেষ রহমত ও বরকতে আমাদের জীবন ভরে উঠুক শান্তি ও সমৃদ্ধিতে।


দেশের ইতিহাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

দেশের ইতিহাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২০ মে) রাত ৯টায় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন রেকর্ড হয়েছে ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে, দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড ছিল ১৬ হাজার ৭৯৪ মেগাওয়াট, যা ২০২৫ সালের ২৩ জুলাই অর্জিত হয়েছিল।

বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সন্ধ্যার পর থেকে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সর্বোচ্চ চাপ তৈরি হয়। বিশেষ করে গরমের মৌসুমে আবাসিক খাতে শীতলীকরণ যন্ত্রের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় পিক লোড বৃদ্ধি পায়।

দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বড় অংশ আসে আবাসিক খাত থেকে। এ খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়, যা মূলত বাসা-বাড়ির ফ্যান, লাইট, এসি ও অন্যান্য দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত হয়।

শিল্প খাতেও বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাপ উল্লেখযোগ্য। মোট ব্যবহারের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ আসে শিল্প কারখানা থেকে, যার মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি), টেক্সটাইল ও ভারী শিল্প অন্যতম।

বাণিজ্যিক খাতে— যেমন মার্কেট, অফিস ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় প্রায় ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়। বাকি অংশ কৃষি ও সেচ কার্যক্রম, রাস্তাঘাটের আলোকসজ্জা এবং অন্যান্য জনসেবামূলক কাজে ব্যবহৃত হয়।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমানে প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। তবে বাস্তব উৎপাদন নির্ভর করে জ্বালানি সরবরাহ, কেন্দ্রগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও চাহিদার তারতম্যের ওপর।


জ্বালানির দাম
মধ্যরাতেই বাড়ল জ্বালানির দাম: পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনে নতুন ধাক্কা, স্বস্তিতে শুধু ডিজেল ক্রেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১ মে, ২০২৬

মধ্যরাতেই বাড়ল জ্বালানির দাম: পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনে নতুন ধাক্কা, স্বস্তিতে শুধু ডিজেল ক্রেতারা

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতার জের ধরে দেশের বাজারে আবারও বাড়ল পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আজ মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হচ্ছে এই নতুন মূল্যতালিকা। ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে কেরোসিনের দামও ৫ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫ টাকায়। তবে পরিবহন খাতের ওপর চাপ কমাতে এবং সাধারণ মানুষের স্বস্তির কথা বিবেচনা করে বহুল ব্যবহৃত ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকাই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। জুনের শুরুতেই জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মধ্যবিত্তের পকেটে বড় ধাক্কা দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারে। ২০২৪ সালের মার্চ থেকে চালু হওয়া স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণী ফর্মুলার আওতায় প্রতি মাসে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর আগে ২০২২ সালের আগস্টে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির রেকর্ড গড়ার পর, বর্তমানের এই নতুন বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দেবে। পরিবহন ভাড়া থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ে কি না, তা নিয়ে এখন শঙ্কিত সাধারণ ক্রেতারা।