?> আবাসন খাতের সুরক্ষাই দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতার চাবিকাঠি: সংশ্লিষ্ট খাতের বিশিষ্টজনেরা | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

আবাসন খাতের সুরক্ষাই দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতার চাবিকাঠি: সংশ্লিষ্ট খাতের বিশিষ্টজনেরা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

আবাসন খাতের সুরক্ষাই দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতার চাবিকাঠি: সংশ্লিষ্ট খাতের বিশিষ্টজনেরা

 খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান। এই তিনটি হলো মানুষের মৌলিক চাহিদা। এর মধ্যে বাস স্থানের গুরুত্ব অপরিসীম। সব মানুষ সাধ্যের মধ্যে নিজের একটি আবাস গড়তে চায়। এই চাওয়াটা সবার জন্য সহজ নয়। তবে আবাসন কোম্পানিগুলো অনেকের জন্যই আবাসনকে নাগালের মধ্যে এনে দিয়েছে।


নানাবিধ কারণে আবাসন ক্রমেই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে হলে এই খাতকে ঝুঁকি মুক্ত করতে হবে। এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত শত শত সহযোগী শিল্প। এসব শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে আবাসন খাতের সুরক্ষা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। 


‘আবাসন খাত বাঁচলে বাঁচবে অন্য শিল্প’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, রিয়েল এস্টেট বা আবাসন খাত কেবল কংক্রিটের কোনো অবকাঠামো তৈরি বা একক কোনো ব্যবসা নয়; এটি জাতীয় অর্থনীতির বহু খাতের মূল চালিকাশক্তি।

​সম্প্রতি এ খাতের বর্তমান পরিস্থিতি, ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ এবং এর বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা জোরালো হয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার এবং উৎপাদনমুখী শিল্পগুলোর চাকা সচল রাখতে আবাসন খাতের অবদান অপরিসীম।

​লিংকেজ ইন্ডাস্ট্রি বা সহযোগী খাতের ওপর প্রভাব: ​রিয়েল এস্টেট খাতের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছে প্রায় আড়াইশ'র বেশি সহযোগী ও উপ-শিল্প। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—


​নির্মাণসামগ্রী: রড, সিমেন্ট, ইট, পাথর, বালি এবং সিরামিক বা টাইলস শিল্প।
​সাজসজ্জা ও ফিনিশিং: পেইন্টস বা রঙ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, গ্লাস ও অ্যালুমিনিয়াম শিল্প।
​ইলেকট্রিক্যাল ও স্যানিটারি: বৈদ্যুতিক তার, সুইচ-সকেট, লাইটিং, পাইপ ও স্যানিটারি ফিটিংস।
​বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবাসন খাতে কোনো কারণে মন্দা দেখা দিলে বা ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি কমে গেলে এর নেতিবাচক প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে পড়তে শুরু করে এই সহযোগী শিল্পগুলোতে। ফলস্বরূপ, কলকারখানার উৎপাদন কমে যায়, যা সামগ্রিক শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে স্থবিরতা ডেকে আনতে পারে।
​কর্মসংস্থান এবং জিডিপিতে অবদান
​কৃষি খাতের পর দেশের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার হিসেবে কাজ করে নির্মাণ ও আবাসন খাত। প্রকৌশলী, স্থপতি, প্রজেক্ট ম্যানেজার থেকে শুরু করে রাজমিস্ত্রি, রডমিস্ত্রি, ইলেকট্রিশিয়ান এবং হাজার হাজার সাধারণ শ্রমিকের রুটি-রুজি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই খাতের ওপর নির্ভরশীল। 
এই খাত থমকে গেলে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে, যা সামাজিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।


​সংকট উত্তরণে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রত্যাশা:


​বর্তমান বাজার পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে এবং খাতের টেকসই উন্নয়নে ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন—


​নীতিগত সহায়তা: দীর্ঘমেয়াদী ও ব্যবসাবান্ধব নীতি প্রণয়ন করা, যাতে বিনিয়োগকারীরা স্বস্তিতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন।
​সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা: ক্রেতা এবং ডেভেলপার উভয় পক্ষের জন্যই সহজ শর্তে এবং কম সুদে গৃহঋণ (Home Loan) বা তহবিল নিশ্চিত করা।
​সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (PPP): আবাসন খাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ আরও জোরদার করা।
​নির্মাণসামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণ: রড, সিমেন্টসহ মূল নির্মাণসামগ্রীর ঊর্ধ্বগতি রোধে কার্যকর বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা।
​সংশ্লিষ্টদের জোরালো প্রত্যাশা, সরকার ও নীতিনির্ধারক মহল বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে আবাসন খাতের প্রসারে সময়োপযোগী ও ব্যবসাবান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কারণ, একটি চাঙ্গা আবাসন খাত কেবল ফ্ল্যাট বা ভবনই তৈরি করে না, এটি পুরো জাতির অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও মজবুত ও গতিশীল করে তোলে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, দুইজনকে খুঁজছে পুলিশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, দুইজনকে খুঁজছে পুলিশ

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে খুঁজছে পুলিশ।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। অন্যটি পরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে।

ঘটনায় জড়িত দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে শনাক্ত ও গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে রাত আড়াইটার দিকে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান।

ডিসি ইবনে মিজান বলেন, রাত সোয়া ১টার দিকে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী ঘটনাস্থলে এসে দুই থেকে তিন মিনিট অবস্থান করেন। এ সময় তারা আশপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন। পরে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে চলে যান। তারা আগারগাঁও হয়ে কাফরুল রোডের দিকে চলে গেছেন বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশের দল মাঠে নেমেছে। জড়িতদের শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।


শহীদ দিবসে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

শহীদ দিবসে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

বার্তাবেলা ডেস্ক: ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রামের  রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বজন কুমার তালুকদার। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হান মেহেবুব। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারজান হোসাইন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেব প্রসাদ চক্রবর্তী, রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হিন্দুল বারী, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান, রাঙ্গুনিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জিগারুল ইসলাম জিগার, সাবেক সভাপতি আকাশ আহমেদ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মাসুদ নাসির, অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক জগলুল হুদা, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা শামিমা আক্তার, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সুমন শর্মা প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন। পরে উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।


অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন

কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করেছে পুলিশ সুপারের কার্যালয়।

পরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা মামলাটি তদন্ত করবেন বলে শুক্রবার রাতে জানিয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান।

এ মামলার তদন্ত শুরু করেছিলেন সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম।

শুক্রবার সাইফুল ইসলাম বলেন, মামলাটি এখন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব আহমেদ তদন্ত করবেন। আজকালের মধ্যে মামলার যাবতীয় নথি হস্তান্তর করা হবে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়া রাজিব আহমেদ বলেন, পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের আদেশ হয়েছে। নথিপত্র পাওয়ার পর তদন্ত কাজ শুরু হবে।

“আশা করি, তদন্তের পর দ্রুততম সময়ে আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করতে পারব।”

গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকালে নিখোঁজ হয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের শিক্ষক নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতিম। সে কোটবাড়ী এলাকায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত।

১৯ সেপ্টেম্বর লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

লাশ উদ্ধারের পরের দিন পুলিশ দাবি করে, অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা আইফোন ছিনিয়ে নিতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।

অপ্রতিম হত্যা মামলায় বাদী হয়েছেন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।

এ মামলায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বাকি দুজনকে পাঠানো হয়েছে গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে।